সংবিধান রক্ষার দোহাই দিয়ে ৫ জানুয়ারীর প্রহসনের নির্বাচনে ১৫৪ সিটে (১৫১হলে সরকার গঠন করা যায়) অনির্বাচিত, বিনা প্রতিদ্ধন্ধিতায়! ভোটার বিহীন )সদস্যদের নিয়ে- হযবরল তন্ত্রী সরকার ক্ষমতা গ্রহন করেছিল।
এক বছর পূর্তিতে বিএনপি স্বাভাবিক ভাবেই তাদের বিরোধিদলের দায়িত্ব এবং জনগণের মুক্তির পথ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সমাবেশ কর্মসূচি দেয়।
আমজনতাকে ভয় পাওয়া আওয়ামী সরকার সেই জনস্রোত ঠেকাতে আগের বারের মতো সরকারী ক্ষমতার সর্বোচ্চ স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবহার করে সারা দেশকে কার্যত অচল করে দেয়। বন্দুকের নলের মূখে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখে।
বিএনপির মৌলিক বিজয় এখানেই।
সরকারের বাগাড়ম্বর সর্বস্ব মিথ্যুক, বাচাল এবং প্রগলভ প্রতিনিধিরা যে সব বক্তব্য নিয়মিত দিয়ে যাচ্ছে তার জবাব নিজেরাই নিজেদের কর্ম দিয়ে দিয়েছে।
বিএনপির যদি জনপ্রয়তাই না থাকবে-
বিএনপির দাবী যদি অগ্রহযোগ্যই হবে -
তবে তাদের সমাবেশে এত ভয় কেন?
আমজনতার মূখোমূখি হতে ভয় কেন? কেন অস্ত্র আর বন্দুকের জোরে ক্ষমতায় বসে থাকার নেশা?
বেগম খালেদা জিয়াকে কাল থেকে কার্যত গৃহবন্দী করে রেখেও খৌদ সরকার প্রধান যে মিথ্যাচার করেছেন খালেদা জিয়া বের হবার চেষ্টা করে তা জাতির সামনে প্রমাণ করে দিয়েছেন।
আরেক মহারথি বিএনপির মহাসচিবকে গতকাল থেকে প্রেসক্লাবে কার্যত বন্দি করে রাখা হযেছিল। অনেক তান্ডব, ঘটনা, এবং দলান্ধতার কাছে মানবতার পরাজয়ের পর আজ প্রেসক্লাব থেকে বের হতেই ডিবি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়!
গ্রেফতার জেল জুলুম, বন্দুক আর অস্ত্রের জোরে কেউ কোনদিন ক্ষমতায় টিকতে পারে নি। পারবেও না। আমাদের নিকট অতীত যেমন শিক্ষা দেয়া, সারা বিশ্বেও তার নজির ভূরিভুরি!
সারা দেশের মানুষ আতংকে নিরব হয়ে আছে। তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিলে বোঝা যেত- বন্দুকের জোর কার কত বেশি ! অথবা তারা আসলে কি চায়?
চেতনা, রাজাকার আর ট্যাগিংবাজি দিয়ে যারা আওয়ামী স্ক্রীন সেভার বানিয়ে ভাবছেন স্বর্গে আছি চিরদিনের তরে- তাদের বন্ধ চোখে সত্যের পেপার স্প্রে পড়লেই ঘুম ভাংবে।
সবচে বেশী রাজাকার আত্মীয়তা করা আওয়ামী লিগের রাজাকার বিরোধীতা কি এই কারণে যে, তা নিজেদের অপকর্মকে ঢাকারই চেষ্টা!!!?
খোদ প্রধানের কণ্যার জন্য একজন রাজাকারের সন্তানই ছিল সারা দেশে?
তাদের আত্মীয় পরিজনে খুজুন ভুরি ভুরি রাজাকের বেয়াই, স্বজনের ভরপুর। তাই কি চোরের মার বড় গলার মতো তাদের কন্ঠে এত জোর!
আমজনতা সব বোঝে। দলন, পীড়ন গ্রেফতারে, বন্ধুকের নলের মূখে ক্ষমতায় থাকা যায় কিছুদিন-চিরদিন নয়। আর ইতিহাসেও ঠাই হয় কংলকের সাথেই। ৭২-৭৫ যেমন ছিল একদলীয় বাকশালে যার ফূর্নতা পেয়ছিল, আজও সেই তান্ডব চলছে সারা দেশে.. পত্রিকা টিভি চ্যানেল বন্ধ, গুম গ্রেফতার হথ্যা, জুলুম আর নির্যাতনে যেন ৫৬ হাজার বর্গমাইলের কারাগার হয়ে গেছে দেশ!
আজকের পর তাদের মূখে গণতন্ত্রের কথা বলার কোন অধিকার রইল না।
কারণ তারা গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দিলেন- আজ।
স্ব-নির্বাচিত, জনপ্রতিনিধিত্বহীন, একনায়কতন্ত্রের সমাপ্তির অপেক্ষায় আম জনতা।
নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্য্যশীলদের সংগী।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


