
১. রাষ্ট্রনেতা হওয়ার পথে আরেক ধাপ এগুলেন তারেক রহমান। শেখ হাসিনার আমলে তিনি আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হলেন। এর আগে তারেক, কোকোর প্রতিটা রায়ের পর বি এন পি হরতাল ডাকতো। নিন্দুকেরা বলতো, খালেদা জিয়া দেশ রক্ষার চাইতে দুই ছেলের দিকে বেশী মনোযোগী। আল্লাহর ইচ্ছায় বি এন পি'র জন্য 'কোকো' কাঁটা দূর হলো। এখন আছে 'তারেক' কাঁটা। তবে এটা বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের জন্য কোন ব্যপার না। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নামেই তো চাঁদাবাজির মামলা আছে! বি এন পি ক্ষমতায় আসলে এসব মামলা যে কোন ডাস্টবিনে যাবে সেটাই দেখার বিষয়।
২. জামায়াতী বোকাদের মত বি এন পি এখন আর নেতার জন্য হরতাল দেয় না। কারণ, সবাই জানে, একটা হরতাল দেশের জন্য সামগ্রিক ভাবে ক্ষতি না হলেও ব্যক্তিপর্যায়ে(বিশেষ করে নিম্ণ আয়ের) অনেক ক্ষতি হয়। তাছাড়া হরতালের নামে অনেক হতাহতও হয় যা সাধারণ মানুষের উপরই হয়। পুলিশের মাইর(আবার থানা থেকে ছাড়া পেতে টাকা) আর জেলের ভয়ে এখন আর কোন নেতা কর্মীও রাজপথে থাকতে চায় না!
৩. বাংলাদেশের জন্য শেখ হাসিনা যে কয়েকটা ভালো কাজ করেছেন তার মধ্যে একটা হলো বাংলাদেশে 'হরতাল'কে কবর দেয়া। এই জঘন্য 'হরতাল' যে এখন আর কার্যকরী না সেটা রাজনীতিবিদরা অনেক আগেই টের পেলেও কেউ বলতো না নেত্রীদের মুখের দিকে চেয়ে। কিন্তু শেখ হাসিনা, পুলিশ, আর্মি দিয়ে অপরাধী, নিরপরাধী যারে পাইছে তারেই মাইর দিয়েছে আর জেলে পুরেছে। কারো এত হেডাম এখন নাই দলের জন্য জীবন দেয়ার। অনেকে বলে আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে গেলে হরতাল হবে আগের মত। কারণ, আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা হিংস্র। কিন্তু আমার তা মনে হয় না। কারণ, যে শিক্ষা আওয়ামী লীগ এখন দিচ্ছে বি এন পি-কে সেই শিক্ষাই বি এন পি কাজে লাগাবে ভবিষ্যতে(শেখ হাসিনার জীবিতাবস্থায় হয়তো নয়!।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুলাই, ২০১৬ রাত ৯:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


