somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শুন্য প্রান্তর ২ (ধারাবাহিক ওয়েস্টার্ন গল্প)

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ৩:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শুন্য প্রান্তর ২ (ধারাবাহিক ওয়েস্টার্ন গল্প)

কিন্তু জনি মারা গেছে । তার হাসি আর ঠাট্টা এখন কেবলই অতীত । অনেক রাউন্ডআপে, অনেক কঠিন কর্মক্লান্ত দিনের শেষে জনির হাসি-কৌতুক পরিস্থিতিকে উজ্জীবিত করেছে । অবশ্য কোন সাধুপুরুষ ছিলনা জনি । পিস্তলে হাত ছিল তার ভালোই এবং অনেক হাঙ্গামায় জড়িয়েছে সে তার জীবনে ।

'ঘোড়াটাকে হাঁটিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সে ।' বলে উঠল কেসনি । '

'ভারী মানুষ,' একমত হল হার্ডিন । 'আমাদের লম্বা দৌড় দৌড়াতে চায় ও ।'

'ঘোড়াটার পায়ে চোট লাগেনি তো ?' জানতে চাইল কেসনি ।

'না, খোঁড়ানোর কোন আলামত দেখা যাচ্ছেনা । লক মানুষটা আসলে বুদ্ধিমান ।'

প্রায় হাঁটু সমান ধুলোর মাঠ থেকে বেরিয়ে শক্ত পাথুরে প্রান্তরে এসে পড়েছে ওরা । হঠাৎ ঘোড়ার রাশ টেনে থামিয়ে আঙ্গুল তুলে দেখাল হার্ডিন ।

'দেখো ওখানটায়,' শক্ত মাটিতে ছলকে পড়া কয়েকফোঁটা তরলের দিকে তার আঙ্গুল । 'পানি ছলকে পড়েছে ।'

'অসাবধানী,' বলল নীল । 'পানির খুব দরকার হবে ওর ।'

'না,' জানাল কেসনি । 'একডলার বাজি ধরে পারি, একটা কাপড়ে পানি ঢেলে ঘোড়ার নাকে জমা ধুলো সাফ করে দিয়েছে ও, ।'

'ঠিককথা,' একমত হল হার্ডিন । 'সেটাই করেছে ও, এরকম করলে ঘোড়া অনেক ভালভাবে নিশ্বাস নিতে পারে । দৌড়ের ওপর আছে এমন লোক, একটা ভাল ঘোড়াকে খাটিয়ে মেরে ফেলতে পারে ।'

প্রায় ঘন্টাদেড়েক চুপচাপ ঘোড়া হাঁকাল ওরা । সুর্জের দিকে তাকিয়ে চোখ কোঁচকাল নীল, এতোক্ষন ওটা ওর বাঁয়ে ছিল, এখন সোজা সামনে ।

'কী করছে ও' অবাক গলায় বলল কেসনি । 'এটা ওর বাড়ি ফেরার রাস্তা নয় !' ট্রেইল আবার বাঁক নিল, সুর্য পেছনে পড়ল ওদের । হার্ডিন নেতৃত্ব দিচ্ছিল আগে থেকে, ঘোড়ার রাশ টেনে গাল বকল ও ।

বাকিরা ওর পাশে ছড়িয়ে পড়ল অন্যরা । সামনের একটা খাদ মরুভুমির বুক চিরে চলে গেছে ওদের সামনে । ঠিক নীচেই একটা জায়গায় যেখানে একটা ঘোড়া দাঁড়িয়ে ছিল অনেকক্ষন । খাদের পাড়েই একটা একটা শাদা কিছু গ্রিজউড ঝোপে পতপত করে উড়ছে ।

জিন থেকে নামল কেসনি । খাদটা পেরিয়ে শাদা কাগজটা তুলল সে ঝোপ থেকে । মুখ খারাপ করতে শুনল তাকে অন্যরা । ফিরে এসে হার্ডিনের হাতে তুলে দিল সে কাগজটা, ভীড় করল অন্যরা ওদের পাশে ।

হার্ডিনের পড়া হলে ওর হাত থেকে কাগজটা নিল নীল । কোন একটা বইয়ের পাতা থেকে ছিঁড়ে নেয়া হয়েছে কাগজটা, গোটা গোটা হরফে লেখা তাতে;

