somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নারীবাদী-প্রগতিবাদীদের দাবী-"স্ত্রীর বিনা অনুমতিতে তাঁর সাথে মিলন করা স্বামীর জন্য ধর্ষন হিসাবে গন্য হবে "- কতটা যুক্তিসংগত?

০৯ ই নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ছবি- গুগল

গত কিছুদিন যাবত একটি নিউজ প্রচার হচছে,"স্ত্রীর বিনা অনুমতিতে তাঁর সাথে মিলন করা স্বামীর জন্য ধর্ষন হিসাবে গন্য হবে " -এর জন্য আইন প্রণয়ন করা বা করতে হবে।এ দাবী যৌক্তিক কি অযৌক্তিক সেটা নিয়ে বলার কিছু আছে বলে মনে হয়না বড় কথা হল স্ত্রীর সাথে মিলনের জন্য স্বামী অনুমতি নিয়েছে কি নেয়নি তার প্রমান কিভাবে করবে বা এই দাবী কতটা যুক্তি সংগত?

স্বামী- স্ত্রী মিলে একটি পরিবার গঠিত হয়। পরিবারে স্বামী ও স্ত্রীর আলাদা কোন সত্মা থাকেনা।তাদের দেহ দুইটি কিন্তু আত্মা একটি। দাম্পত্য জীবনে স্বামী ও স্ত্রীর রয়েছে নির্দিষ্ট অধিকার ও কর্তব্য। স্বামী ও স্ত্রী একে অন্যের সহায়ক ও পরিপূরক। সুতরাং উভয়েরই রয়েছে উভয়ের প্রতি বিশেষ দায়িত্ব ও কর্তব্য । আল্লাহতাআলা পবিত্র কোরআনুল কারিমে স্বামী- স্ত্রী সম্পর্কে বলেন, "তারা তোমাদের আবরণ এবং তোমরা তাদের আবরণ।" (সুরা: ২ বাকারা, আয়াত: ১৮৭)।

এখন নজর দেয়া যাক একটি পরিবারের উপর। একজন নারী,একজন পুরুষ যখন বিবাহের পবিত্র সম্পর্কে আবদ্ধ হয় তখন তাদের একসাথে তাদের পথচলা শুরু হয়।তাদের মাঝে তখন আলাদা আলাদা কোন সত্মা থাকেনা।তারা উভয়েই তখন একে অন্যের পরিপূরক হয়ে যায় এবং সংসারের সকল কাজ একে অপরের সাথে সহযোগীতার মাধ্যমে সমাপ্ত করে।সুখে-দুখে, হতাশা-ব্যর্থতায় ,সংসারের জটিলতায় , অভাব কিংবা সুখে একে অন্যের ছায়া-সহযোগী হয়ে কাজ করে।আর সংসারের সুখ-শান্তি নির্ভর করে উভয়ের প্রতি উভয়ের সহযোগীতা,সহমর্মিতা তথা ভালবাসার উপর।



ছবি- গুগল

পৃথিবী শুরুর পর থেকে যে কয়টা প্রতিষ্ঠান আজও টিকে আছে তার মধ্যে পরিবার অন্যতম।যদিও সময়ের সাথে সাথে এবং নানা ঘাত-প্রতিঘাতের ফলে পরিবারের অনেক বিবর্তন হয়েছে মানে যৌথ পরিবার ভেংগে একক পরিবারের তৈরী হয়েছে এবং সামজিক অস্থিরতা ,প্রতিযোগীতা মুলক জীবন ,স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্ব- সংঘর্ষ-মতবিরোধ এর ফলে ভাঙা পরিবার(Broken Family) নামে এখন আরেকটি পরিবারের তৈরী হচছে ।আর সেই ভাঙা পরিবারের নির্মমতার শিকার হচছে শিশু -নারী- পুরুষ তথা সমাজের সবাই।

ত্যাগ এবং আপসই হচছে পরিবারের সাফল্যের মুল সূর।যে পরিবারে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে যত বেশী ত্যাগ এবং আপসের মনোভাব থাকে সেই পরিবার তত বেশী সুখের হয়।সংসারের নানা জটিলতা-অভাব অভিযোগ,দুঃখ,মানষিক টানাপোড়ন,দ্বন্দ্ব- সংঘর্ষ-মতবিরোধ থাকবেই।আর এ সব কিছু সহ্য করে স্বামী-স্ত্রীকে সামনে এগিয়ে যেতে হয় কর্তব্য এবং সামাজিকতার প্রয়োজনে। আর সংসারের এতসব দায়িত্ব-কর্তব্য ও জটিলতার মাঝে স্বামী-স্ত্রী সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরনা পায় যে কয়টি কাজের মাধ্যমে তার মধ্যে সফল যৌন মিলন একটি । যৌন মিলনই একমাত্র পথ যার মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী র সকল দুঃখ-কষ্ট,মান-অভিমান দূর করে মানষিক প্রশান্তি আনে এবং সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরনা পায়।আর এ যৌন মিলন স্বামী-স্ত্রীর একান্ত ব্যক্তিগত ও চরম গোপনীয় একটি বিষয়।স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে যত মনোমালিন্য ও বৈপরিত্য ই তৈরী হোকনা কেন তারা কখনো এ বিষয়ে কারো সাথে কথা বলেনা বা শেয়ার করেনা।

