
হ্যা একটা কথা অস্বিকারের কোন অবকাশ নেই যেটা সেটা হল সময়ের হাত ধরে বাংলাদেশে বেড়েছে প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া।
বর্তমান সময় শুধু আমাদের দেশেই নয় বরং সারা বিশ্বেই বিশাল আকার আয়তনের একটি স্থান দখল করে নিয়েছে প্রিন্ট এবং ইলেকট্রিক মিডিয়া ।তবে অতি দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে এতে যেমন উন্নয়ন হয়েছে তেমন দেশ জাতির হয়েছে অপ উন্নয়ন ।
বিশেষ করে আমাদের দেশের মিডিয়াগুলোর কথাই একটু ভাবলেই বোঝা যায় আমাদের দেশে যেসব মিডিয়া আছে সেসব মিডিয়া হাউসের নিয়োগ প্রক্রিয়া এখন অনেকটা সিন্ডিকেট নির্ভর হয়ে পড়েছে। নতুন পুরানো যে কোনো হাউসে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে সিন্ডিকেটের লোকজনই প্রাধান্য পাচ্ছে বেশি। সিন্ডিকেটের সাংবাদিক হলেই একজন আরেকজনকে কাছে টানছে। আর কেউ এর বিপক্ষে হলে বা কিছু বললে শুধু চাকুরি না চাকুরির সাথে জীবনও অনিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে । যারা সিন্ডিকেটে যোগ দিচ্ছে তাদের একদিকে ধান্ধাও ভালো হচ্ছে অন্যদিকে চাকুরিও হারাতে হচ্ছে না । আর যদিও কোন কারনে চাকুরি যায় সে ক্ষেত্রে আবার তাদের সিন্ডিকেটর সদস্যরাই তাদেরকে নতুন নতুন চাকুরির ব্যবস্থা করে দিচ্ছে । এই হচ্ছে বর্তমান বাংলাদেশের সাংবাদিকতা এবং কথিত গণমাধ্যমের চিত্র শোস্যাল নেটওয়ার্কিং মিডিয়া ।
এক কথায় বলা চলে রক্ষক হলেন বক্ষক কয়েক দিনের কিছু মহল্লা বিত্তিক ক্রাইম রিপোটাদের নিয়োগ অবস্থান যা দেখেছি তাতে বলতে হয় এখনকর দিনের ক্রাইম রিপোর্টারদের বাহির থেকে কোন রিপোট সংগ্রহের প্রয়োজন হয় না, থাদের নিজেস্ব যে ক্রাইম তা দিয়েই ইচ্ছে করলে বহু রিপোট তারা বানাতে পারবেন ।
যেমন মহল্লায় ভাড়াতে কোন পরিচিত অরাধীকে দিয়ে একটি ককটেল ফুটিয়েও একটি ক্রাইম রিপোট তৈরি করা যায় ।এরকম ইচ্ছে করলে
রিপোটার নিজের বাড়ির জানালার গ্লাস ভেঙ্গেও শত্রু পক্ষের নামে ক্রাইম রিপোট করতে পারেন ।
তবে এর ব্যতিক্রম হয়েও চাকুরি হারানো ছাড়া কোন লাভ নাই সূতারং জ্বি হুজুর জ্বি হুজুর বলে উপরক্ত লোকদর পা চাটা ছাড়া কোন রাস্তা
নাই আমাদের দেশের অনেক নন অভিজ্ঞ শুধু দলীয় ভিত্তি পর্যায়ে চাকুরি পাওয়া ক্রাইম রিপোটাদের ।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




