সুতরাং বাবাকে দেখার সমস্ত ভার এসে পড়ল জিন ক্লিমেন্সের উপর । জিন পুরো সুস্থ ছিলেন না, ক্যাটালেপ্সির (মৃগী রোগ) ধরন ছিল তাঁর । মি. পেইনের অবর্তমানে বাবার সচিবের দায়িত্ব পালন করতেন তিনি । বাইরে থেকে তাঁর অসুখটা খুব সিরিয়াস মনে হতো না ।
১৯০৯ সালের নভেম্বর মাসে বারমুডা যাবার শখ হলো টোয়েনের । সেসময়ে ঠান্ডা আর টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ে নিউ ইংল্যান্ডে । সেখান থেকে ফিরে নতুন দুঃসংবাদ শুনতে হলো টোয়েনকে ।
আসলে ক্রিসমাসের সময়ে খুব কাজের চাপ পড়েছিল জিনের । সবার জন্য উপহার (কারোটা যেন বাদ না যায়) কিনতে ছোটাছুটি করতে হচ্ছিল শহরে ।
বাড়ির সামনে মস্ত একটা ক্রিসমাস ট্রি সাজিয়েছিলেন তিনি । এইসব করতে গিয়ে ঠান্ডা লেগে গিয়েছিল তাঁর । ২৪ তারিখে ঠান্ডা পানিতে গোসল করতে গিয়ে শকে মারা যান তিনি ।
নীচের গাড়িবারান্দার সামনে বরফ ঢাকা, রাংতা মোড়ানো গাছটা দাঁড়িয়েছিল সবার জন্য কেনা উপহার নিয়ে । মা আর ভাইয়ের পাশে জিনকে কবর দেয়ার জন্য এলমিরাতে নিয়ে যাওয়া হলো । জিনের এক কাজিন জার্ভিস ল্যাংডন এলো মার্ক টোয়েনের বাড়িতে থাকার জন্য ।
সময়টা ছিল সন্ধ্যা ছটা । ঝিরঝির করে নরম তুষার পড়ছিল আকাশ থেকে, শীতের সংক্ষিপ্ত দিনের আলো মরে এসেছিল সেসময়ই । সব কিছু নিঃসাড়, নিঃশব্দ; পুরো পৃথিবী ঢাকা পড়েছিল বরফের চাদরের তলায় ।
সদর দরজার পাশে একটা লন্ঠন জ্বলছি । উপরের তলার একটা জানালায় দাঁড়িয়ে মার্ক টোয়েন জীবনের শেষ পার্থিব ঠিকানা থেকে তাঁর মধ্যমা কন্যার চলে যাওয়া দেখছিলেন ।
"From my window I saw the hearse and the carriages wind along the road and gradually grow vague and spectral in the falling snow, and presently disappear. Jean was gone out of my life, and would not come back any more. The cousin she had played with when they were babies together--he and her beloved old Katy--were conducting her to her distant childhood home, where she will lie by her mother's side once more, in the company of Susy and Langdon."
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৭ ভোর ৬:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