তারপরেও প্রগতিবাদীদের এ দাবীর যৌক্তিকতা অস্বীকার না করে আসুন দেখি স্বামী-স্ত্রীর অধিকার ও কর্তব্য বিষয়ে কোরআন ও হাদিসে এ সম্পর্কে কি বলে।

স্বামীর কর্তব্য

- আল্লাহ তাআলা বলেন, "পুরুষগণ নারীদের প্রতি দায়িত্বশীল, যেহেতু আল্লাহ একের ওপর অন্যকে প্রাধান্য দিয়েছেন এবং তারা তাদের সম্পদ হতে ব্যয়ও করে"। (সুরা: ৪ নিসা, আয়াত: ৩৪)। অর্থ্যাত স্ত্রীর প্রতি স্বামীর প্রথম দায়িত্ব বা কর্তব্য হলো মহর পরিশোধ করা।এ
সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহপাক আরও বলেন ," স্ত্রী দেরকে স্পর্শ করার আগে তাদের দেনমোহর পরিশোধ করে দাও।আর পারস্পরিক সহযোগীতার কথা বিস্মৃত হয়োনা।নিশ্চিয়ই তোমরা যা কিছু কর আল্লাহ সেইসব অত্যন্ত ভাল করে দেখেন । (সুরা বাকারা- ২৩৭।পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহপাক আরও বলেন,"তোমরা স্ত্রীদেরকে মোহর দিয়ে দাও খুশিমনে,তারা যদি খুশি হয়ে তা থেকে অংশ ছেড়ে দেয় তবে তোমরা তা স্বাচছন্দে ভোগ কর" - (সুরা আন নিসা - ৪)

- বিয়ের পর স্বামীর প্রতি দায়িত্ব হলো স্ত্রীর প্রয়োজনীয় সকল মৌলিক চাহিদা পূরন করা। এই মৌলিক চাহিদার প্রথমটি হলো খাদ্য। স্বামীর সামর্থ্য অনুযায়ী স্ত্রীর উপযুক্ত প্রয়োজনমতো খাদ্য যথাসময়ে নিয়মিত স্ত্রীকে দিতে হবে বা ব্যবস্থা করে দিতে হবে।

- মৌলিক চাহিদার দ্বিতীয়টি হলো পোশাক। স্বামী স্ত্রীকে স্বীয় সামর্থ্য অনুসারে স্ত্রীর প্রয়োজনমতো তাঁর যোগ্য পোশাক দেবেন। প্রয়োজনীয় পোশাক প্রদান করা যেহেতু স্বামীর দায়িত্ব; তাই সে পোশাক প্রস্তুত করার ব্যয়ও স্বামীর ওপরই বর্তাবে।

- স্ত্রীর মৌলিক অধিকারের তৃতীয়টি হলো নিরাপদ বাসস্থান বা নিরাপদ আবাসন। অর্থাৎ, স্বামী স্ত্রীকে থাকার জন্য এমন একটি ঘর বা কক্ষ দেবেন, যে ঘর বা কক্ষে স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া (স্বামী ব্যতীত) কেউই প্রবেশ করতে পারবেন না।

নারী-পুরুষের সম্পর্কে আল্লাহপাক আরও বলেন ," আর তোমরা আকাংখা করোনা এমন সব বিষয়ে যাতে আল্লাহতায়ালা একের উপর অপরের শ্রেষ্ঠত্ত্ব দান করেছেন।পুরুষ যা অর্জন করে সেটা তার অংশ এবং নারী যা অর্জন করে সেটা তার অংশ।আর আল্লাহর কাছে তার অনুগ্রহ প্রার্থনা কর ।নিঃসন্দেহে আল্লাহ সর্ববিষয়ে জ্ঞাত" - (সুরা আন নিসা - ৩২)।

স্ত্রীর কর্তব্য

- বিয়ের পর স্ত্রীর যাবতীয় দায়িত্ব স্বামীর কাঁধে বর্তালেও স্ত্রীরও কিছু কর্তব্য রয়েছে। হাদিস শরিফে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, "নারী যখন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে, রমজান মাসে রোজা রাখে, স্বীয় সতীত্ব ও সম্ভ্রম রক্ষা করে শালীনতা বজায় রেখে চলে এবং স্বামীর আনুগত্য প্রকাশ করে; তখন সে বেহেশতের যেকোনো দরজা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করতে পারবে"- (আবু দাউদ শরিফ)।

