somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশ ঠেকাতে মরিয়া ভারতের ব্যবসায়ীরা

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশের ৪৬টি পণ্য শুল্কমুক্তভাবে ভারতের বাজারে প্রবেশের সুবিধার বিষয়টির ব্যাপক সমালোচনা শুরু করেছে ভারতের বস্ত্রপণ্য প্রস্তুতকারকদের সংগঠন। অন্তত তিনটি সংগঠন সর্বসম্মতভাবে জানিয়েছে, এর ফলে বস্ত্রপণ্যের সঙ্গে যুক্ত ভারতীয় ব্যবসায়ী ও শ্রমিকেরা বিপদে পড়বে। কারণ, আন্তর্জাতিক বাজারে বস্ত্রশিল্পে বাংলাদেশ ভারতের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিবিসি রেডিওর খবরে বলা হয়, বস্ত্রপণ্য প্রস্তুতকারকদের সংগঠনের পক্ষ থেকে এ চুক্তির বিরোধিতা করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়কে চিঠিও পাঠানো হয়েছে। সংস্থাগুলো চুক্তির বাস্তবায়ন রুখতে কিছুটা লবিং করাও শুরু করেছে।
কিন্তু তাঁদের অনেকে এটাও মানছেন যে আপাতত কিছুই করা সম্ভব নয়।
দিল্লি ও মুম্বাইয়ের বস্ত্রশিল্প প্রস্তুতকারকদের সংগঠন কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান টেক্সটাইলের মহাসচিব ডি কে নায়ার বিবিসিকে জানান, তাদের (বাংলাদেশের) শ্রমিক সস্তা, বিদ্যুত্ সস্তা, ফলে উত্পাদন খরচও কম। এ কারণে বিশ্বে বাংলাদেশ বছরে রপ্তানি করে এক হাজার ৮০০ কোটি ডলারের বস্ত্রপণ্য। আর ভারত রপ্তানি করে মাত্র এক হাজার ৩০০ কোটি ডলারের পণ্য।
এ রকম অবস্থায় ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারকে পুরোপুরি খুলে দেওয়ায় বিরাট সমস্যা হবে বলে মন্তব্য করেন নায়ার। তিনি আরও জানান, ৪৬টি পণ্য ভারতে আসার অনুমতি দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে ৪৫টি পোশাক ও পোশাক তৈরি পণ্য। এ ধরনের পণ্য বাজারে এলে অনেক প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসা গুটিয়ে ফেলতে হবে। মালিকদের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন শ্রমিকেরাও।
কলকাতার ভারত চেম্বার অব কমার্সের সচিব কেকা শর্মা জানান, এর ফলে সংগঠিত ক্ষেত্রের পাশাপাশি অসংগঠিত ক্ষেত্রেও সমস্যা সৃষ্টি হবে। কলকাতায় রেডিমেট ও হোসিয়ারি পণ্যের বড় বাজার রয়েছে। এ বাজারের পণ্য অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকেরাও তৈরি করে। স্বনির্ভর প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত পশ্চিমবঙ্গের হাজার হাজার মানুষের কর্মহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত একটি চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের ৪৬টি পণ্য শুল্কমুক্তভাবে ভারতে প্রবেশের সুযোগ পাবে।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×