
(আগের পুস্টের পর......)
সেই বিনা পিরিতে ছ্যাকা খাইয়া ব্যাকা হবার পর দেশে থাকা অবস্থায় আর পিরিতমুখো হওয়া হয় নাই! কিন্তু আমাদের ব্যাচের শয়তানের চ্যালাগুলা আমারে আমাদেরই ব্যাচের এক মাইয়ার লগে আর একটু হইলেই জড়াই দিত! ব্যাপারটারে ইগনোর কইরা বাইচ্চা গেছিলাম সেই সময়। আর দেশ থেকে আসার আগে তো ৪র্থ ব্যাচের এক বড় ভাই খালি আমারে পাহারা দিতে আইত! এই ভদ্রলোক আমাগোর ব্যাচের এক সুন্দরীরে পটানোর তালে আছিল, যখন শুনছে আমি ডিভি পাইয়া আম্রিকা আইতেছি, ওনার মনে ভয় ঢুইকা গেছিল যে আমি ফের উনার টারগেট করা সুন্দরীরে লইয়া ভাগি কিনা! আমার কখনো এই ধরনের মতলব ছিল না, কিন্তু ব্যাপারটারে মনে মনে এঞ্জয় করতেছিলাম না এইটা বলা অন্যায় হইবে। আর আমি আসার কয়েকদিন আগে আমার এক ফ্রেন্ড আমারে হলের ছাদে নিয়া যেই কামডা করছিল ওইডা মনে হইলে আমার মুখে আইজকেও পিচিক কইরা হাসি আইয়া পড়ে। এই শালা আমাগোর এলাকার (ব্যাচেরও) এক মাইয়ারে পছন্দ করতো, আর ওই সেইম মাইয়ারে জড়াইয়া আমার নামেও কিছু গুজুব উঠছিল ক্যামনে ক্যামনে কইরা। তো এই শালার মাথায় কে যেন বুদ্ধি দিছিল যে আমি নাকি ওরেও আম্রিকা আমার সাথে কইরা লইয়া চইলা আমু!!! ভয় পাইয়া এই ব্যাটা আমারে একরাতে হলের ছাদে লই জিগায় কিরে, তুই কি ওরে পছন্দ করিস? আমি মনে মনে চিন্তা করি এই হালার মতলব কি? এই কথা জিগায় ক্যানু? তারপর কয় তুই যদি ওরে পছন্দ করিস তাইলে ওরে নিতে পারিস, আমি কিছু কইতাম না!!! আমারতো মনে মনে হাসি আর থামে না! আমি কুনো কিছু না বইলা কইলাম, ক্যান? কি হইছে? তুই কি ওরে মন থেইকা পছন্দ করিস? ব্যাটায় আমতা আমতা কইরা কয় হ!!! আমি তো হালায় শুইনা মহা খুশি! ব্যাটারে কুনদিন স্বীকার করাইতে পারি নাই যে ও ওরে পছন্দ করে। তারপর ওরে অভয় দিয়া কইলাম চিন্তার কুনো কারণ নাই। আমি কিছু করতাম না। তারপর মিটিং ভং দিলাম!
এরপরে তো আমি পারলে ঢোল নিয়া হলের সবাইরে কইয়া বেড়াই, যে অয় ওরে পিরিত করে এইডা আমার কাছে স্বীকার করছে!
এরপর থেকে এখনো আমি যখনই ওরে কল দেই ওই মাইয়ার কথাও জিজ্ঞাসা করি! অবশ্য ওর ইদানিংকার উত্তরগুলা আমার পছন্দ হয় না। এককালের পছন্দের মাইয়ার নামে ডিগ্রেডিং কথাবার্তা আমি ভালা পাই না!
এরপরের কাহিনী হইল, আমি আম্রিকায়! এপ্রিলের শেষের দিকে আসছিলাম আমি। উইন্টার ছাইড়া খালি স্প্রিং লাগা শুরু করছে। আমার এক দাদার সাহায্যে এক বাসায় উঠছিলাম কিছু ব্যাচেলর (ম্যারিড ব্যাচেলর) ভাইদের সাথে!
কথা হইল আমি বড় হইছি দিনাজপুরের মত শহরে, যেইখানের মাইয়াপাইন অনেক ডিসেন্ট কাপড় চোপড়ের ব্যাপারে। পারলে বোরকার মধ্যে লুকাই থাকে অল টাইম এই অবস্থা! আর এইখানে আইসা তো আমি মহাসমুদ্রের মধ্যে পইড়া গেলাম! যেইদিক চোখ যায় খালি সৌন্দর্য আর সৌন্দর্য!!! আমি মোটেও এই পরিবেশে অভ্যস্ত আছিলাম না। এর মধ্যেই আমার রুমমেটের কাছ থেইকা অমূল্য গিয়ান পাইলাম যে, কয়েকদিনের মধ্যে মাইয়াপাইনেরা নাকি হাফপ্যান্ট পইড়া দৌড়াদৌড়ি করবে! এখন কি হপে???
(চলপে......।)
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৯:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