- স্ত্রী হিসেবে স্বামীর দেখভাল করা স্ত্রীর দায়িত্ব। স্বামীর সংসারের দেখাশোনা করা এবং স্বামীর সম্পদ সংরক্ষণ করাও স্ত্রীর অন্যতম দায়িত্ব। আল্লাহ তাআলা বলেন, "তবে সৎকর্মশীলা নারী বা সাধ্বী রমণী তাঁরা, যাঁরা অনুগতা এবং লোকচক্ষুর অন্তরালেও তাঁরা তা সংরক্ষণ করেন, যা আল্লাহ হেফাজত করেছেন"- (সুরা: ৪ নিসা, আয়াত: ৩৪)।

- আল্লাহ তাআলা বলেন, "আর তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে অন্যতম হলো তিনি তোমাদের মধ্য হতে তোমাদের জন্য সঙ্গী জোড়া সৃষ্টি করেছেন এবং যাতে তোমরা তাদের নিকট প্রশান্তি লাভ করো এবং তোমাদের মাঝে পারস্পরিক ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। এতে অবশ্যই বহু নিদর্শন রয়েছে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য"- (সুরা: ৩০ রুম, আয়াত: ২১)।
রসুল সঃ বলেন ," স্বামী যখন স্ত্রীকে দৈহিক প্রয়োজনে আহববান করে সে যেন স্বামী কাছে দ্রুত চলে আসে।এমনকি সে যদি রান্না ঘরে রুটি পাকানোর কাজেও ব্যস্ত থাকে (সুনানে তিরমিযি - ১১৬০)।

- স্বামীর সকল আদেশ-নিষেধ মেনে চলা স্ত্রীর কর্তব্য।এ প্রসংগে রসুল সঃ বলেন ,"যে স্ত্রী স্বামীর ডাকে সাড়া না দেয় এবং স্বামী রাগান্বিত অবস্থায় সারারাত একাকী কাটায় ,সে স্ত্রীর উপর ফেরেশতারা সকাল পর্যন্ত লানত দিতে থাকে"-(ছহিহ বুখারী ৫১৯৩ )।
- প্রসংগে মহানবী সঃ আরও বলেন,"তিন ব্যক্তির নামাজ তাদের মাথা অতিক্রম করেনা বা কবুল হয়না । এর মধ্যে একজন হল অবাধ্য স্ত্রী যে স্বামীর ডাকে সাড়া দেয়না এবং স্বামী রাগান্বিত অবস্থায় ঘুমায়" - সুনানে তিরমিযি-৩৬০।
- মহানবী সঃ আরও বলেন,"পরকালে আল্লাহপাক স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ স্ত্রীর দিকে তাকাবেন না " - (বাইহাকী-১৪৪৯৭)। মহানবী সঃ আরও বলেন,"অবাধ্য স্ত্রীর জন্য জান্নাত হারাম "-(মুসনাদে আহমাদ - ১৯০০৩)।
- স্বামীর প্রতি স্ত্রীর গুরুত্ব বুঝাতে মহানবী সঃ আরও বলেন,"মা-বাবা সহ সকলের মৃত্যুতে শোক পালন হচছে ৩ দিন পর্যন্ত আর স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করতে হবে ৪ মাস ১০ দিন (বুখারী শরীফ -১২৮০

স্ত্রী হলেন সহধর্মিণী, অর্ধাঙ্গিনী, সন্তানের জননী; তাই স্ত্রী সম্মানের পাত্রী। স্ত্রীর রয়েছে বহুমাত্রিক অধিকার; সঙ্গে সঙ্গে রয়েছে কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য। স্বামী ও স্ত্রী উভয়ে এবং উভয়ের পরিবার প্রত্যেকে নিজ নিজ অধিকারের সীমানা ও কর্তব্যের পরিধি জেনে তা চর্চা করে তাহলে তা সংসারের জন্য মঙ্গলজনক হবে।

