somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বেলফোর রোড টু কাশ্মীর ! : সভ্যতার ব্লাকহোলে সত্য, বিবেক, মানবতা!

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ফিলিস্তিন আর কাশ্মীর! যেন আয়নার একই পিঠ!
একটার ভাগ্য নিধ্যারিত হয়েছিল একশ বছর আগে ১৯১৭ সালে; আর অন্যটি অতি সম্প্রতি ২০১৯ এ!
বর্তমানকে বুঝতেই তাই অতীতের সিড়িঘরে উঁকি দেয়া। পুরানো পত্রিকার ভীরে যেন হিরের দ্যুতিতে চমকাচ্ছেে সত্য ইতিহাসের নিমর্ম
সত্য পাঠ লয়ে।
”২০১৭র অক্টোবরের শেষে এক সন্ধ্যায় লন্ডনে সিনেমাটির প্রথম শো হয়েছিল, যাকে বলে ‘প্রিমিয়ার’। দর্শকরা সকলে অভিভূত। বিস্মিতও। এত সাংঘাতিক কথাটা যে এত সহজ ভাবে বলা যায়, কেউ কল্পনা করেননি। সিনেমায় দেখা গেল একটি ব্রিটিশ পরিবারের কাহিনি, যাঁদের পদবি ‘জনি’। জনি-দের কাছে এক সকালে সরকারী নোটিশ এসে পৌঁছল যে, তাঁদের বাড়ি তাঁদের ছেড়ে দিতে হবে, এখন থেকে বাড়ির ব্যাকইয়ার্ডে তাঁদের থাকতে হবে, ওই বাড়িটির বাসিন্দা হবেন স্মিথ পরিবার। সরকারি আদেশক্রমে স্মিথেরা এসেও গেলেন যথাসময়ে, জনিরা বাক্সপ্যাঁটরা নিয়ে ব্যাকইয়ার্ডে মাথা গুঁজলেন। ক্রমে দেখা গেল, জনি পরিবারের জন্য কারও কোনও মাথাব্যথা নেই, রাষ্ট্রিয়, সামাজিক কিছুমাত্র বন্দোবস্ত নেই, তাঁরা খাবার-দাবার পান না, স্কুলকলেজ যেতে পারেন না, অসুখ হলে ওষুধবিষুধও পান না, সব রকম নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। কাউকে কিছু বলার জায়গাও নেই, কেননা তাঁদের নাগরিকত্বই নেই। ব্রিটেনের সঙ্গে পুরো দুনিয়া মেনে নিয়েছে, এ ভাবেই তাঁদের জীবন কাটাতে হবে, আর তাঁদের এত দিনের সাধের ঘরবাড়ি জুড়ে বিলাসে ব্যসনে বাস করবেন স্মিথেরা।— সিনেমাটির নাম? ‘ব্যালফর রোড’।”

এভাবেই প্রবন্ধটির দারুন চমকানো শুরু করেছেন। লেখক। চুম্বকের টানে পাঠককে ধরে রাখার দারুন সক্ষমতায়।

পৃথিবীর অন্যতম দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ‘ব্যালফর ডিক্লারেশন’ ও ইজরায়েল-প্যালষ্টাইন সমস্যার উৎসকে এই ভাবে একটা পাশের বাড়ির গল্পের মধ্য দিয়ে তুলে ধরাটা সত্যিই অসাধারণ। ব্যালফর ডিক্লারেশনের শতবর্ষ উদ্যাপনের অংশ হিসেবেই এই ছবির প্রদর্শন। এ ঘটনা অনেকেই জানি, তবু চেনাশোনা সাহেবসুবোর নাম দিয়ে ঘটনাটা বর্ণনা না করলে আমাদের মাথায় ব্যাপারটা ঠিকমত ঢোকে না। ‘আমাদের’ তো এটাই মুশকিল। বিপদটা ‘আমাদের’ না হয়ে ‘ওদের’ হলে বিপদের চরিত্র বা গুরুত্ব আমরা কিছুতেই বুঝতে পারি না!