'বন্দুকযুদ্ধটা খুব নায্যভাবেই হয়েছিল, আর আমাকে ধরার জন্য ছয়জন যথেষ্ট নয় । ফিরে গিয়ে আরও লোক নিয়ে এসো । ধুসর কাপড় পরা লোকটাকে বলছি জিনের পেটি আরও কষে বাঁধতে । নইলে ঘোড়ার পিঠে ব্যাথা হবে ।'

'কী আস্পর্দা..' নীচু গলায় বলল শর্ট । 'আমাদের ঠিক পঞ্চাশ গজের মধ্যে ছিল লোকটা, যখন আমরা বাঁক নিলাম । জিনের খাপে রাইফেল ছিল নিশ্চয়ই । আমাদের একজনকে অনায়াসে ফেলে দিতে পারত ও ।'

'সত্যি বলতে কী আমাদের দুজনকে ফেলতে পারত ।' কিমেলের মন্তব্য । ওরা সবাই একবার কাগজটার দিকে চেয়ে নীচের খাদটার দিকে চাইল । বালির মধ্যে একটা পায়ে চলা পথ দেখা যাচ্ছে, গরু-বাছুর চলাচলের আলামতও পাওয়া যাচ্ছে । তবে ওখানে চলার গতি ধীর হয়ে যাবে ।

লাল হয়ে ওঠা মুখে জিনের পেটি শক্ত করে বাঁধল নীল, অন্যরা চোখ ফিরিয়ে রাখল । একজনের অপমান, সকলের অপমান । লোকটা বিড়াল-ইঁদুর খেলছে ওদের সাথে, ব্যাপারটা ওদের মোটেই পছন্দ হচ্ছেনা ।

'অন্যায় হয়নি !' বিস্ফোরিত হল সাটার । 'পিঠে গুলি করে মেরেছে ও জনিকে !'

ট্রেইল নেমে গেছে খাদের মধ্যে, চলার গতিও ধীর হয়ে গেছে তাই । ওপরের মরুভুমিতে তাও দুচার ঝাপটা হাওয়া লাগছিলো গায়ে, খাদের মধ্যে একেবারে তন্দুরের গরম । মনে হয়ে ভারী বাতাস ঠেলে চলেছে ওরা । ঘাম স্রোতের মত গড়িয়ে পড়ছে ওদের মুখ আর দাড়ি বেয়ে ।

খাদ থেকে বেরিয়ে খোলা বালিময় মাঠে পড়ল ওরা আবার, ট্র্যাকগুলো অনেক পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে এখন । মনে হচ্ছে ইচ্ছা করেই ট্রেইলটা সবচয়ে খারাপ জায়গা দিয়ে চলছে এখন । কারন সামনে একটা ক্ষারের আস্তর পড়া হ্রদ । হ্রদের পানির পানির কিনারে এসে ট্রেইলটা হারিয়ে গেছে । ঘোড়া সমেত হ্রদের পানিতে নেমে গেছে লক । অবিশ্বাসের চোখে হ্রদের কিনারে রাশ টেনে দাঁড়াল ওরা ।

'এটা পার হতে পারবেনা ও,' রায় দিল হার্ডিন । 'মাঝখানে গভীর, সাঙ্ঘাতিক বিপজ্জনকও হ্রদটা । একটা ঘোড়া অনায়াসে হ্রদের পাঁকে আটকা পড়তে পারে ।'

পাড় ধরে সাবধানে লেকটা পাশ কাটাল ওরা । তিনজন একদিকে গেল, বাকি তিনজন আরেকদিকে । হঠাৎ ঘাড় ফিরিয়ে কেসনিকে হাত তুলতে দেখল নীল । ' পেয়েছে ওরা একটা কিছু, চল পেছনে ফিরে যাই ।' ফিরতে ফিরতে ভাবল নীল, দেরী হয়ে গেল খানিকটা ।

'সোজা ওর র‌্যাঞ্চ বরাবর চলিনা কেন আমরা ?' শর্টের পরামর্শ ।

'তা আমরা যেতে পারি,' বলল হার্ডিন । 'কিন্তু ও আমাদের ধাপ্পা দিয়ে ওটার ধারে কাছে নাও যেতে পারে । তাহলে ওকে হারাব আমরা ।'

