somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সোহানী
হাজার হাজার অসাধারন লেখক+ব্লগারের মাঝে আমি এক ক্ষুদ্র ব্লগার। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া লেখালেখির গুণটা চালিয়ে যাচ্ছি ব্লগ লিখে। যখন যা দেখি, যা মনে দাগ কাটে তা লিখি এই ব্লগে। আমার ফেসবুক এড্রেস: https://www.facebook.com/sohani2018/

আমিই মনে হয় আসলেই বেকুব.... বাকি সবাই ঠিক!!!!!!!!

০৫ ই জুন, ২০১৬ সকাল ১১:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেকদিন থেকে ভাবছি আমি একটা প্রথম শ্রেনীর বেকুব কারন অনেকের সাথেই কেন যেন মিল হয় না আমার...... যেমন ধরেন

২০১৪ সালে একটা ইর্ন্টান্যাশানাল কনফারেন্সে বাঘা বাঘা লোকদের সাথে দূর্ভ্রাগ্যক্রমে আমি ও ইনভাইটেশান পেয়েছিলাম সুইজারল্যান্ড সফরের। বাংলাদেশ থেকে সরকারীভাবে আমরা ৩ জন ও বেসরকারীভাবে দেশের সবচেয়ে নামকরা এনজিও থেকে ৩ জন। যাহোক ৩ দিনের কনফারেন্সে খাবা-দাবার থেকে সব কিছুরই ব্যবস্থা সুইস সরকার করেছিল। যেহেতু এটি ইর্ন্টান্যাশানাল কনফারেন্সে আর ৫ ইয়ার্স হেলথ্ প্লান তাই পৃথিবীর সেরা মাথাগুলাই এসেছিল (আমি ছাড়া :P:P:P:P।) তাই খাবার থেকে শুরু করে অসাধারন সব আয়োজন ছিল সেখানে।

যা বলছিলাম, লান্চ, দু'বেলা স্ন্যাক্স ছাড়াও আয়োজক কমিটি প্রতিটি কর্নারে চকলেট, চিপস্, ড্রিংস, চা, কফি রেখেছিল। যে যার মতো খাবারের সুযোগ থাকলেও অন্য কোন দেশের লোকজন চা-কফি ছাড়া কিছুই ধরছিল না.... সম্পূর্ন মনোযোগ ছিল লেকচারের উপর। কিন্তু আমাদের টিমের এনজিওর ভাই-আপুরা মনে হয় এমন খাবার চোখে দেখেনি....!!! হামলে পড়া বলতে যা বোঝায় তা প্রাকটিকেল দেখাচ্ছিল। সারা সময়টাতে ৫ মিনিট পর পর উঠে আর প্লেট ভর্তি, গ্লাস ভর্তি করে আনে... শেষ করে আবার যায়। তারপর ও শেষ নেই, লাঞ্চের সময়ে প্লেটে যতটুকু খাবার ধরে তার ৫ গুন খাবার নিল এবং এসব আধা কাচাঁ খাবার একটু আকটু মুখে দিয়ে ফেলে দিল। অথচ তাদের ছাড়া কারো প্লেটেই অবশিষ্ট কিছু দেখলাম না।

খুব খারাপ লাগে যখন দেখি বিদেশে দেশের রিপ্রেজেন্ট হয়ে দেশের সন্মানটা মাথায় রাখি না বা বুঝতে চাই না যে বিদেশে আমাদের প্রতিটি অাচরনের সাথেই দেশের সন্মান জড়িত। এমন কোন আচরন করা উচিত না যা দেশের মান-সন্মান ধরে টান দেয় সেটি খাবার হোব, ড্রেস কোড হোক বা সাধারন বিহেব হোক।

ভালো থাকেন..... আর লিখতে ইচ্ছে করছে না বাকিগুলা পরে লিখুম!!!!!!!

কিছু খাবারের ছবি দেখেন..

সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুন, ২০১৬ সকাল ১১:৩৩
২৪টি মন্তব্য ২৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝর্ণা জল

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:২১


আমি ব্যস্তবতা দেখি
পানকৌড়ির সাঁতার-
কল্পনায় শুধু স্বপ্ন আঁকি,
মধ্যবিকাল ঢেউ তোলা সাগর
হতাশা ডিঙিয়ে যায়- নিরিবিলি
রাত দুপুরের বাসর।

উড়ে ধোয়া, নিঃশ্বাসে সাদা বক,
খেলা করে যে, প্রণয়ের চক-
নীল মেঘ ভীর জমায়, বর্ষা কাঁদাময়,
ভোরের ক্লান্তি দেখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিশীথের মুঠোয় - কেয়া ।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪



আমি সূর্যোদয়ের অপেক্ষায়,
হিমশীতল সকালের ভেতর নত চোখে চেয়ে আছি।
হিমার্ত জানালায় জমে ওঠে নিঃশ্বাসের মেঘ—
আঙুল বুলিয়ে মুছে দিই;,
যদিও জানি, আজ সেখানে তোমার পদচিহ্ন নেই।

শরতের বৃক্ষেরা পত্রমোচনের ভাষা জানে;
আমি কেবল তোমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিম করা কি হারাম?

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬




জিম করা কি হারাম?

হ্যাঁ, জিম করা হারাম!

যদি জিমে গিয়ে নিজের পেশিবহুল বাহুডোরে কোনো ললনাকে জড়িয়ে ধরেন!

কিন্তু তারপরেও কথা থাকে।

এখানে জড়িয়ে ধরাটা হারাম। জিম করাটা নয়!

অর্থাৎ, জিমে গিয়ে শরীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রচন্ড রোদে

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০০

প্রচন্ড রোদে
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

রূপসী এদিক ওদিক কী খুঁজো
মনের মতো কাঙ্ক্ষিত পুরুষ
এভাবে সোনালি কতোদিন বিনষ্ট করবে
আমায় একটু ভেবে দেখো।
শূন্য হৃদয় নিয়ে কেঁদে মরি
কেউ নেই পাশে, গেছে সবাই ছাড়ি।
দরিদ্র বলে জুড়েনি তাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×