somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সমশের
অসত্য, আমানবিকতার বিরুদ্ধে সমালোচনায় অপ্রতিরোধ্য। আস্তিক, তবে বাড়াবাড়ী অপছন্দ। কোমল, কিন্তু নৈতিকতার ক্ষেত্রে কঠোর। চাওয়া একটাই, প্রাণের জন্মভূমিটা হোক সুন্দর ও শান্তিময়। আনন্দে ভরে ঊঠুক সবার প্রান।

মৃত্যুপথযাত্রী বিএনপিঃদায় কার ১-মাহবুব সুয়েদ

০৯ ই মে, ২০১৫ বিকাল ৪:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ডান-বাম নিয়ে মধ্যপন্থার স্লোগান নিয়ে পোড় খাওয়য়া রাজনীতিবিদদের নিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কতৃক প্রতিষ্টিত দল বিএনপি।১৯৭৫সালে বঙ্গবন্ধুর ওপর ভর করা সুবিধাবাদি গুস্টির প্রভাবে যখন একদলীয় বাকশাল চালু হয়ে যায় সেই প্রেক্ষাপটে এর মাত্র কিছু দীন পরে ই জাতীর বৃহৎ প্রয়োজনে ৭ই নভেম্বরের বিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতার কেন্দ্রে চলে আসা মেজর জিয়া কতৃক প্রতিস্টিত দলটি যদিও ক্যান্টনমেন্টের গর্ভে জন্ম তথাপি গনতান্ত্রিক উত্তরনের পথে এই দলটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ছিল এবং আজও তা বিদ্যমান।প্রতিস্টাকালীন সময়ে একদিকে যেমন পোড়খাওয়া নেতাদের সম্মিলন ঘটেছিল অপরদিকে অরাজনৈতিক বিভিন্ন পেশায় সক্রিয় আর সফল পেশাজীবিদেরও সমাবেশ ঘটেছিল দলটিতে।শহিদ জিয়ার দেশব্যাপী চশে বেড়ানো আর নানাগনমুখি কর্মসুচির মাধ্যমে দলটি তার জীবদ্দশায়ই মাত্র কয়েক বছরের মাথায় জনপ্রিয়তার মিনারে পৌছে যায়।জিয়া নিহত হলে এবং ক্ষমতার পালাবদল এরশাদের হাতে পৌছে গেলে বিভিন্ন দলছুট নেতা যারা বিএনপির ছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিল তারা সময়ের ব্যবধানে এরশাদের আশ্রয়ে চলে যায়।কাজী জাফর বাঁ মওদুদরা প্রধানমন্ত্রীর আসন পর্যন্ত দখল করে ফেলে এরশাদকে তৈল মর্দন করতে করতে।'বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ' আদর্শকে ধারন করে গড়ে উঠা বিএনপিতে নির্দিষ্ট কোন আদর্শের অভাব থাকলেও জিয়াউর রহমানের ইন্তেকালের পরে তার আদর্শ আর সাচ্চা জাতীয়তাবাদকে গ্রহন করে যুবা-তরুনদের মাজে একটা গ্রুপ গড়ে উঠেছিল ততদিনে।জিয়া নিহত হলে আর হালুয়াভুগি বেঈমানরা এরশাদের কাছে নিজেদের সতিত্ব বিকিয়ে দিলে সময়ের প্রয়োজনে মরহুম কে এম ওয়বায়েদ,অধ্যাপক বি চৌঃ,কর্নেল অলি,ব্যরিষ্টার হুদাদের উদ্দোগে জিয়া পত্নি বেগম খালেদাকে গৃহবধু থেকে রাজনীতির ময়দানে নিইয়ে আসা হয়।জিয়ার প্রতি আপামর জনসাধারনের ভালোবাসা আর বেগম জিয়ার অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে অল্পদিনের মাজেই বিএনপি ঘুরে দাঁড়ায় এবং বলতে গেলে আরো জনপ্রিয় হয়ে উঠে বিশেষ করে ছাত্র সমাজের কাছে।ঢাবিতে গড়ে উঠে 'ছাত্রদলের' তীর্থস্থান এবং তৈরি হয় দুদু,নিরু,বাবলু,অভি,রিপ,মিলন,ইলিয়াস রিজভীদের মত নাম না জানা অসংখ্য ছাত্রনেতার।মেনন/মতিয়া বাঁ তোফায়েলরা যেমন ৬৫/৬৯এ আইয়ুবশাহীকে নাড়িয়ে দিয়েছিল তেমনি স্বাধিন বাংলায়ও ছাত্রদল এরশাদশাহীকে হটিয়ে দিয়ে ঘুমন্ত বিএনপিকে ক্ষমতার মসনদে নিয়ে আসে।ততদিনে বিএনপি নেতারাও রাজনীতির পাকা খেলোয়াড়ে পরিনত হয়ে গেছেন ার ৯ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে বেগম জিয়াও হয়ে উঠেছেন আপোষহীন নেত্রি।সদ্য ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত জাপা,আওয়ামীলিগ আর জামাতকে বিরুধীপক্ষে রেখেও বেগম জিয়ার প্রথম সরকারের পাচবছরের শাসন ছিল অনেক গনতান্ত্রিক আর নৈতিকতাপুর্ন।সুপরিচিত রাজনীতিবিদরা ই দল এবং সরকারে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন তখন।বাঘা বাঘা নেতাদেরকে নিয়ে বেগম জিয়া অনেকটা সুন্দর ভাবে সরকার পরিচালনা করেন।কিন্তু সুবিধাবাদী গোস্টি ততদিনে আবার বিএনপিতে ফিরে আসতে শুরু করে আর কৌশলে ত্যাগি আর জাতীয়তাবাদের মন্ত্রে উজ্জীবিত নেতাদের খালেদার বিরাগভাজন করার চক্রান্ত শুরু করে দেয় এবং ছাত্রদলেও আভ্যন্তরীন কোন্দলকে উস্কে দেয়।ইলিয়াসকে জেলে নেয়া হয় অভিকে দল করতে দেয়া হয়নি আর কিংবদন্তী সানাউল হক নিরুকেও দল থেকে বের করে দিয়ে মুলত ছাত্রদলকে দুর্বল করে দেয়া হয়।একদিকে ক্ষমতালোভীদের অপচেষ্টা অপরদিকে ষড়যন্ত্রের মধ্যদিয়েও দলটি চলতে থাকে আপন মহীমায়।।(চল
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=পাতার ছাতা মাথায় দিয়ে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৯


