
রামপুরা সংলগ্ন হাতিরঝিল সাধরন জনগনের জন্য একটি বিনোদনের জায়গা । সকল সময় এই স্থানটিতে ভীড় লেগে থাকে । শুক্রবার কিংবা বিশেষ দিনে তো লোকে লোকারন্য থাকে। প্রেমিক যুগল , পরিবার পরিজন , বন্ধু-বাধব নিয়ে কিছুটা খোলামেলা বাতাসে ঘুরা ঘুরি করার জন্য তাদের এখানে আসা। বিনোদনের এই জায়গা ও হাজারো লোকের ভীড়ে কিছু লোক তাদের ধান্দার আখরা গড়ে তুলেছে ।
আজ বিকেলের (ঘটনাঃ ১) বিনোদনের জায়গাতে হিজড়াদের ধান্দা বাজী নতুন না , তবে প্রশাসন তাদের একটূ বেশী স্বাধীনতা দিয়েছে বলে মনে হচ্ছে । তাদের ক্ষমতা চরম মাত্রায় পৌছে গেছে পকেটে হাতদিয়ে টাকা নেয়ার কথা শুনেছি আজ নিজের চোখে দেখলাম । প্রকাশ্যে ছিনতাই আর প্রতিবাদ করলো বলে অকথ্য ভাষায় গালি শুরু করলো প্রেমিক যুগলদের ছেলেটিকে দুজন মিলে মারা শুরু করলো । এক পর্যায়ে দুজন লোক এসে থামালো হিজড়া দুইজন চলে গেল । থামাতে আসা দুই ব্যক্তি ছেলেটির সাথে কথা বলে বুঝিয়ে অবস্থা সামাল দিল । শুরু করলাম হিজড়াদের পেছনে হাটা চক্রাকার বাসের মত ভিডিও করতে করতে । হাতিরঝিল লালসিড়ির সামনে আসতেই দেখি সেই দুই লোক হিজড়াদের সাথে কথা বলছে ব্যপারটা বুঝতে বাকি রইলোনা যে তারা একই সিন্ডিকেটের । ওই তিন জন হিজড়াকে প্রতিদিনই এই একই স্পটে দেখা যায় বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত । প্রত্যেকটি প্রেমিক যুগল বা পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা লোকেদের হিজড়াদের খপ্পড়ে পড়তে হয় ।
(ঘটনাঃ ২)

হিজড়াদের ঘটনার কয়েক মিনিট পর, পায়জামা পাঞ্জবী পড়া হুজুর বেশী ৪ জন লোক আমাদের সামনে এসে দাড়ালো সালাম দিলো মোলাকাত করলো , প্রথমে ভেবেছিলাম তবলিক জামাতের লোক হয়ত কিছু ইসলামিক কথা বার্তা বলবে , কিন্তু তাদের কথা শুনে মনটা খারাপ হয়ে গেল , তাদের মধ্যে একজন ব্যক্তি লম্বা দাড়িওয়ালা বৃদ্ধা বললো বাবা এতিমদের জন্য কিছু দেন , তার হাতে কয়েকটা নোট ও পাশে ৩ জন সহযোগী আমি তাকে ফিরিয়ে দিলাম , এতিমদের দিবো কোন মাদ্রাসার বা কোন সংঠনের কোন টোকেন নেই নিছক ধান্দা ছাড়া আর কিছুনা । লজ্জায় মুখটা লাল হয়ে গেল কারন আমার সাথে যেই ছেলেটি ছিল সে সনাতন ধর্মের । তাদের পিছু হাটা শুরু করলাম সেই হিজড়াদের মত তারাও একই কাজ করছে তাদেরও টার্গেট প্রেমিক যুগল । লোকজনকে থামিয়ে থামিয়ে মোলাকাত করে ধর্মের ও পোশাক আচরনের অপব্যবহার করছে , ধর্মকে ছোট করছে । ধর্মের নামে ব্যবসা করছে । লোক বেশী দেখায় ৪ জন ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়লো অনেকে তাদের ফিকির বুঝে এড়িয়ে যাচ্ছিল তবে তাদের নজর তো অন্যের পকেটের দিকে । আজ নতুন দেখলাম হিজড়াদের অনুকরন করছে এক শ্রেনীর দাড়ী টুপি ওয়াল লোক । কতটা সত্য আছে তাদের মাঝে জানিনা । এতিমদের জন্যও যদি করে থাকে তবে এ ভেবে নয় আর প্রেমিক যুগল কিংবা রাস্তা ঘাটে নয় । দেশে ধনীর- শিল্পকারখানা-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অভাব নেই । দান করার লোকের ও অভাব নেই সেখানে তাদের কাছে যান , এবাবে ধর্ম নিয়ে ব্যবসা বা ধান্দা বন্ধ করুন । এমন চলতে থাকলে ধর্মের অনুভুতি মানুষের মন থেকে উঠে যাবে ।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৯:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


