এই দেখে যা ছন্দে বুনি শশী ফেলে সবিতা,
হলেই হল লিখে দে ভাই একটা দুটো কবিতা!
কাম চুকচুক গহীন রাতে
আঙুলের বুক কল্পনাতে
আলতো ধরে গোপন প্রিয়ার ছবিটা।
স্নায়ুর ধ্বনি বীণা ধরে চোখের মণি ধর্ষণ করে,
গোলাপি ঐ ঠোঁটটা ধরে বক্ষ রাখে শব্দ ঘরে!
কলম ফেলে কামের ঝড়ে
কবিতার নাম গর্ভে ধরে।
প্রসব করে কবি নামের দাবীটা!
ভেবে ভেবে আলতো ধরে শুকে চুলের গন্ধ;
তিন মোহনায় দৃষ্টি কোনায় নাচে নাসারন্ধ!
কালের কবি আঁকে ছবি
খুঁজে প্রিয়ার নাভিটা।
আতা গাছে তোতা পাখী যোগীন্দ্রনাথ বলে,
শঙ্খ ঘোষের হাতেমতাই দেখেছে কোন কালে!
চারি দিকে ফালে ফালে
যুগের কবি ভেংচি গালে
ভুলে আওড়ায় কবিতা।
হোক না যত কুৎসিত কিউই ফলের গায়ের পোশাক
যে খেয়েছে সেই পেয়েছে ভেতরের রসটা অবাক
জংলা বনের মাকাল দেখে
পাখী ডাকে আয়রে কে কে
ঠোকর মেরে উগরিয়ে দেয় বিষে আঁটা বীচিটা।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মার্চ, ২০১৭ রাত ১২:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


