১. মালয়েশিয়ার মাহাতির মোহাম্মদ খুব ভালো রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন। আমার কাছে তাঁর সময়কালের একটাই কলঙ্ক মনে হয় 'আনোয়ার ইব্রাহিম' ইস্যু। কারণ এটা নিয়ে দুই পক্ষ ভিন্নমত দিয়েছে। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের এখন পর্যন্ত সেরা রাষ্ট্রনায়ক। আমার কাছে তাঁর সময়কালের একটাই কলঙ্ক মনে হয় ' কর্নেল তাহের' ইস্যু। যে ব্যক্তি তাঁকে মুক্ত করলেন, সেই ব্যক্তিকেই ফাঁসি দেয়া(হোক সেটা আদালতের মাধ্যমে)।
২. শেখ হাসিনার সময়কালে মহামান্য আদালত জিয়াউর রহমানকে ঠান্ডা মাথার খুনী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন কর্নেল তাহের হত্যাকান্ডের ব্যপারে।
৩. ওরা বড় রকমের একটা ভুল করেছে। শেখ মুজিবকে কবর দিতে অ্যালাও করা ঠিক হয়নি। এখন তো সেখানে মাজার হবে। উচিত ছিল লাশটা বঙ্গোপসাগরে ফেলে দেওয়া”--- কর্নেল তাহের
- মহিউদ্দিন আহমেদের বই “জাসদের উত্থান-পতন: অস্থির সময়ের রাজনীতি” থেকে
৪. স্বাধীনতাবিরোধীরা কখনও বঙ্গবন্ধুর ওপর আঘাত হানতে পারত না, যদি এই গণবাহিনী, জাসদ বঙ্গবন্ধুর বিরোধিতা করে বিভিন্ন জায়গায় ডাকাতি করে, মানুষ হত্যা করে, এমপি মেরে পরিবেশ সৃষ্টি না করত। সুতরাং বঙ্গবন্ধু হত্যার মূল রহস্য বের করতে হবে, কারা কারা জড়িত ছিল। জাসদই বঙ্গবন্ধুর হত্যার পথ পরিষ্কার করে দিয়েছিল। এর জন্য জাসদই দায়ী। এই হত্যাকাণ্ডে তারা জড়িত ছিল।
বঙ্গবন্ধু যেদিন মারা যান, সেদিন কর্নেল তাহেরও রেডিও স্টেশনে যায়। জাসদের গণবাহিনীর প্রধান ছিল সে। একটা সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে তিনি গণবাহিনী করেছিলেন। যাকে বঙ্গবন্ধু সহানুভূতিশীল হয়ে বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান বানাইছিল, সেও ওই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল। পরবর্তী সময়ে তো দেখেছিলেন ক্ষমতার ভাগাভাগিতে তাহেরের কী হয়েছিল? - শেখ সেলিম
৫. মুক্তিযুদ্ধ আমাদের ইতিহাসের একটি অংশ। কিন্তু জাসদের নেতা-কর্মীরা এই সফল মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছিল। বঙ্গবন্ধু দেশে ফেরার আগেই দেশকে ছিন্নভিন্ন করার চেষ্টা করেছিল।
তারা যদি বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার সমস্ত পরিবেশ সৃষ্টি না করত, তবে বাংলাদেশ একটি ভিন্ন বাংলাদেশ হত। - সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম
৬. অতএব, জিয়াউর রহমান কর্নেল তাহেরকে বিচারের মাধ্যমে ফাঁসি দিয়ে ভুল করেননি।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জুন, ২০১৬ রাত ৮:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



