আমরা যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই, আমাদের সবার মুখে একটি মাত্রই কথা যে "যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করো" । কিন্ত সেই বিচার কেমন হবে, বিচারের শাস্তি ই বা কেমন হবে এ সম্পরকে কি আমরা কখনো কি ভেবে দেখেছি? ধরা যাক কোন ভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হলো (যদিও আমি মনে করি সে সম্ভাবনা একেবারেই নাই!), সাঁজাও হলো। কারো হয়তো ক'বছরের কারাদন্ড হলো, কারো হয়তো মৃত্যুদন্ড (মৃত্যুদন্ড হাবার সম্ভসবনা ক্ষীন, ৩৭বছর পর কি আর সেই ভাবে সবকিছু প্রমাণ করা সম্ভব?)। তাতে কি লাভ হবে? কারাদন্ড ভোগ করার পর ওরা আবার ফিরে আসবে। সবাই তো আর কারাগারে মারা যাবেনা! তখন আমাদের আর বলার কিছু কি থাকবে? ওরা তখন বুক চিতিয়ে আমাদের সামনে ঘুরে বেড়াবে আর আমরা হা করে চেয়ে থাকবো। ওরা তখন তরুন প্রজন্মকে আল্লাহ্র আইন শেখাবার নামে মৌলবাদ শেখাবে। দেশে তখন আর কোন অপরাজেয় বাংলা থাকবেনা, থাকবেনা কোন রাজু ভাস্কর্য। তাহলে উপায়? আমরা তাহলে যুদ্ধাপরাধীদের কেমন বিচার চাই? আমরা কি তাহলে দাবি করবো "যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি চাই"? স্বাধীনতার ৩৭বছর পর সে দাবি কতটাই বা গ্রহনযোগ্য?
আমি এ নিয়ে অনেক ভেবেছি কিন্ত কোন সমাধান পাইনি।
সবচেয়ে প্রথমে আমাদের যুদ্ধাপরাধীদের বর্জন করতে হবে। তাদের নির্বাচনে অংশ নেয়া বন্ধ করতে হবে। সমাজে তাদেরকে একঘরে করে রাখতে হবে। আপাতত এ ছাড়া আমি আর কোন পথ দেখছিনা। আজ থেকে ৩৭ বছর আগে যারা স্বাধীন বাংলাদেশকে চায়নি, দেশের মানুষের সাথে বেঈমানি করেছে তাদেরকে আবার যদি আমরা সংসদে বসার সুযোগ করে দিই, তাহলে ৩০ লক্ষ শহীদের প্রতি আমাদের সম্মান কতটুক প্রদর্শন করা হলো??

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