সে দিন ওই ফিল্মের দর্শকরা সকলেই মনেপ্রাণে ইজরায়েল-বিরোধী, প্যালেষ্টাইনের সমর্থক, না হলে ফিল্ম শো-টির ধারও মাড়াতেন না তাঁরা। ঠিক যেমন, আজ, ব্যালফর ডিক্লারেশনের শতবর্ষ পালনে যখন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে-র ডাকা ডিনারে ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বিনইয়ামিন নেতানিয়াহু এবং অন্যান্য অভ্যাগতরা ঘর আলো করবেন, গোটা শহর তখন ফেটে প়ড়বে আন্দোলনে বিক্ষোভে। দাবি উঠবে, ডিনার না খেয়ে ব্যালফরের হয়ে ক্ষমা চাক ব্রিটেন। বিরোধী লেবার নেতা জেরেমি করবিন ডিনারের আমন্ত্রণ উপেক্ষা করে প্রতিবাদ জানাবেন। আজও এতটাই তীব্র রাজনৈতিক, সামাজিক, নৈতিক বিভেদ এই বিষয়কে ঘিরে। এতটাই আক্রমণ, এতটাই রক্তক্ষরণ প্যালেষ্টাইনের নামে। আর এই সব কিছুরই সূচনা— একশো বছর আগে, ২ নভেম্বর ১৯১৭, ব্রিটিশ ফরেন সেক্রেটারি লর্ড আর্থার জেমস ব্যালফরের লেখা চিঠি: ব্যালফর ডিক্লারেশন।



ব্রিটিশ জিউইশ কমিউনিটির নেতা লর্ড রথসচাইল্ডকে সম্বোধন করা ওই চিঠিতে ছিল ৬৭টি মাত্র শব্দ। কিন্তু ওই কয়েকটি শব্দই এক পৃথিবী আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট! প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলছে তখন। অটোমান তুর্কিরা হেরে গেলে মধ্য-পশ্চিম এশিয়ার ভাগাভাগিটা কেমন হবে, বুঝতে না পেরে তখন হিমশিম খাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী ডেভিড লয়েড জর্জের ব্রিটেন, ক্লেমেন্সুর ফ্রান্স আর প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসনের আমেরিকা। রাশিয়াও দলে আছে, তবে এমনই কপাল, রুশ বাহিনীর অবস্থা সেই সময় সঙ্গিন। তাদের দেশে তখন রুশ বিপ্লবের বিধ্বংসী উত্থান, মাত্র ক’দিন পর ৭ নভেম্বর রচিত হবে দুনিয়া-কাঁপানো ইতিহাস। এরই মধ্যে মনে হল, জায়নবাদী অর্থাৎ ইহুদি গরিমার ধ্বজাধারীদের তুষ্ট করে পশ্চিম এশিয়ায় প্যালেস্তাইন অঞ্চলটা কবজা করলে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রভূত লাভের সম্ভাবনা। সুতরাং, আর দেরি নয়। ইহুদিদের ‘বঞ্চনা’র প্রতিকারে যাঁরা ইহুদি বাসভূমি চাইতেন, সেই জায়নবাদীদের ‘হোমল্যান্ড’ দাবি মেটাতে এ বার তাঁরা উঠে-পড়ে লাগলেন। অত্যন্ত দ্রুততায় তৈরি হল পরিকল্পনা: তারই প্রথম রূপ মিলল ব্যালফরের চিঠিতে।



ইহুদি হোমল্যান্ড? কোথায় সেটা? কেন, বাইবেল-কথিত ‘হোলি ল্যান্ড’ অর্থাৎ জেরুসালেম -এর চেয়ে ভাল জায়গা আর কী? যদিও তখন তার নাম প্যালেষ্টাইন, যদিও তখন সেখানে একগাদা অন্য ধর্মের মানুষ, তাতে কী, সেখানেই হোক ‘ন্যাশনাল হোম ফর দ্য জিউইশ পিপল’! যদিও অন্য লোকগুলো সংখ্যায় বহু বেশি, মোট অধিবাসীর ৯০ শতাংশ, তাতেই বা কী! ব্যালফর বলে দিলেন, ইহুদি বসবাসের ঢালাও ব্যবস্থা হোক, শুধু ‘অ-ইহুদি’গুলির বেশি ঝামেলা না হলেই হল।