আমাদের আলোচ্য বিষয়, যৌন মিলন এমন একটি প্রক্রিয়া যা স্বামী-স্ত্রীর সক্রিয় অংশগ্রহণ ও প্রত্যক্ষ সহযোগীতা ব্যাতীত কখনো সফলভাবে সমাপ্ত করা সম্ভব না। আর বিবাহিত মানুষ মাত্রই জানে, যৌন মিলনের জন্য উভয়েরই যে একসাথে ইচছা জাগে এমন না।স্বামী-স্ত্রীর যে কারোর ই মিলনের ইচছা জাগতে পারে আর তারপরে একে অন্যকে নানা ভাবে প্ররোচিত বা নানা ক্রিয়া কর্মের মাধ্যমে মিলনে আগ্রহী করে তুলে এবং শেষ পর্যন্ত উভয়ের মিলনের মাধ্যমে তার সমাপ্তি হয়।এখানে কে আগে আগ্রহী হয়েছে বা কে কাকে প্ররোচিত করেছে তা বিবেচ্য বিষয় নয় এবং স্বামী-স্ত্রী সাধারনতঃ এটা নিয়ে মাথা ঘামায়ও না।তর্কের খাতিরে যদি ধরে নেই পুরুষ ই সবসময় একাজে অগ্রনী ভূমিকা পালন করে তাহলে এটাও দোষের কিছু নয়।কারন প্রকৃতিগত ভাবে পুরুষ বর্হিমুখী আর নারী অর্ন্তমুখী। স্বামী-স্ত্রীর যেই আগে আগ্রহী বা উদ্যোগী হোক না কেন উভয়ের মিলিত প্রচেষ্টায় ই একটি সফল এবং আনন্দদায়ক যৌন মিলন সম্পন্ন হয় এবং এ দুনিয়াতে স্বর্গীয় সুখ লাভ করে।স্বামী-স্ত্রীর এ সম্পর্ক একান্ত ব্যক্তিগত ও চরম গোপনীয়।আর একান্ত ব্যক্তিগত ও চরম গোপনীয় বিষয় বাহিরে এনে জ্ঞানপাপীরা কি অর্জন করতে চাচছে তা বোধগম্য নয়। অস্থিতিশীল এ দুনিয়ায় এমনিতেই মানুষে মানুষে ভালবাসা-সহযোগীতা-সহানুভূতি কমে যাচছে বা নেই বললেই চলে সেই ক্ষেত্রে সমাজের নানা রকম অস্থিরতা তথা হাজারো সমস্যার প্রতি দৃষ্টি না দিয়ে স্বামী-স্ত্রীর একান্ত ব্যক্তিগত একটা মুহূর্তকে সর্বসমক্ষে টেনে বের করে এনে তথা আইন প্রণয়ন করে কি অর্জন হবে তাই জিজ্ঞাসা।

এ দাবী এক ধরনের অপকর্ম ।যারা আইনের দোহাই দিয়ে এ ধরনের অপকর্মকে বৈধতা দিতে চায় তাদের সম্পর্ক আল্লাহ তাআলা বলেন,"তোমরা কি তাদের পথ প্রদর্শন করতে চাও যাদের আল্লাহ পথভ্রষ্ঠ করেছেন? আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ঠ করেন তুমি তার জন্য কোন পথ পাবেনা"-(আন নিসা - ৮৮)।
এ প্রসংগে আল্লাহ তাআলা আরো বলেন, - "তারা চায় যে ,তারা যেমন কাফের তোমরাও তেমনি কাফের হয়ে যাও যাতে তোমরা এবং তারা সব সমান হয়ে যাও।অতএব,তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরুপে গ্রহন করোনা ।যে পর্যন্ত তারা আল্লাহর পথে হিযরত করে চলে আসে" - (আন নিসা - ৮৯ )।
আল্লাহতাআলা আরো বলেন,"আল্লাহ তোমাদের প্রতি ক্ষমাশীল হতে চান এবং যারা কামনা বাসনার অনুসারী তারা চায় যে তোমরাও পথ থেকে অনেক দূরে বিচ্যুত হয়ে পড়" - (আন নিসা - ২৭)
আল্লাহতাআলা আরো বলেন - "আজ তোমাদের জন্য পবিত্র বস্তুসমূহ হালাল করা হল। আহলে কিতাবদের খাদ্য তোমাদের জন্যে হালাল এবং তোমাদের খাদ্য তাদের জন্য হালাল। তোমাদের জন্যে হালাল সতী-সাধ্বী মুসলমান নারী এবং তাদের সতী-সাধ্বী নারী, যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তোমাদের পূর্বে, যখন তোমরা তাদেরকে মোহরানা প্রদান কর তাদেরকে স্ত্রী করার জন্যে, কামবাসনা চরিতার্থ করার জন্যে কিংবা গুপ্ত প্রেমে লিপ্ত হওয়ার জন্যে নয়। যে ব্যক্তি বিশ্বাসের বিষয় অবিশ্বাস করে, তার শ্রম বিফলে যাবে এবং পরকালে সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে"।(সুরা মায়িদাহ - ৫)।

মহান আল্লাহপাক আমাদের সকল ফেতনা ফ্যাসাদ থেকে হেফাযত করুন এবং এ ধরনের অপকর্ম থেকে বিরত থাকার তওফিক দিন এবং যারা এ ধরনের ফেতনা ফ্যাসাদ তথা অপকর্মের চেষ্টা করে তাদের হেদায়াত নসিব করুন।

"দূর্জন বিদ্ধান হইলেও পরিতাজ্য"
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৫০
১৩টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×