অনেকদিন থেকে ভাবছি আমি একটা প্রথম শ্রেনীর বেকুব কারন অনেকের সাথেই কেন যেন মিল হয় না আমার...... যেমন ধরেন
২০১৪ সালে একটা ইর্ন্টান্যাশানাল কনফারেন্সে বাঘা বাঘা লোকদের সাথে দূর্ভ্রাগ্যক্রমে আমি ও ইনভাইটেশান পেয়েছিলাম সুইজারল্যান্ড সফরের। বাংলাদেশ থেকে সরকারীভাবে আমরা ৩ জন ও বেসরকারীভাবে দেশের সবচেয়ে নামকরা এনজিও থেকে ৩ জন। যাহোক ৩ দিনের কনফারেন্সে খাবা-দাবার থেকে সব কিছুরই ব্যবস্থা সুইস সরকার করেছিল। যেহেতু এটি ইর্ন্টান্যাশানাল কনফারেন্সে আর ৫ ইয়ার্স হেলথ্ প্লান তাই পৃথিবীর সেরা মাথাগুলাই এসেছিল (আমি ছাড়া
যা বলছিলাম, লান্চ, দু'বেলা স্ন্যাক্স ছাড়াও আয়োজক কমিটি প্রতিটি কর্নারে চকলেট, চিপস্, ড্রিংস, চা, কফি রেখেছিল। যে যার মতো খাবারের সুযোগ থাকলেও অন্য কোন দেশের লোকজন চা-কফি ছাড়া কিছুই ধরছিল না.... সম্পূর্ন মনোযোগ ছিল লেকচারের উপর। কিন্তু আমাদের টিমের এনজিওর ভাই-আপুরা মনে হয় এমন খাবার চোখে দেখেনি....!!! হামলে পড়া বলতে যা বোঝায় তা প্রাকটিকেল দেখাচ্ছিল। সারা সময়টাতে ৫ মিনিট পর পর উঠে আর প্লেট ভর্তি, গ্লাস ভর্তি করে আনে... শেষ করে আবার যায়। তারপর ও শেষ নেই, লাঞ্চের সময়ে প্লেটে যতটুকু খাবার ধরে তার ৫ গুন খাবার নিল এবং এসব আধা কাচাঁ খাবার একটু আকটু মুখে দিয়ে ফেলে দিল। অথচ তাদের ছাড়া কারো প্লেটেই অবশিষ্ট কিছু দেখলাম না।
খুব খারাপ লাগে যখন দেখি বিদেশে দেশের রিপ্রেজেন্ট হয়ে দেশের সন্মানটা মাথায় রাখি না বা বুঝতে চাই না যে বিদেশে আমাদের প্রতিটি অাচরনের সাথেই দেশের সন্মান জড়িত। এমন কোন আচরন করা উচিত না যা দেশের মান-সন্মান ধরে টান দেয় সেটি খাবার হোব, ড্রেস কোড হোক বা সাধারন বিহেব হোক।
ভালো থাকেন..... আর লিখতে ইচ্ছে করছে না বাকিগুলা পরে লিখুম!!!!!!!
কিছু খাবারের ছবি দেখেন..


সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুন, ২০১৬ সকাল ১১:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



