somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

উন্নয়নের রাখাল ও বাঘ : বিচারকথা

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


(ইহা একটি কল্পনাপ্রসূত কাহিনী, কোন বাস্তব ঘটনা বা ব্যক্তির সাথে সাদৃশ্য কাকতাল মাত্র)

রাখাল বাহাদুর মনের আনন্দে ঘাস ( থুক্কু পান) চিবাইতেছিলেন । কান চুলকাইতে খায়েছ জাগিলেও কর্ণ ছিদ্রের দুরাবস্থার কথা ভাবিয়া, মস্তিক হইতে সেই চিন্তা ঝাড়িয়া ফেলিলেন। ধীরে ধীরে কেমন যেন নস্টালজিকও হইয়া গেলেন (পানের সাথে কী কাঁচা সুপারি ছিল আজ ?) । আপন মনে গাহিয়া উঠিলেন


"বিচারপতি, তোমার বিচার করবে যারা
আজ জেগেছে সেইত জনতা ....... "

নাহ, এই জনতাকে জাগিতে দেওয়া যাইবে না । বড়ই খাতরনাক জিনিষ এরা। আজ ইহাকে ভাললাগে তো কাল উহাকে । বহু কষ্ট করে টানা দুইবার পাঁচশালা ইজারা পাহিয়াছেন। আর এই বিচারপতিদের দল, মুখে যাহা আসে বলিয়া দেয়, কথায় কথায় মোটা মোটা পুস্তককথা বলিয়া বসে। কী করা যায় ভাবিতে ভাবিতে আইন বাহাদুরকে ডাকিয়া পাথাইলেন। অবস্থা দেখিয়া, ( যত না দেখিয়া তাহার চাইতে বেশি কল্পনা করিয়া ) এক ফন্দি পাতিলেন।

"রাখাল বাহদুর, গানের মাঝেয় তো সমস্যার সমাধান আছে" কহিলেন আইন বাহাদুর।
"কী রুপে ?" রাখাল বাহাদুরের প্রশ্ন।
"তোমার বিচার করবে যারা, এই রুপে" কহিতে থাকিলেন আইন বাহাদুর "লুই কর্ণ সাহেবের নকশা করা ঘরে যারা বসে তাহারাইতো জনগন। জনপ্রতিনিধি বলিয়া কথা।"
"তো ?"
"কেন আপনার মনে নেই ? আগে তো আমারাই অভিশংসন করিতে পারিতাম। মূল আইন পুস্তকে একখানা সংশোধন করিলই সমস্যার সমাধান।" ব্যখ্যা করিলেন আইন বাহাদুর।

যেরুপ ভাবনা সেরূপ কর্ম, কালকে বিল্মবিত হইতে না দিয়া, এক দশ ছয়তম সংশোধন করিয়া ফেলিলেন।

তাহার পরেও উটকো ঝামেলার তো অভাব নাই। প্রানসখি সবাইকে বলিয়া কহিয়া বেলাইলেন "ইহা অনাচার, আসুন আমরা একদিনের কর্ম বিরতী পালনে করি"।

" জনগন বড়ই খাতরনাক" বলিয়া দীর্ঘশ্বাস ছাড়িলেন রাখাল বাহাদুর।

(একই সাথে নক্ষত্র ব্লগ ও সামহয়ারইন এ প্রকাশিত)
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নায়লা নাইমের বিড়ালগুলো

লিখেছেন শাহ আজিজ, ২১ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ৮:৫৯



একজন মডেল নায়লা নাইম সাড়ে তিনশ’ বিড়াল পালেন একটি স্বতন্ত্র ফ্লাটে ঢাকার আফতাবনগরে । পাশেই তার আবাসিক ফ্লাট । গেল চার বছরে অসংখ্য বার দর কষাকষি করেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ তালব্য শ এ এশা

লিখেছেন অপু তানভীর, ২১ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ১০:০৬

মাঝে মাঝে নিজের নির্বুদ্ধিতার নিজেকে একটা কষে চড় মারতে ইচ্ছে হয় । নিজের চড়ে খুব একটা ব্যাথা অবশ্য লাগে না । আর চাইলেও খুব জোরে নিজেকে চড় মারা যায়ও না... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটা বৃহৎ জীবনের নেশা

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২১ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ১১:০৪

এমন সময়ে তুমি আসবে, যখন বিভোর বসন্ত
অঘোরে লাল-নীল-হলুদ ছড়াবে; তখন নবীন কিশলয়ের
মতো গজিয়ে উঠবে প্রেম। পৃথিবীর চোখ
তৃষ্ণায় ছানাবড়া হবে, মানুষে মানুষে অদ্ভুত সম্মিলন।

কখনো কখনো এত বেশি ভালো লাগে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ কেন গালি দেয়?

লিখেছেন রাজীব নুর, ২২ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ২:৩৫



'হারামজাদী ছিনাল
বজ্জাত মাগী
খানকী বেইশ্যা

মিয়া বাড়ির কাচারির সুমুখে লম্বালম্বি মাঠ। মাঠের পর মসজিদ। সে মসজিদের সুমুখে বসেছে বাদ-জুমা মজলিস। খানিক দূরে দাঁড়ান ঘোমটা ছাড়া একটি মেয়ে। গালি গুলো ওরই... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ কাঁচের মেয়ে

লিখেছেন সামিয়া, ২২ শে অক্টোবর, ২০২০ বিকাল ৪:৩০




আমার বিয়ে হয়েছিলো মাঘ মাসের উনিশ তারিখে আমি প্রতিদিনের মতনই স্কুলে গিয়েছিলাম ক্লাস নিতে। পড়াশোনা ইন্টারের পর আর হয়নি অভাব অনটনে আর বখাটেদের উৎপাতে সেটা ছেড়ে দিয়েছিলাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

×