মহাগ্রন্থ
বিদ্যাগুরু আরফান
যেখানে সুযোগ পান
বিদ্যার সূধা করেন পান।
শুনেছি লোক মুখে
তার অনেক জ্ঞান,
আরও জ্ঞান সন্ধানে
নীরবে করেন ধ্যান।
মহা মূল্যবান বহু গ্রন্থ
তার সঞ্চয় ভান্ডারে,
বিদ্যান লোক হন তিনি
তার সান্নিধ্য যে লাভ করে।
পুশি বুক ভরা স্বপ্ন
বিদ্যান হব,
পদধূলি নিতে তার
সহচার্যে যাব।
অচেনা পথে, খাতা হাতে
সঙ্গে কলম ছ’খান,
চললাম সেথায়
গুরা থাকেন যে স্থান।
চলছি পায়ে হেটে
এক জনের সাথে দেখা পথে,
ণে দৌড়ে ণে হাটে
কভূ হাসে মিটমিটে।
জিজ্ঞেসিলাম ব্যাপারটা কী
ভাই হে ?
কোন আনন্দে চিত্ত ফাটে !
কহিল লোক দেখা গুরুর সাথে
আমিও তার সমান
পেয়েছি আসমুদ্র জ্ঞানের সন্ধান।
দিয়েছেন ধরিয়ে হাতে
আমিও এনেছি সাথে,
যাহা অতি মূল্যবান।
তাকাই আপাদমস্তকে
নেই কিছু সাথে
শুথু একটি বই হাতে
হাসি মুচকী, হই আগুয়ান।
খানিক পরপর একের পর এক লোক
বোবা আনন্দে চিত্ত ফাটে,
তাদেরও আছে একটি বই হাতে।
জিজ্ঞেসিলাম ব্যাপার কী হে ?
উত্তরে তারা নদীর ঘাটে
দেখা পাই গুরুর সাথে,
হয়েছি বিদ্যান
সাথে পেয়েছি মহাগুরু
হওয়ার সন্ধান
সঙ্গে এনেছি , যাহা অতি মূল্যবান।
আমিতো মহা খুশি
গুরুর সন্ধান পেয়েছি,
অবশেষে পৌঁছি, যেথায় নদী।
মনে হল নির্জন
তবুও পাই একজন
সুধাই ওহে, গুরু কে ?
যার নাম আরফান।
বলুন শুনি কী প্রয়োজন ?
কেন করছেন তার সন্ধান ?
বড় আশা, বুকে বেধেছে বাসা
হব বিদ্যান,
বহুদূর থেকে এসেছি হেটে
দেখাবেন কী তাকে ভাইজান।
আজ্ঞে হ্যাঁ, আমি আরফান
হতে চাইছি তাহা, আপনি যাহা
করছেন সন্ধান !
তবে পেয়েছি খোঁজ
পড়ি রোজ, ভরে মনোপ্রাণ।
কদম ছুয়ে ধুলি নিয়ে
করলাম প্রণাম,
বিদ্যাগুরু দাওনা আমায়
সেই জ্ঞান, যা মহামূল্যবান।
সেথায় আছে যাহা
পড়ব তাহা
হব জ্ঞানবান।
যদি চাও সেই সূধা করতে পান
তবে যাও, পবিত্র হয়ে নাও
করে আস স্নান।
হলাম পবিত্র করে স্নান,
ছোট্র একটি বই
গুরু মোরে করেন প্রদান।
এক নজর পড়ে দেখি
জ্ঞানের আলো দেয় উকি
সত্যি তাহা মহামূল্যবান,
যাতে লেখা ‘আল-কোরআন’।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

