লক্ষ লক্ষ টাকা নেয়ার বিনিময়ে হাজ্বিদের হজ্বের অনুমতি দেয়ার পরও কর্তৃপক্ষের গাফলতিতে ১০০+ হাজ্জির মৃত্য ২০০+ আহত। সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তিদের বিচার চাই।
-
বলা হচ্ছে প্রচন্ড বাতাসের কারণে ক্রেন ভেঙ্গে পরেছে এখানে কর্তৃপক্ষের দোষ কোথায়?
আমার কথা হলো প্রচন্ড বাতাসে যদি মসজিদ ধ্বসে পরে মানুষ মারা যেত কোন কথা থাকতো না কিন্তু অতিরিক্ত ক্রেন কেন সেখানে ছিলো সেটা হলো প্রশ্ন। জবাবে বলা হলো: মসজিদের কিছু অংশ বর্ধীত করার জন্য কাজ হচ্ছিল যার জন্যে ক্রেন রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, ইন্জিনিয়ারদের সাথে এই নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিলো তারা বলেছে কোন সমস্যা নাই তাই ক্রেন সরানো হয় নাই। আমি বলি এখানেই সব সমস্যা। ইন্জিনিয়ারদের কাছে কেন পরামর্শ্ব চাওয়া হয়েছিলো? নিশ্চয়ই মনে প্রশ্ন এসেছিল যে, কোন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে তাই তারা ইন্জিনিয়ারদের মুখাপেক্ষী হয়েছিল। তার মানে ইন্জিনিয়ারদের পরামর্শ ভুল ছিল..... তাহলে ইন্জিনিয়াররা কি এই পরামর্শ দায়িত্ব নিয়ে দিয়েছিল নাকি যাস্ট কথা প্রসংগে বলে ছিলো? দায়িত্ব নিয়ে বললে অবশ্যই ইন্জিনিয়ারদের কাঠগরায় দাড়াতে হবে। নতুবা সউদি রাজ পরিবার যারা এই হজ্ব পরিচালনার দায়িত্বে থাকে তারাই এর জন্য দায়ী থাকবে। কারণ, লক্ষ লক্ষ বিদেশী মেহমানদের নিরাপত্তার বিষয় যেখানে জড়িত সেখানে বিন্দু মাত্র কম্প্রমাইজ করা তাদের উচিৎ হয় নাই। এটা বলার পরই শুরু হলো আমার উপরে অভিযোগ, আক্রমন।
যারা আমাকে কুৎসিত কথা বলছেন তাদের জন্য পরবর্তী পোষ্ট হলো:
ইসলামে শহীদ দুই প্রকার।
১) হুকমি শহীদ।
২) হাকিকি শহীদ।
- হুকমি শহীদ তারা যারা কোন একসিডেন্টে, পানিতে ডুবে, ঝড়ে তুফানে কিংবা কোন ব্যক্তি দ্বারা অবৈধ ভাবে নিহত হয়। এক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তিকে শহীদ বলা হবে তবে তার কৃত কর্মের জন্য সাস্তি পেতে হবে। শুধু তাই নয় যে ব্যক্তি অন্যায় ভাবে তাকে হত্যা করবে তাকেও বিচারের আওতায় আনতে হবে। মানে হলো: মৃত ব্যক্তিটি শহীদের মর্যাদা পেলেও তাকে হত্যাকারীর উপর কিসাস বাস্তবায়ন করতে হবে। সেই হিসেবে গতকাল মক্কা শরীফে যারা নিহত হয়েছেন তারা তাদের দৃষ্টিকোন থেকে শহীদ। তারা তাদের মর্যাদা আল্লাহর কাছে পাবেন। কিন্তু তাদের মৃত্যুর পিছনের কারণ কি ছিল সেটাও দেখতে হবে। যেহেতু তাদের মৃত্যু দুর্ঘটনার ফলে হয়েছে সেহেতু সেই দুর্ঘটনার পিছনের কারণ অবশ্যই তালাশ করতে হবে। এবং এমনটাই শরীয়তের নির্দেশ। ইসলামী শরিয়তের চেয়ে সউদি সরকার কখনো বড় না এবং তারা দুধে দুয়া তুলশি পাতা না যে তাদের বিচার দাবি করা যাবে না। বরং ইসলামী শরীয়তে আরব অনারব সবাই সমান। গতকাল বাতাসের ফলে যদি মসজিদ ধ্বসে এক হাজার মানুষও মারা যেত কোন কথা থাকত না। যেহেতু মসজিদের বাহিরের ক্রেন পরে মানুষ মারা গেছে সেহেতু এখানে কিঞ্চিত গাফলতি আছে বলেই ধরা যায়। শুধু তাই নয় সউদি সরকারও এই ঘটনা তদন্তে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। আমার বিশ্বাস তারা দোষীদের সাস্তি দিবে এবং এই গাফলতি যদি সউদি রাজপরিবারের হয়ে থাকে তবে তারা সেটারও বিচার করবে। এটাই হলো স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু সমস্যা হলো আমার এই পোষ্টেও যাদের চুলকানি উঠবে তারা কি আসলে সুস্থ মানুষ নাকি শারীরিক ভাবে অসুস্থ সেটা চিন্তার বিষয়। আর হা, চর্ম রোগ ছুয়াছে রোগ।
২) হাকিকি শহীদ: যারা সরাসরি কাফেরদের সাথে ইসলামের পথে যুদ্ধ করতে গিয়ে নিহত হয়।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



