বিএনপির অনশনে প্রস্তুত জলকামান-প্রিজনভ্যান
সারাদেশে খুন, গুম, অপহরণের ঘটনার প্রতিবাদে বিএনপির গণঅনশন কর্মসূচিকে ঘিরে জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ।
যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রেসক্লাবের গেটের সামনে ডিএমপির একটি জলকামান, এবং একটি প্রিজনভ্যান রাখা হয়েছে।
সারাদেশে খুন, গুম, অপহরণের ঘটনা এবং খালেদা জিয়াসহ বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে গণঅনশন পালন করছেন বিএনপি নেতারা। সকাল ৯ টায় শুরু হওয়া এ অনশন চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
======
গণতন্ত্রের এই রুপ বিশ্ব আর কোথাও দেখেছে বলে মনে হয় না। ১৫৪ আসনে অনির্বাচিত প্রতিনিধি নিয়ে গণতন্ত্রের চর্চার দাবী প্রহসন বৈতো নয়!
বিরোধি দলের আন্দোলন দমনের নামে স্বৈরাচারী কায়দায় দমন পীড়ন, জেল জুলুম, গণ-গ্রেফতার চলছে। এর মাঝে তারা স্বাভাবিক প্রতিবাদ কর্মসূচীর অনুমতি চাইলেও দিচ্ছেনা প্রশাসন! অনশনের মত আত্ম-কষ্ট দেবার মতো অহিংস কর্মসূচীতে তবে কেন জল কামান? প্রিজন ভ্যান!
দেশে চলমান গুম, কুন, অপহরনে স্ত্রস্ত দেশবাসীকে ভরসা না দিয়ে, নিরাপত্তার ব্যবস্থা না করে কেবলই বিরোধীদল দমনে ব্যস্ততা তাদের নৈতিক ভিত্তিহীনতাকেই আঙুলী নির্দেশ করে।
তাই তিস্তা কর্মসূচী নিয়ে সরকারের প্রগগলভতা সকলেই মূখ টিপে হাসে। তাই ভারতের প্রতি সীমাহীন নত হওয়ায় মানুষ ক্ষুব্ধ! চৌধূরী আলম থেকে শুরু করে নজরুর ইসলাম পর্যন্ত মানুষের জীবনের যে অনিশ্চয়তা তা আতংকিত করে সাধারন মানুষকে। আর তার প্রতিবাদ করতে চাওয়া গণতন্ত্রের নূন্যতম অধিকার।
সেই অধিকারেও গলাটিপে ধরে সরকার কি প্রমাণ করতে চাইছে তারা প্রকৃতই স্বেরাচার! হ্যা তারা তাই করছে।
এখন বিএনপি কি করবে? তারা জনগণের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি বিবেচনা করে যখন সুস্ঠু রাজণীতির বিকাশে অহিংস কর্মসূচী দেয়- তাতে পূর্ন অসহযোগীতা, দাড়াতে, বসতে না দেয়া, মাইক কেড়ে নেয়া থেকে ধরে-সকল কাজের সাথৈ সাথে সরকারে শেয়ালেরা হুক্কাহুয়া তোলে বিএনপি রাজনীতি বোঝে না, বিএনপি রাজপথের দল না! বিএনপি আন্দোলন করতে জানে না।!!!!
আবার যখন রাজপথে অগ্নিগর্ভ। সারাদেশ কার্যত বিচ্ছিন্ন, তখন তাদের আরেক সুর। বিএনপি দেশ ধ্বংস করে ফেলল। বিএনপি জনগণের জানমালের ক্ষতি করছে। তারা জনস্বার্থের বিরুদ্ধে!!!!! ব্লা ব্লা ব্লা!
মানুষ কি বোঝে? মানুষ সবই বোঝে। এবারের আন্দোলনে জল ঢেলেছে মূলত স্বার্থবাদী মিডিয়া। তাদের নিউজ,ভিউজ গুলো দেখলেই দেশ জনতার স্বার্থের চেয়ে দলে আর চেতনার স্বার্থ বা ভয়, বা প্রীতি ষ্পষ্ট!!!!
তাই শত শত মানুষকে পাখীর মতো হ্যথার পরও অনির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় বসে থাকলে তাদের সুশীল বিবেক নাড়া খায় না। অন্যদিকে চারদলীয় জোটের বাতাসেও গিট্টু লাগলে তা হয়ে যেত হেডলাইন। বিবেকবর্জিত এই লাল সাংবাদিকতার বলি আজকের দেশ!!!! তারা বুকে হাত দিয়ে বলুক তাদের পয়েন্ট অব ভিউ ছিল দেশ ও জনতা!!!!
গণতন্ত্র আজ কফিনে বন্দী। এই অচলাবস্থা উত্তরণে কোন পথ, আশা, আলো দেখা যাচ্ছে না।ক্রমশ চরমে ধাবিত হচ্ছে দেশ...................
এই চরম অবস্থায় পরিণতি দুইটা।
>> হয় এই জুলুম অত্যাচার সয়ে তেলাপোকার মতো বেচে থাক
>> নয় বিপ্লব করো। পূর্ণাঙ্গ বিপ্লব।
জনগণ তাদের নিরব বিপ্লব সম্পন্ন করেছে ৫ তারিখে ঘরে বসে থেকে প্রহসনের নির্বাচনে অংশ না নিয়ে। সরকারের নৃশংসতা, হত্যা, ব্যর্থতা, দূর্নীতি, স্বজনপ্রীতি সকল কিছুর প্রতি তাদের অনাস্থা জানিয়েছে-রক্তপাতহীন ভোট প্রত্যাখানের অভূত্থানের মাধ্যমে।
বাকী কাজটুকু কে করবে?
বিএনপি?
মিডিয়া?
আমজনতা?
নাকি অন্য কোন পক্ষ!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