সহজ হয়ে এল ট্রেইলটা । এখন সোজা পর্বতমুখো হয়ে চলছে লক ।

'যাচ্ছে কোথায় ও?' বিরক্ত গলায় বলল কেসনি । 'কিচ্ছু বোঝা যাচ্ছেনা ।'

কোন উত্তর দিলনা অন্যরা । সবাই এখন একজনের পেছনে আরেকজন, একসারিতে চলেছে । হঠাৎ সামনে থাকা কিমেল দাঁড়িয়ে পড়ে হাত দিয়ে দেখাল একটা কিছু । পানির একটা ছোট্ট সরু ধারা পড়ছে পাথরের দেয়াল বেয়ে, ছোট ছোট পাথর ফেলে একটা বেসিন মতো বানানো হয়েছে পানি ধরে রাখার জন্য ।

'হাহ!' ওদিকে তাকিয়ে বলল হার্ডিন । ' এ ঝর্ণাটার কথা জানতান না আমি । পানি খেয়ে নেয়া যাক ।' বলে জিন থেকে মাটিতে নামলো সে । সবাই নামল ঘোড়া থেকে, একটা সিগারেট পাকাল নীল ।

'কেউ একজন বানিয়েছে, এই পানি ধরে রাখার বেসিনটা,' মন্তব্য করল নীল । 'পাথরগুলো মোটেই পুরনো নয় ।'

শর্ট চোখ বোলাল ওদের ওপর । 'লোকটা একটা ধুর্ত শেয়াল । ঝানু, পাকা ওস্তাদ । একজন মানুষ আর তার ঘোড়া পানি খেতে খুব বেশি সময় লাগার কথা নয় । ছয়জন মানুষ আর ছয়টা ঘোড়া ! আমাদের দেরি করিয়ে দেয়ার জন্যই ও এটা করেছে ।'

'তোমার কী ধারনা ও এটা প্ল্যান করেই করেছে ?' জানতে চাইল সন্দিগ্ধ নীল ।

ঘাড় ফিরিয়ে নীলের দিকে চাইল হার্ডিন । 'শিওর, লক এটা ভেবে চিন্তেই করেছে ।'

আবার ঘোড়ায় চেপে চললো ওরা । নীল ভাবছে ব্যাপারটা, লক লোকটা আসলেই ধুরন্ধর । মরুভুমির রাস্তা ঘাট সে চেনে হাতের তালুর মতো । এই ঝর্ণাটার কথা হার্ডিন পর্যন্ত জানতোনা, আর ও এখানে বিশবছর হয় স্প্রিংভ্যালিতে আছে । লক ওদেরকে টেনে নিয়ে চলেছে, পথহীন দুর্গম পর্বতমালার পথ ধরে । সোরেনসন প্লেস অবশ্য বেশি দুরে নয় ।

ক্ষয়ে যাওয়া পাহাড়ের পাদদেশ ধরে, ওরা একটা ঘোড়া চলতে পারে, এমন একটা রাস্তা ধরে চলছে । পথের ধারে জোশুয়া আর স্প্যানিশ বেওনেটের সারি । ভাঙ্গাচোরা পথ, শুকনো কালো লাভার স্রোত নেমে এসেছে পর্বত থেকে মরুভুমি পর্যন্ত । ট্রেইলটা ওপরে উঠতে শুরু করল, গালে মৃদুমন্দ বাতাসের ছোঁয়া পেল ওরা । ভুরুর ওপরের ধুলো মুছতে গেল নীল, চলটা হয়ে ঝরে পড়ল সেটা ।

বাঁক নিল ট্রেইলটা । লালচে পোড়া বেলে পাথরের ওপর দিয়ে চলছে ওরা এখন, তারপরে লাভার ওপর, পাহাড়ের পাশ দিয়ে চলছে, পাহাড়ের সবগুলো স্তর একটা কেকের মত দেখা যাচ্ছে । এবার ট্রেইলটা নেমে এল নীচে, প্রকান্ড প্রকান্ড সব বোল্ডার ছড়ানো আশপাশে । জিনের ওপর নেতিয়ে পড়েছে নীল । অনেকক্ষন ধরে চলছে ওরা, ট্রেইল শেষ হবার কোন আলামতই দেখা যাচ্ছেনা ।