না, ঝামেলা আর কিসের! শুরু হল হোমল্যান্ড তৈরির ‘ঝামেলাহীন’ পদ্ধতি, ব্রিটিশ সেনার বন্দুক-বেয়নেটের খোঁচায় ৯০ শতাংশকে নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে উৎখাত হতে হল ১০ শতাংশের জন্য, স্মিথদের জন্য জনিদের যেমন করতে হয়েছিল। যুদ্ধ নয়, জাতিদাঙ্গা নয়, কেবল ঠান্ডা মাথার ঔপনিবেশিক ছক— নিজ ভূমি থেকে উচ্ছেদ হল কয়েক লক্ষ ফিলিস্তিনি মুসলমান। দলে দলে ইহুদিরা আসতে শুরু করল নানা দেশ থেকে। নাৎসি ভয়ংকরতার পর বেড়ে গেল নব বাসিন্দাদের ঢল, বেড়ে গেল ইহুদিদের প্রতি বিশ্বজোড়া সহমর্মিতা। ইহুদি-অনুকম্পা প্রবাহের মধ্যে সর্বৈব চাপা পড়ে গেল ফিলিস্তিনিদের অবর্ণনীয় দুরবস্থা, তাঁরা যেন ইতিহাসের বলিপ্রদত্ত। ‘ওয়ান নেশন সলেম্নলি প্রমিসড্ টু আ সেকেন্ড নেশন দ্য কান্ট্রি অব আ থার্ড’: ব্যালফর নথি নিয়ে আর্থার কোয়েসলারের অবিস্মরণীয় সেই উক্তি। অসামান্য আত্মদম্ভে ভরপুর এক রাষ্ট্র জন্ম নিল ক্রমে, ১৯৪৮ সালে, যার নাম ইজরায়েল, জাতিবিদ্বেষ যার পরতে পরতে প্রোথিত। ফিলিস্তিনিদের জন্য পড়ে রইল কেবল নির্যাতনের বাস্তব, বাস্তবের প্রতিবাদ, প্রতিবাদের সংগ্রাম, সংগ্রামের সন্ত্রাস— প্রজন্মের পর প্রজন্ম।

এক দিক দিয়ে দেখলে ব্যালফর নিমিত্তমাত্র, ইহুদি হোমল্যান্ড তৈরি বৃহত্তর ইতিহাসেরই এক আবশ্যিক ফল। তবু, অন্য দিকটা, মানে, ব্যালফরের চিঠি ও ব্রিটিশ সরকারের ভূমিকাটাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার কুৎসিততম অধ্যায় এই ব্যালফর ডিক্লারেশন। যে অমিত স্পর্ধা আর অলজ্জিত জাতিবিদ্বেষ এই একটি ঘটনার পিছনে রয়েছে, তাতে বলাই যায় যে এমন সচেতন সুপরিকল্পিত অন্যায় মানব-সভ্যতার ইতিহাসে বেশি ঘটেনি। ব্যালফর-এর চিঠির খোঁচায় অত বড় একটা মুসলিম সভ্যতা ‘অ-ইহুদি’ অভিধার অসম্মানজনক কোটরে নির্বাসিত হয়ে গেল, মানুষগুলি আর কোনও দিন ‘পিপল’ বলে স্বীকৃত হতে পারল না, কেননা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের ভাষায় ইজরায়েল হল, ‘আ ল্যান্ড উইদাউট আ পিপল ফর আ পিপল উইদাউট আ ল্যান্ড।’ ১৯৪৮ থেকে ১৯৬৭, ১৯৬৭ থেকে ২০১৭: হয় রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, নয়তো অলক্ষ্য আগ্রাসন— ইজরায়েল ক্রমে নিজেকে বিশ্বের অন্যতম মহাশক্তিধর দেশ হিসেবে মেলে ধরল। তার পিছনে আশ্বাস ও আশ্রয়ের পাখা মেলে দাঁড়িয়ে রইল খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন। কার সাধ্য ইজরায়েলকে চটায়! আজও তাই হাতে-গোনা কয়েকটি দেশ ছাড়া কেউ প্যালেস্তাইনের অস্তিত্বটুকু মানতে রাজি নয়। ব্রিটেন তো নয়ই।
ব্যালফর বন্দোবস্তের লকলকে শিখায় আজও পুড়ে খাক হচ্ছে সিরিয়া থেকে ভারত মহাসাগর পর্যন্ত মধ্য এশিয়ার বিস্তীর্ণ ভূমি, তার গনগনে আঁচ ছড়িয়ে পড়ছে অস্ত্রের শাণিত ঝলকে, আজীবন প্রতিশোধের রক্তাক্ত শপথে। ”

