somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

১০.০১.২০১১

১০ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১০.০১.২০১১
সেইতো ৬ তারিখ গেল। ৭,৮,৯ তারিখ গুলোও একদম সারা শব্দ ছাড়াই গেল। ১০ তারিখ কি এক প্রসংগক্রমে যখন বললি, সেও তোরে খুব ভালোবাসে, তবে আমার মতো না।

আমি চুপ করে থাকি। ৬ তারিখের পর আমি চুপচাপই থাকতাম। বুঝলাম, শরীরের ভালোবাসা আর বছর বছর জমানো মুখের, বুকের ভালোবাসার মধ্যে কত তফাৎ! তারপর এই শরীর নিয়ে ব্লগে আমি অনেক লেখা পড়লাম। সবারই এক কথা, শরীরই সব। এজন্যই ঐ কবিতায় লিখেছি, ‘‘সুখের সংগায় প্রচলিত সব রেখে যদি শরীরকেই প্রধান করে একখানা অখন্ড সংগা দাড় করাই তাতে কি গোস্যা করবি?’’
আর কবিতা!

ভাবতে লাগলাম, ৩ দিনের শরীরীয় সুখ কত সহজেই থেকে থেকে জমানো ৩ বছরের ভালোবাসার সাথে তুলনীয় হয়ে উঠলো! তখন আর কিছু ভালোলাগে না আসমানী। মানুষের যে কত কষ্ট হতে পারে আমি বুঝতেছি। হারে হারে বুঝি। বিশ্বাস কর আসমাণী, এই কথাগুলো কি পরিমান কষ্ট দিতে পারে আমার মতো যারা স্রোতা তারা ছাড়া কেউ কোনদিন কোনভাবেই বুঝবেনা। আজকে ১০ মাস ৪ দিন। এখনও আমার যখনই এইসব কথা মনে আসে আমার যে কেমন লাগে! ঐ যে নিজেরে গালি দেই, গাধা বলি, ঐসব বলি, এইসবের জন্যই। এত করে চেস্টা করি তোর বিষয়টা ভুলে থাকার জন্য, তারপরও সারাদিনে যদি ৫০ মিনিট কোন কাজ ছাড়া থাকি, ৪০ মিনিট তোরে, তোর কথা, আগের কথা, এইসব আসে। নামাজের মধ্যে বসে সব থেকে বেশি আসে। তখন বুঝি যে, কি নামাজ হচ্ছে আমার!

ইদানিং আমার একার উপর ব্যবসার চাপ পড়ছে। তাই ব্যবসার ভালো মন্দ নিয়েই চিন্তা করতে হয়। অবসরে ব্যবসার চিন্তা করি। সেখানে যখন ভালো ফিউচার না দেখে টেনশন হয় তখন ভাবি, তুই গিয়ে ভালোই করছিস। তোকে কেমন না কেমন রাখতে পারতাম কে জানে! জোরাজুরি করে নিয়ে যদি সেরকম না রাখা যেত নিজেকে খুব দোষী দোষী লাগতো। এত করে এনে কি খাওয়াচ্ছি, কি পরাচ্ছি!!

আমার লেখার একটা বৈশিষ্ট কি জানো? আমি কিছু বিশেষন প্রায়ই ডাবল করি। এই যেমন, থেকে-থেকে, দোষী দোষী এইসব। বদ অভ্যাস এটা। যদি কোনদিন আমার লেখা পড়ার সুযোগ হয় তখন নিচে কমেন্ট করে শুদ্ধ হতে বলিস। অবশ্য তোর কথা যে শুনবো তারওতো গ্যারান্টি নেই। আমাকে কষ্ট ছাড়া থাকতে কত করে ওয়াদা করালি, মাথায় হাত দিয়ে বললি, তারপরও....।

ছেলের ডাক নাম কয় অক্ষরে থাকবে?

০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অনুকুলে নয় শেখ হাসিনা (আপা) প্রতিকুল পরিস্থিতিতেই বেশি অকুতোভয়।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৪




একদিকে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন তিনি দেশে ফিরছেন, আরেকদিকে তিনি প্রায় নিশ্চিন্ন করে দেয়া আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠন করে ফেলেছেন! এবং সেই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের অগণতান্ত্রিক, ভয়ঙ্কর এবং অবৈধ রাজনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×