মনে আছে ছেলেবেলায়
ঝুমঝুমিয়ে বৃষ্টি এলে,
পাতার ছাতা মাথায় দিয়ে
হাঁটতাম পথে এলেবেলে।

অতীত দিনের বৃষ্টির কথা
কার কার দেখি আছে মনে?
শুকনো উঠোন ভিজতো যখন
খেলতে কে বলো - আনমনে?

ঝুপুর ঝাপুর ডুব দিতে কী
পুকুর জলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

তালেবান ঢাকায়, রাষ্ট্র ঘুমায়

লিখেছেন মেহেদি হাসান শান্ত, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৩২

জুলাই অভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশে অনেক কিছু নতুন হইছে। নতুন সরকার, নতুন মুখ, নতুন বুলি। কিন্তু একটা জিনিস খুব চুপচাপ, খুব সাবধানে নতুন হইতেছে, যেইটা নিয়া কেউ গলা ফাটাইতেছে না। তালেবানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মেড ইন বাংলাদেশ ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:২২


দেশপ্রেমের সংজ্ঞাটা আমাদের দেশে ঋতুভেদে বদলায়। তবে ২০২৪-এর জুলাই পরবর্তী সময়ে আমরা এক নতুন ধরনের সিজনাল দেশপ্রেম দেখলাম। একে বলা যেতে পারে "রিটার্ন টিকিট দেশপ্রেম"। যারা দেশে বিদেশে আরাম-আয়েশে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের কৃষি আধুনিকায়ন রোডম্যাপ: একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিপত্র রূপরেখা : পর্ব -১ ও ২

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:১১


প্রস্তাবিত রূপরেখা: কৃষিকে জীবিকানির্ভর খাত থেকে প্রযুক্তিনির্ভর, জলবায়ু-সহনশীল
ও বৈশ্বিক বাজারমুখী বাণিজ্যিক শিল্পে রূপান্তরের জাতীয় কৌশল প্রস্তাবনা ।

বাংলার মাঠে প্রথম আলোয়
যে ছবি আসে ভেসে
কাঁধে লাঙল, ঘামে ভেজা মুখ
কৃষক দাঁড়ায় হেসে।

সবুজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনি ধার্মিক না মানুষ?

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:০৮

ধার্মিক হওয়া কোনো কাজের কথা নয়।
ধার্মিক হওয়া সহজ। বিজ্ঞানী হওয়া সহজ কথা নয়। পিএইচডি করা সহজ কথা নয়। সেই তুলনায় কোরআন মূখস্ত করা সহজ। জন্মগত ভাবে আমি বাপ মায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×