মৌলবাদিদের বাড় বেড়েছে?
বর্তমান সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারণকারী সরকার। ধর্ম নিরপেক্ষকতা, অসাম্প্রদায়িকতা, ধর্মান্ধতা, জংগীবাদ এর ব্যাপারে এই সরকারের অবস্থান স্পষ্ট। কিন্তু কিছু কৌশলগত কারণে এবং ভোটের হিসাব-নিকাশ করতে গিয়ে মৌলবাদি আর ধর্মান্ধদের সরকার কিছুটা ছাড় দিয়ে আর মাথায় হাত বুলিয়ে দেশ পরিচালনা করছে। কিন্তু কথায় আছেনা, বসতে দিলে শুতে চায় আর শুতে দিলে খেতে চায়। মৌলবাদিদের হয়েছে এই দশা। দেশের একটা বড় অংশ মৌলবাদি। মোল্লা, মওলানা, হাফেজ, আলেম, মুয়াজ্জিন, ইমাম ইত্যাদি বিভিন্ন নামে এরা সমাজের পরগাছা। দেশের অর্থনীতিতে যাদের বিন্দু পরিমাণ অবদান নাই। এরা আজাইরা খেয়ে গজাইরা গীত গায়( আমাদের গ্রামাঞ্চলের একটা প্রবাদ)
কিছুটা আস্কারা পেয়ে এদের সাহশ এখন এমন বেড়েছে যে, সরকারকে এরা সব বিষয়ে ছবক দেয়। মনে হয় সব বিষয়ে এদের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী সরকার দেশ পরিচালনা করবে। পাঠ্য পুস্তক সংশোধন করতে হয় এদের কথা অনুযায়ী । এখন বলছে সুপ্রীম কোর্ট চত্বর থেকে ন্যায়-বিচারের প্রতীক নারী ভাস্কর্য অপসারণ করতে হবে। এর আগে বিমান বন্দরের সামনে স্থাপিত লালনের ভাস্কর্য সরকার সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছিল মৌলবাদিদের আন্দোলনের কারণে। হয়ত অচিরেই দেখব এটিও সরিয়ে ফেলা হয়েছে। কিছুদিন পর বলবে, দেশে সিনেমা, গান, বাজনা, নাটক, মেয়েদের শিক্ষা, ধেলাধুলা, চাকুরি, শহীদ মিনারে ফুল দেয়া, পহেলা বৈশাখ পালন ইত্যাদি সব বন্ধ করতে হবে। ওরে অন্ধকারের কীট, মূর্খ, বর্বরের দল তোরা পারলে ক্ষমতায় এসে এসব বন্ধ কর। নির্বাচনের সময় তোরা মানুষের সামনে তোদের কর্মসূচী দিয়ে ঘোষণা করেদে যে আমরা ক্ষমতায় গেলেেএইসব বাস্তবায়ন করব, দেখি কয়জন মানুষ তোদের ভোট দেয়। তোদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য দেশের মানুষ বর্তমান সরকারকে ভোট দেয়নি। তাই লাফালাফি বন্ধ কর। আর কোন ছাড় নয়, এবার সময় এসেছে কঠোর হস্তে এসব ধর্ম ব্যবসায়ী, মৌলবাদি অপশক্তিকে বিনাশ করার।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ৮:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


