somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

অতনু কুমার সেন
ভালো মানুষ হিসাবে নিজেকে দাবি করি না কখনোই, চেষ্টা করছি ভালো মানুষ হতে। জানিনা কবে ভালো হতে পারব! আর আমি এমনিতে বেশ ঠাণ্ডা, কিন্তু রেগে গেলে ভয়াবহ! স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি, তার যদিও অধিকাংশই ভেঙ্গে যায়! আশার পিঠে আশা বেঁধে তবুও নির্লজ্

বাঁচাও আমাদের বাঁচাও, পানি দাও,একফোঁটা পানি দাও, পানি পানি

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ৯:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

উলঙ্গ মেয়েদের গরুর মত লাথি মারতে মারতে, পশুর মত পিটাতে পিটাতে উপরে হেডকোয়ার্টারে দতলা,তিন তলা ও চারতলায় উলঙ্গ অবস্থায় দাড় করিয়ে রাখা হতো।
পাঞ্জাবী সেনারা সেনারা চলে যাওয়ার সময় লাথি মেরে আবার ঢুকিয়ে তালা বন্ধ করে রাখতো। বহু যুবতীকে ওপরের তলার বারান্দায় মোটা লোহার তারের উপর চুল বেঁধে ঝুলিয়ে রাখা হতো।
পাঞ্জাবীরা সেখানে নিয়মিত যাতায়াত করতো। কেউ এসে ঝুলন্ত উলঙ্গ যুবতীদের কোমরের মাংস বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে রক্তাক্ত করতো, কেউ তাদের বক্ষের স্তন কেটে নিয়ে যেত;কেউ হাসতে হাসতে তাদের যোনিপথে লাঠি ঢুকিয়ে দিয়ে বিকৃত আনন্দ উপভোগ করতো; কেউ চেয়ারে দাঁড়িয়ে উন্নত বক্ষ নারীদের স্তনে মুখ লাগিয়ে ধারালো দাঁত দিয়ে স্তনের মাংস কেটে নিয়ে আনন্দে অট্টহাসি করতো!!!!!
কোন মেয়ে এসব অত্যাচারে চিৎকার করলে তাদের যোনিপথে রড লাগিয়ে তাদের হত্যা করা হতো।
প্রতিটি মেয়ের হাত পিছনের দিকে বাঁধা থাকতো। মাঝে মাঝে পাকিস্তানি সৈন্যরা এসে উলঙ্গ মেয়েদের বেদম প্রহার করতো।
প্রতিদিনের এমন বিরামহীন অত্যাচারে মেয়েদের মাংস ফেটে রক্ত ঝরছিল, কারও মুখেই সামনের দিকে দাঁত ছিল না; ঠোঁটের দুদিকের মাংস কামড়ে এবং টেনে ছিঁড়ে ফেলা হয়েছিল; লাঠি ও লোহার রডের বেদম পিটুনিতে হাতের তালু ভেঙ্গে থেঁতলে ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল!! এসব অত্যাচারিত ও ঝুলন্ত মেয়েদের প্রস্রাব পায়খানা করার জন্যও হাত ও চুলের বাঁধন খুলে দেওয়া হতো না। এমন ঝুলন্ত আর উলঙ্গ অবস্থাতেই তাদের পায়খানা প্রস্রাব করতে হতো।
আমি প্রতিদিন সেখানে গিয়ে এসব পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করতাম............"/- সুইপার রাবেয়া,৭১ এর অভিজ্ঞতা বর্ণনায়!!!!
" মেয়েদের কারও লাশের স্তন পাইনি,যোনিপথ ক্ষত বিক্ষত এবং পিছনের মাংস কাটা দেখেছি। মেয়েদের লাশ দেখে মনে হয়েছে - তাদের হত্যা করবার পূর্বে স্তন জোরপূর্বক টেনে ছিঁড়ে নেওয়া হয়েছে........."/
ঢাকা পৌরসভার ছন্নু ডোম , ২৯ মার্চের অভিজ্ঞতা বর্ণনার অংশবিশেষ !!
পাঞ্জাবী, বিহারী ও পশ্চিম পাকিস্তানী পুলিশ জিভ চাটতে চাটতে ট্রাকের সামনে এসে মেয়েদের টেনে হিঁচড়ে জোর করে নামিয়ে নিয়ে তৎক্ষণাৎ কাপড় চোপড় খুলে নিয়ে উলঙ্গ আমাদের চোখের সামনেই ফেলে কুকুরের মতো ধর্ষণ করতো............!!! সারাদিন নির্বিচারে ধর্ষণ করার পর বিকেলে পুলিশ হেডকোয়ার্টারের এনে উলঙ্গ করে লম্বা লোহার রডের সাথে চুল বেঁধে রাখা হতো। গভীর রাতে মেয়েদের ভয়াল চিৎকারে ঘুম ভেঙ্গে যেত।
ভয়ংকর, আতঙ্কিত আর্তনাদ ভেসে আসতো-
'বাঁচাও আমাদের বাঁচাও, পানি দাও,একফোঁটা পানি দাও, পানি পানি...............।!!!!!!!!" /
-রাজারবাগ পুলিশ লাইনের আর্মস এএসাই, বিআরপি সুবেদার খলিলুর রহমান!!!!
(উৎস বইঃঃ১) মুক্তিযুদ্ধের দলিলপত্র
২) বীরাঙ্গনা ১৯৭১- মুনতাসির মামুন্‌.........।।

সংগ্রহিত ---
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেশভাগের পর-

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০৮



সময় তখন ১৯৫০ সাল।
ওমর আলীর জ্বর এসেছে। জ্বর নিয়েই তিনি পত্রিকা পড়ছেন। দীর্ঘদিনের অভ্যাস। টারজান গিয়েছে বাজার করতে। এর আগেও টারজান বেশ কয়েকবার বাজার করেছে। বাজার করতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হায়ার সেলফ্‌

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৪১


শীতের সময়ে রাত ১০ টা অনেক রাত। আর তা যদি হয় শহর থেকে দূরে শহরতলীতে,আবাসিক এলাকার আশপাশে,তাহলে তো কথাই নেই। রাত আটটা বাজতে না বাজতেই পাড়ার সকলে সেখানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এফএম রেডিও

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:২০

২০০৯ সাল। একটি ছেলে। সে তার নানা নানীর সাথে মুন্সীগঞ্জ এ থাকতো। নানা তার নাতিকে একটি মোবাইল উপহার দেয়। নকিয়া ১৬৬১। সেই মোবাইলে এফএম রেডিও ছিলো। সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শাহজালাল রুমি দেশ ছেড়েছেন কার ভয়ে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৮


থাপ্পড়-কাণ্ডের পর দেশ ছেড়েছেন শাহজালাল রুমি। টঙ্গীতে নিজের মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ করাই যেন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে তাঁর জন্য। গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি, ব্যক্তিগত বার্তায় ভয়ভীতি প্রদর্শন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগের ওসমান হাদী সৈয়দ মশিউর রহমানের ব্যান

লিখেছেন এল গ্যাস্ত্রিকো ডি প্রবলেমো, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫০

এ আমি কী দেখলাম! ব্লগের প্রতিবাদী মুখ, ভারতের যম, ওসমান হাদীর মুখপাত্র, একাত্তরকা গণ্ডগোলের ব্যাপারে সচেতন মুখ সৈয়দ মশিউর রহমানের ব্লগটি স্থগিত অথবা বাতিল করা হয়েছে। দেশে যখন সামান্য চুমু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×