'ভাগ্য ভালো আমাদের লক্ষ্য করে গুলি করছেনা ও,' কয়েকঘন্টা পর এই প্রথম মন্তব্য করল কিমেল ।'আমাদের একেবারে মাছি মারার মতো করে খতম করে দিতে পারে ও ।'

যেন একথাটা শুনেই, একটা ক্রুদ্ধ গুঞ্জন উঠল বাতাসে, কয়েক মুহুর্ত পর শোনা গেল রাইফেলের গর্জন । যে যেদিকে পারে ছিটকে সরে গেল ওরা, একই সাথে জিনের খাপ থেকে দ্রুতহাতে বের করছে রাইফেল । শর্ট তার ঘোড়া থেকে নেমেই কাভারের জন্য ছুটেছিল । খোলা জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিল ওর ঘোড়াটা, জিনের পাশে বাঁধা পানির ক্যান্টিন । হঠাৎ বুলেটের বাড়ি খাওয়ার ঠকাস শব্দে চমকে লাফ দিল ঘোড়াটা । কয়েকমুহুর্ত পরেই করাৎ করে রাইফেলের আওয়াজ পেল ওরা ।

হিংস্রভাবে গাল দিল শর্ট । 'শালা যদি আমার ঘোড়াকে খুন করে, তবে ...।' কিন্তু ঘোড়াটা মনে হল অক্ষতই আছে, যদিও নার্ভাস ।

'ও তোমার পানির ক্যান্টিন ছ্যাঁদা করে দিয়েছে!' চেঁচাল কেসনি ।

সত্যি, ঘোড়াটার পাশদিয়ে পানি চুঁইয়ে পড়ছে মাটিতে । উঠতে যাচ্ছিল শর্ট, কিন্তু বাহু ধরে আটকাল ওকে সাটার ।

'সামলে ভায়া!' ও যদি তোমার ক্যান্টিনে গুলি লাগাতে পারে তো তোমার গায়েও গুলি বেঁধাতে পারবে ও ।'

ওরা অপেক্ষা করে রইল । চুঁইয়ে পড়া পানির স্রোত একসময় বন্ধ হল । সবাই ক্রুদ্ধ চোখে চেয়ে আছে পাথরের দুর্গম দেয়ালের দিকে । ভাগ্য ভালো ঝর্নায় গিয়ে সবগুলো ক্যান্টিন ভরে নিয়েছিল ওরা, চলে যাবে ওদের । কিন্তু ব্যাপারটা ভাবিয়ে তুলছে ওদের । ওদের শিকার চ্যাট লক, যাকে খুনের দায়ে ধাওয়া করছে ওরা, ওদেরকে নিয়ে খেলাচ্ছে । ওদেরকে এমন এক জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে সে যেখানকার রাস্তাঘাট শুধু সেই চেনে । একটা ক্যান্টিন গুলি করে ফুটো করে বুঝিয়ে দিল সে । নিঃশব্দে বালি আর পাথরের ওপরে শুয়ে অপেক্ষা করছে ওরা ।

কেউ প্রথমে আগে বাড়তে চায়না । চ্যাট লক যে রাইফেলটা খুবই ভালো চালায় সেটা সে বুঝিয়ে দিয়েছে । অবশেষে হ্যাটটা রাইফেলের নলের ডগায় রেখে সেটা পাথরের ওপর উঁচু করল, কিছু ঘটলনা । এবার পাথরের পাশ দিয়ে বের করল সে হ্যাটটা ।

আবারও কিছু ঘটল না দেখে হ্যাটটা ফেরত আনছিল, এমন সময় হ্যাটটার অল্প দূরে এসে একটা গুলি এসে লাগল । জানিয়ে দিল লক, সে এখনও ওখানে আছে; এবং এত সস্তা চালাকিতে ধোঁকা খাবেনা ও ।

অপেক্ষা করতে লাগল ওরা । হঠাৎ হার্ডিন উঠে হামা গুঁড়ি দিয়ে পাশে সরে যেতে লাগল । অন্যরা তাকিয়ে দেখতে লাগল ওকে । ভাল কাভার আছে হার্ডিনের, গুঁড়ি মেরে অজ্ঞাত পরিচয় মার্কসম্যান যেখানে পজিশন নিয়েছে সেখানে চলে যেতে পারে সে । শেষমেষ ওদের দৃষ্টির আড়ালে চলে গেল সে । ক্যান্টিনের পানি চুমুক দিতে দিতে ঢুলতে লাগল লাগল নীল ।

