শুধু আল্লাহ একাই শ্রেষ্ঠ, মহান, পরম দয়ালু বা শক্তিশালী হবেন কেন? খ্রিষ্টানদের GOD বা হিন্দুদের ঈশ্বর কিংবা অন্যান্য ধর্মীয় জাতি গোষ্ঠীর সৃষ্টি কর্তারা নয় কেন? শুধু কোরানই একমাত্র সত্য গ্রন্থ কেন? বাইবেল, গীতা, ত্রিপিটক কিংবা তাওরাত নয় কেন? নীতি কথা আর মানুষের জীবন বিধানকে পরিচালিত করার কথা বা মানবিক দর্শন তো সব গ্রন্থেই আছে। তাহলে কোন একটি বিশেষ গ্রন্থ শ্রেষ্ঠ কেন? বাকি গুলো নয় কেন? কোন একটি গ্রন্থ সৃষ্টি কর্তার বাণী হলে বাকিগুলো নয় কেন? আবার সৃষ্টি কর্তা কোন একটি গ্রন্থকে প্রাধান্য দিয়ে পূর্বের গুলোকে বাতিল ঘোষণা করবেনই বা কেন? আর প্রাধান্য দিলেন যেটিকে সেটি কি প্রথমেই পাঠাতে পারতেন না? নাকি এসব ছেলে ভূলানো কথা। সৃষ্টি কর্তারা কি একই সত্ত্বা নাকি ভিন্ন ভিন্ন? নাকি আদৌ কারোরেই অস্তিত্ব নেই? অবশ্য কেউ কেউ তো জোড় দাবি করেনই যে একমাত্র তাদের উপাসকই সত্য বাকিগুলো মিথ্যা – মানে বাকিগুলোর আদৌ কোন অস্তিত্ব নেই। কিন্তু তাদের সেই দাবিও তো বিরোধী পক্ষ নাকোচ করে দিয়ে তাদের( বিরোধী পক্ষের) সৃষ্টি কর্তাকে মুল দাবিতে রেখে বাকিদের সৃষ্টিকর্তাকে মিথ্যা বানিয়ে উড়িয়ে দেবেন। তাহলে ঠিক কোনটি? আর মিথ্যা কোনগুলো? নাকি সবগুলোই মিথ্যা? নাকি সবগুলোই সত্য? ধরে নিলাম বা মেনেই নিলাম যে সব সৃষ্টি কর্তাই সত্য তাহলে আচার-বিচার, পাপে-পূণ্যে, বিধি-নিষেধে, নিয়ম-কানুনে, পবিত্র-অপবিত্রে এত ফাঁরাক কেন? একই সত্ত্বার সৃষ্টিকর্তা ভিন্ন ভিন্ন মানুষকে ভিন্ন ভিন্ন বিধি-নিষেধ দেবেন কেন? কেনই বা তিনি অপবিত্র কিংবা পবিত্রও করবেন ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে? কিংবা নিজের সৃষ্টিকর্তাকে শক্তিশালি বানাতে সিনা ফাটিয়ে এত চিৎকার দিতে হয় কেন? তিনি নিজেই কি শক্তিশালী নন? নিজেরটিকে প্রাধান্য দিয়ে বাকিগুলোকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করতে চাওয়া কি চরম বোকামি নয়?
নীতি কথা আর মানুষের জীবন বিধানকে পরিচালিত করার কথা বা মানবিক দর্শন তো সব গ্রন্থেই আছে। তাহলে কোন একটি বিশেষ গ্রন্থ শ্রেষ্ঠ কেন? বাকি গুলো নয় কেন? কোন একটি গ্রন্থ সৃষ্টি কর্তার বাণী হলে বাকিগুলো নয় কেন?
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



