somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এন ইডিয়ট ইন লাভ!!! (তিন)

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ৯:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
(এই সিরিজের পোস্টগুলা শুধু বিনুদনের জন্য! জিন্দা কিম্বা মুর্দা কারুর সাথে কাহিনী মিল্লা গেলে কেউ দায়ী নহে!!!)




(আগের পুস্টের পর............। )
ওখানে থাকার দ্বিতীয় দিনে বড় আপু (টিচার আপু) আসল আমার রুমে। তারপর আমারে কয় আমার একটা ছোট ভইন আছে নাম (রিডাক্টেড), এইটে পড়ে। অরে পড়াইতে পারবা নাকি? আমি সরাসরি কইয়া দিলাম না। একে তো আমার একাডেমিক অবস্থা খারাপ, কাউরে কুনো দিন পড়াই নাই তার উপ্রে নাকি মাইয়া! আমি তো মনে মনে সুরা ইয়াসিন পইড়া সিনায় ফুক দিতাছি! আর মনে মনে কইতাছি, আল্লা তুমি আমারে এই জমিনি বালা থেইকা বাচাই দাও। শফিক রেহমানের মৌচাকে ঢিল পইড়া বাড়িওয়ালার মাইয়া আর ভাড়াটিয়ার মদ্যে যে বায়ো-কেমিক্যাল রিয়াকশন হয় সেইটা জানতাম! সো আল্লারে ডিল অফার করলাম তুমি আমারে বাচাই দিলে দুই টাকা ফকিররে দিমু। আল্লাহ ওইদিন মনে মনে নির্ঘাত হাস্তেছিল, আর মনে মনে কইতেছিল কি বেকুব!!! যাইহোক উনি আর আমারে আর বেশি চাপাচাপি করেন নাই।

তাঁর পরদিন কোচিং যামু, রুম থেইকা সাইকেল বাইর করতেছি এরকম সময় দেখি এক মাইয়া! স্কুল ড্রেস পইড়া বাসায় ঢুকতাছে।আমি তো জাগার মধ্যে হা কইরা দাড়াই পড়লাম। মানে মুভিগুলার মধ্যে যেরকম হয় আরকি। মাইয়া আমার সামনে দিয়া চুপচাপ হাইটা চইলা গেল ঊপ্রের তলায়।
আর আমার অবস্তা তখন এরকম......।

আমার বলার কিছু ছিল না...। না গো...। আমার বলার কিছু ছিল না! চেয়ে চেয়ে দেখলাম তুমি চলে গেলে...।

যাইহোক, ওইদিন কোচিং এ আর কি পড়া হবে! তাড়াতাড়ি বাসায় চলে আসলাম। কুনো কিছুতেই মন বসেচ্ছিল না। নিজেই নিজের মাথার চুল ছিড়েচ্ছিলাম। ক্যামনে?? ক্যামনে আমি এত্তবড় ভুলটা করতে পারছিলাম? অফারটা সরাসরি না কইরা দিয়া যে কি ভুলটা করছি!!! জয় ভাই (CCNY) শুনলে নির্ঘাত কইত “ক্যামনে পারলা ম্যান?”

মাথা তো পুরাই বিলা! কিন্তু করার কিচ্ছু নাই! আমার রুমটা মেইন গেঁটের সামনে হওয়াতে মাইয়া আমার সামনে দিয়াই স্কুলে যাইত আর সামনে দিয়াই আসত। এক সপ্তাহের মধ্যে অর স্কুল যাওয়ার রুটিন মুখস্থ! ওই সময় আমারে কেউ নড়াইতে পারে! আমার খালি সাহস হয়নাই মাইয়ারে থামাইয়া একটু কথা কমু। এর মধ্যে বাসার আঙ্কেলের সাথে আমার আব্বার দেখা হইছে, আঙ্কেলরে আমার বাপে আমার ওভারসাইট বানাই দিছে। আমার আর কিচ্ছু করার সাহসে কুলায় নাই, যদি আমার বাপেরে কইয়া দেয়!

এর মধ্যে বাসায় এক নতুন টিউটর আইছে (আমার যায়গায়!!!)। ব্যাটায় কি পড়াইত না পড়াইত জানি না কিন্তু দেখতে আছিল সালমান শাহ্‌ এর মতন। ব্যাটারে যখনই দেখতাম মেজাজ বিলা হইয়া যাইত। মনে হইত অরে ধইরা একটা রামডলা দিয়া দেই। কিন্তু কিচ্ছু করা হয়ে উঠে নাই! তবে একটা কাজ হইছিল, এই রাগে এক্সারসাইজ করা শুরু করছিলাম। রেগুলার দড়ি-লম্ফ দিতাম বেশ লম্বা সময় ধইরা আর পুশআপ দিয়া বডিও বানাই ফেলাইছিলাম।

কিন্তু আনন্দের বিষয় হইল প্রায় পনের দিন পড় থেকে ওই টিউটররে দেখি নাই! দেইখা তো হাফ চাইরা বাঁচছিলাম! এক সপ্তাহ পর অন্য এক টিউটর হাজির! দুই তিন সপ্তাহ পড় এই ব্যাটাও গায়েব! কয়েক মাসের মধ্যে আমি বেশ কয়েকজনের আগমন-প্রস্থান দেখছি! এইটার পিছনে কুনো রহস্য ছিল কি না সেইটা আমার অদ্যাবধি জানা হয় নাই!

(চলপে.........।)


৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মক্কা থেকে বদর: মুসলিম ভ্রাতৃত্বের ভূরাজনীতি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৪৫


মুসলিম বিশ্বে ঐক্যের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। অন্তত চুক্তিগুলোর নাম শুনলে তেমনটাই মনে হয়। মক্কা ও বদর। মুসলিম ইতিহাসের দুটি পরিচিত নাম। নাম শুনে মনে হতে পারে, বহুদিনের বিভেদ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা: "দি ম্যাট্রিক্স" এবং নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধম্যের কল্যানে এই ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গি ওয়াহিদুজ্জামান শামীম... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×