চিৎকার শুনে সম্বিত ফিরল ওদের । মুখ তুলে চেয়ে দেখল একটা পাথরের ওপর দাঁড়িয়ে ওদের দিকে হাত নাড়ছে হার্ডিন । হার্ডিনের ঘোড়াটাকে দড়িতে বেঁধে জিনে চাপল অন্যরা, ট্রেইলের ধারে হার্ডিনের সাথে দেখা হল ওদের, চোখ গরম করে ট্রেইলের দিকে তাকিয়ে আছে সে ।

'চলে গেছে!' শক্ত হাতের তালু বাড়িয়ে দেখাল হার্ডিন । হাতের তালুতে তিনটে গুলির খোসা । 'খাড়া করে রেখেছিল সে এগুলোকে একটা ট্রেইলের ধারে একটা পাথরের ওপর, ওখানে দেখ ।' আঙ্গুল তুলে দেখাল সে । মাটিতে পাথর ফেলে ফেলে তীরচিহ্ন তৈরি করা হয়েছে । এবং পাশেই বেলে পাথরের ওপর আঁচড় কেটে লেখা, 'এই চিহ্ন ধরে যাও ।'

মাথার হ্যাটটা তুলে রাগে মাটিতে আছড়ে ফেলল কেসনি ।

'শালার বাঞ্চোত...!' বলে থেমে গেল সে । যে লোকটাকে ওরা ধাওয়া করছে, সে ওদের পাত্তাই দিচ্ছেনা । বোকা বানাচ্ছে সে ওদের, এমনভাবে আচরণ করছে যেন ওরা সব আনকোরা, আনাড়ি নবিশ ।

'পিঠে গুলি করা হারামী লোকটা !' ঘোষনা করল শর্ট । 'খুব খুশী হয়েই ওর গলায় দড়ি পরাব আমি । ওরা ধারনা ও খুব চালাক !
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৯
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার একশততম পোস্ট!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২২ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:১৮



আমার একশততম পোস্ট!

আজ আমার লেখকজীবনের এক ছোট্ট কিন্তু হৃদয়ের গভীরে দাগ কাটা দিন- সামহোয়্যারইন ব্লগ এ আমার একশততম পোস্ট। সংখ্যার হিসেবে হয়তো ১০০ খুব বড় কিছু নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

খরচ

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ২২ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:২৯


কোন কোন রাত্রি শেষের বেগুনী আলোয়
বাতাস যখন রতিতৃপ্ত দৃষ্টির মত কোমল-
উন্মোচনের আগ্রহে উদগ্রীব আলো
কী এক দ্বিধায় থমকে আছে পুবের দরজায়,
হঠাৎ যেন কেউ মাছের মত
ছেকে তোলে জালে।
লাগায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংসদের বায়না : ৩০ সেট গয়না

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২২ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:১৪

একসময় এই প্রবাদটি খুব প্রচলিত ছিল, এমনকি পণ্ডিত মহলেও এটি নিয়ে ঠাট্টা-মশকরা করা হতো।
সময় বদলে গেছে; যমুনা নদী দিয়ে বহু জল বয়ে গিয়ে সাগরে মিশেছে।



বাস্তবতার নিরিখে আমাদের সমাজে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফুল ট্যাঙ্ক স্বপ্ন

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২২ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৬



শহরের সকালগুলো এখন আর আগের মতো নয়। সূর্য ওঠার আগেই পেট্রোল পাম্পের সামনে লম্বা লাইন পড়ে যায়। সেই লাইনের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকে রিদম—একটি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, আর জীবনের বাস্তবতায় আটকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশি দৃষ্টিতে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন ও ভারতের হিন্দুরাষ্ট্র হয়ে ওঠার প্রচেষ্টা

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২৩ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:০৬


কাল থেকে দুই ধাপে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন শুরু হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি ভারতের কেন্দ্রীয় শাসনক্ষমতা ও মতাদর্শ দ্বারা যেমন প্রভাবিত, তেমনি এর প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশেও প্রতিফলিত হয়। ভারতে যখন হিন্দুত্ববাদী জাতীয়তাবাদী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×