ফিচার পাঠ শেষে স্মৃতি চারণের রেশ শেষ হতে না হতেই, ভাবনার দু:খ বোধের বাষ্প না শুকাতেই মনে পড়ে গেল আরেক ভয়াবহ ঘোষনার কথা। যার ভিত্তিতে রচিত হতে চলছে আগামী কাশ্মীর রোড মুভির স্ক্রিপ্ট। পৃথিবীর ইতিহাসে বোধকরি আরেকটা একই রকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলো আগষ্ট ২০১৯ এ। ভারতীয় সংসদে ৩৭০ ধারা বাতিলের মাধ্যমে নিজভূমে পরবাসী বানানো হলো কাশ্মীরিদের। পুনরাবৃত্তি বুঝি ঘটতে চলেছে কাশ্মীরে ফিলিস্তিনি বাস্তবতার! অবরুদ্ধ কাশ্মীরের খবর জানতে পারছে খুবই কম! কারফিউর বিভিষিকায় পার করলো ঈদ! কি ঘটছে ভেতরে? ছিটেফোটা যা আসছে তাতেই পিলে চমকে ওঠার অবস্থা। আমাদের একাত্তরের ২৫ শে মার্চের কালো রাতকে যেন স্মরন করিয়ে দেয়।

এর শান্তিপূর্ণ সমাধানে জাতিসংঘকেই শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে হবে। যেমন তারা রেখেছিল পূর্ব তিমুর ইস্যুতে। প্রসংগত: স্মরণ করতে হয় পূর্ব তিমুরের কথা। ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত এ দ্বীপটি পর্তুগাল এর একটি উপনিবেশ ছিলো। ১৯৭৫ সালে ইন্দোনেশিয়া এ দ্বীপটি দখল করে নেয়।সেই থেকে দ্বীপটি তে চরম সহিংসতা উত্তেজনা ও অসন্তোষ বিরাজ করছিলো। অবশেষে ১৯৯৯ সালের ৩০ আগস্ট জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে স্বাধীনতা প্রশ্নের গণভোট অনুষ্ঠিত হয় এবং গণভোটে ৭৮.৫% ভোট স্বাধীনতার পক্ষে যায়। এবং তারা স্বাধীনতা লাভ করে জাতিসংঘেরই তত্ত্বাবধানে।

অথচ এই একই দাবী এবং একই অধিকারের ক্লজ নিয়ে কাশ্মীরি জনগন ভুগছে ১৯৪৮ সাল থেকে। গণভোটের মাধ্যমে তাদের মতামত প্রকাশকে বারবার টুটি চেপে ধরছে অধিকৃতরা। গণভোটে স্বভাবতই তারা স্বাধীনতাকেই বেছে নেবে এই ভয়েই চলছে দমন-পীড়ন নীতি। যদিও বারবার বিভিন্ন সরকার ৩৭০ ধারায় জোর দিয়ে তাদের নিজেদের সাথেই রাখতে তৎপর ছিলেন। কিন্তু তাদের মনের কথা কি তা কেউ ইচ্ছা করেই জানতে চায় নি। আর আজতো সর্বাত্বক দখলদারিত্বে নিজেদের আগ্রাসী রুপটাই প্রকাশ করে ফেললো।


পূর্ব তিমুরে যেভাবে গণভোটের মাধ্যমে জনগনের মতামতের ভিত্তিতে তাদের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল, তেমনি গণভোটের মাধ্যমেই সমাধান হয় তো ভালো; না হলে আত্মনিয়ন্ত্রনাধিকার রক্ষায় বা স্বাধীনতা অর্জনে সম্ভবত সর্বাত্বক যুদ্ধ ছাড়া কাশ্মীরিদের সামনে আর কোন রাস্তা খোলা নেই।

ফিলিস্তিন থেকে কাশ্মীর, আরাকান থেকে উইঘুর সহ এমন সকল সমস্যার একটা সুন্দর সমাধান হোক। বেলফোর ডিক্লারেশনের বিষফলের বাস্তবতায় বিশ্ব বিবেক জেগে উঠুক । সমাপ্ত হোক একটা স্বাধীন দেশের নাগরিকদের গ্লানিকর, পরাধীন জীবনের। মানবতার বানী শুধু সেমিনারে না আউরে বাস্তবতার মাটিতে ন্যায়, ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা পালন করুক বিশ্ব বিবেক।

