দস্যি মেয়ে, এতো কেনো তেজ তোমার, হুম?
কী এমন বড়োটা হয়েছো! দেখলে মনে হয়-
মাটিতে পা পড়েনা
চোখে ঘৃনা ধরেনা ।
ঠোঁটে তাচ্ছিল্য
হাতে তুচ্ছ
চলনে-বলনে আকারে-ইঙ্গিতে
শারীরিক নানা কসরতে বুঝাতে চাও তুমি ক্লিওপেট্রা !
আমি বা আমার মতো সাধারন পুরুষের ঘাম ঝরা রক্তে,তোমার-
চুল ভেজেনা
চুল ভেজেতো মুখ ভেজেনা
মুখ ভেজেতো বুক ভেজেনা !
দস্যি মেয়ে, এই কি তোমার রূপের ছিরি, হুম?
ওই শরীরের ভাঁজে ভাঁজে নগ্ন নেশা
কৃষ্ণচূঁড়া শিমুল পলাশ আগুন আগুন-
বান ডেকেছে ।
উঁচু দু-বুক
নগ্ন দু-কাঁধ
তাল তাল মাংসল খুব ঢেউ খেলানো নিতম্ব দল,
চোখ সঙ্গমেই সাত পুরুষে-
তৃপ্তি খোঁজে !
ক্ষুধা বাড়ে
লালা ঝরে
ঈমান পর্দা ভিজিয়ে দেয় দু-এক ফোঁটা পবিত্র জল ।
দস্যি মেয়ে, এতো কেনো রূপের বড়াই, হুম?
এখন জোয়ার প্রেম সাগরে
দাওনা ছুঁতে
আদর করে
গা ডুবিয়ে
নাইতে দিনে, রাত-বিরাতে !
দিন ফুরোলে মাটির গড়া টানটান ওই চামড়া বাঁধন
ঢিলে হবে
ঝুলে যাবে
পোড়া মাংসের স্তুুপ হবে ঔ নিতম্ব তল ।
সাত পুরুষের দৃষ্টি ছেড়ে-
প্রেম পালাবে
কাম পালাবে
মাংসলোভী শিয়াল কুকুর হায়েনার দল-
নাক আগাবে
গন্ধ নিবে
মুখ ফিরায়ে বলবে চল !
দস্যি মেয়ে, অষ্টাদশীর চাঁদ উঠেছে ভরাযৌবন
ছলছলিয়ে চাঁদের আলোর ঢল নেমেছে শরীরজুড়ে
কামুক নিশির এমন ক্ষণে-
নগ্ন পায়ে
নগ্ন গায়ে
দস্যি মেয়ে এই তো সময়, শারীরিক প্রেমে জলকে চল !!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



