somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মার্ক টোয়েন (পর্ব ৪১)

২৫ শে এপ্রিল, ২০০৭ সকাল ৮:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সে বছরই মার্ক টোয়েনের মেজো মেয়ে ক্লারা ক্লিমেন্স, রুশ পিয়ানোবাদক ওসিপ গাভ্রিলোভিচকে বিয়ে করে ইউরোপে পাড়ি জমান ।

সুতরাং বাবাকে দেখার সমস্ত ভার এসে পড়ল জিন ক্লিমেন্সের উপর । জিন পুরো সুস্থ ছিলেন না, ক্যাটালেপ্সির (মৃগী রোগ) ধরন ছিল তাঁর । মি. পেইনের অবর্তমানে বাবার সচিবের দায়িত্ব পালন করতেন তিনি । বাইরে থেকে তাঁর অসুখটা খুব সিরিয়াস মনে হতো না ।

১৯০৯ সালের নভেম্বর মাসে বারমুডা যাবার শখ হলো টোয়েনের । সেসময়ে ঠান্ডা আর টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ে নিউ ইংল্যান্ডে । সেখান থেকে ফিরে নতুন দুঃসংবাদ শুনতে হলো টোয়েনকে ।

আসলে ক্রিসমাসের সময়ে খুব কাজের চাপ পড়েছিল জিনের । সবার জন্য উপহার (কারোটা যেন বাদ না যায়) কিনতে ছোটাছুটি করতে হচ্ছিল শহরে ।

বাড়ির সামনে মস্ত একটা ক্রিসমাস ট্রি সাজিয়েছিলেন তিনি । এইসব করতে গিয়ে ঠান্ডা লেগে গিয়েছিল তাঁর । ২৪ তারিখে ঠান্ডা পানিতে গোসল করতে গিয়ে শকে মারা যান তিনি ।

নীচের গাড়িবারান্দার সামনে বরফ ঢাকা, রাংতা মোড়ানো গাছটা দাঁড়িয়েছিল সবার জন্য কেনা উপহার নিয়ে । মা আর ভাইয়ের পাশে জিনকে কবর দেয়ার জন্য এলমিরাতে নিয়ে যাওয়া হলো । জিনের এক কাজিন জার্ভিস ল্যাংডন এলো মার্ক টোয়েনের বাড়িতে থাকার জন্য ।

সময়টা ছিল সন্ধ্যা ছটা । ঝিরঝির করে নরম তুষার পড়ছিল আকাশ থেকে, শীতের সংক্ষিপ্ত দিনের আলো মরে এসেছিল সেসময়ই । সব কিছু নিঃসাড়, নিঃশব্দ; পুরো পৃথিবী ঢাকা পড়েছিল বরফের চাদরের তলায় ।

সদর দরজার পাশে একটা লন্ঠন জ্বলছি । উপরের তলার একটা জানালায় দাঁড়িয়ে মার্ক টোয়েন জীবনের শেষ পার্থিব ঠিকানা থেকে তাঁর মধ্যমা কন্যার চলে যাওয়া দেখছিলেন ।

"From my window I saw the hearse and the carriages wind along the road and gradually grow vague and spectral in the falling snow, and presently disappear. Jean was gone out of my life, and would not come back any more. The cousin she had played with when they were babies together--he and her beloved old Katy--were conducting her to her distant childhood home, where she will lie by her mother's side once more, in the company of Susy and Langdon."
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৭ ভোর ৬:৫৯
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আল্লাহ মহান=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ১২:২২



একবার চিন্তায় ডুবাও মন?
ভেবে দেখো আরো একবার
আল্লাহ কত মহান, কত যে তাঁর দয়া;
ভুমিকম্প হলো প্রকট
তবুও বেঁচে আছি এ যাত্রায়
শোকর গুজার করেছো কী তাঁর?

ভাবনায় একবার আনো,
আল্লাহর দেয়া গজব-কত ভয়ঙ্কর
তবুও কী ভয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে মাঠে নামছে জামায়াত-এনসিপি।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ২:১৭


বাংলাদেশে এই প্রথম একটা অভাবনীয় ঘটনার সাক্ষী হচ্ছি আমরা। সরকার টেকানোর জন্য মাঠে নামছে বিরোধী দল! জ্বী, আপনি ঠিকই পড়েছেন। আগামীকাল আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। ওহ সরি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাইরে এসো

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬

এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।

দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৯


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×