একই সাথে স্ব-দেশের ইনভিজিবল ডেমোক্রসিকে ভিজিবল করার জন্যেও জেগে উঠুক আমাদের চেতনা। সত্য বলতে ব্যান খেয়ে থাকা নয়, গুম খুন আতংক নয়, স্বাধীনতার প্রকৃত চেতনায় বাঁচার অধিকার নিশ্চিত হোক ১৮ কোটি নাগরিকের। রোহিঙ্গারা ফিরে পাক মাতৃভূমি। কাশ্মীর ফিরে পাক জাতিসংঘ ঘোষিত ন্যায় ন্যায্য অধিকারের গণভোট। তাদের স্বাধীন সার্বভোম দেশ। বিশ্বের সকল মানুষ তার ন্যায় সংগত ন্যায্য অধিকার নিয়ে বাঁচুক সুন্দর এ পৃথিবীতে।

সম্পাদিত, সংযোজিত, পরিমার্জিত
কৃতজ্ঞতা মূল লেখক:
সেমন্তী ঘোষ, ভারতীয় কলামিস্ট
তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার, গুগল, উইকি, বিবিসি বাংলা।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫২
২৩টি মন্তব্য ২২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আধ্যাত্মিক

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:৩৩



আধ্যাত্মিক শব্দের বাংলা অর্থ সম্পর্কে জানবো। আধ্যাত্মিক শব্দের বাংলা অর্থ কি?
উত্তর: - আত্মা হইতে আগত; ধর্ম বিষয়ক, ব্রহ্ম বিষয়ক।

সহজ হিসাব। আধ্যাত্মিক নিয়ে বড় সর গল্প মালা বিজ্ঞানের সাথে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাহ! নিভে যাচ্ছি মোমবাতির মতন!

লিখেছেন জাহিদ অনিক, ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:১৮



কীসব যেন নেই, আবার যেন কী কী দেখেছি-
পেয়েছি, হয়ত পেতে চলছি!
কিংবা হারিয়েছি সে ঘোর কাটেনি।

পৃথিবীর মধ্যে এসে আমি পৃথিবী খুঁজে বেড়াচ্ছি,
এই জনপদে!
নিজেকে জানি -
এসব ভাব, অভাব: সব... ...বাকিটুকু পড়ুন

সু চির বক্তব্য নিয়ে ব্লগাররা যা ভাবছেন

লিখেছেন রাজীব নুর, ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৩০



যিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা করা মানুষ, যিনি শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পেয়েছেন তিনিই কিনা আজ নির্যাতিতদের বিরুদ্ধে দাড়িয়ে অসত্য বক্তব্য দিচ্ছেন। সুচি সামরিক শাসকের পুতুল।এমন নিকৃষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধীর কঠোর বিচার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইফ ইন্ডিয়া ওয়াজ নট ডিভাইডেড, জিন্নাহ উড বি অনলি ফাদার অব হিজ ওন চিল্ড্রেন

লিখেছেন সায়েমুজজ্জামান, ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৩২

আমি কোরিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্ডাষ্ট্রি অ্যান্ড ট্রেড পলিসি বিষয়ে পড়ছি। একই বিষয়ের আগের ব্যাচের আফগান ছাত্র আবদুল হামিদ নজরি। তিনিও আফগানিস্তানের সরকারি কর্মকর্তা। আমাদের দেখা হয় ডরমিটরির হালাল কিচেনে। কথায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেকুব (ও দুষ্ট) বন্ধুর চেয়ে শিক্ষিত শত্রু ভালো

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৩



বেগম জিয়া সবচেয়ে কম-শিক্ষিত ও কম-বুদ্ধিমান মানুষ, যিনি আধুনিক যুগে, মুক্তিযুদ্ধে-জয়ী একটি জাতিকে অনেকটা একজন রাণীর মতো চালায়েছেন প্রায় ৩৫ বছর; এটা রূপকথার রাণীদের চেয়েও বড় ধরণের মীথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×