মিশরে নারীদের 'খৎনা প্রথা' (এর মাধ্যমে মেয়েদের যৌনক্ষমতা কমিয়ে দেওয়া হয়) বন্ধ করার জন্য সম্প্রতি আইন পাস হয়েছে।
জোর করে এক কিশোরীর খৎনা করার সময় তার মৃত্যু হলে সারা দেশে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। আর সেই প্রতিবাদের ফলেই খাতনা বিরোধী আইন পাস হয়।
তবে আইনটি মেনে নিতে পারেননি দেশটির গুটিকয় আইন প্রণেতা। বিষয়টি তারা ফের আলোচনার টেবিলে তুলতে উঠেপড়ে লেগেছেন।
নতুন আইনের বিরোধিতা করে আইনপ্রণেতা ইলহামি আগিনা বলেন, "মিশরের অর্ধেক পুরুষই নপুংসক। যৌন চাহিদা কমাতে এবং মিশরীয় পুরুষদের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতেই নারীদের খৎনা করানো হয়।
এটা বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণার ফল। ৫০ শতাংশ মিশরীয় পুরুষ যৌনমিলনে অক্ষম। তারা নারীদেরকে যৌন সুখ দিতে ব্যর্থ। এটা এক ধরণের রোগ। আমরা যদি নারীদের খৎনা করানো বন্ধ করে দেই, তাহলে আমাদের যৌন সমর্থ্যবান পুরুষ প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের মধ্যে এ ধরণের পুরুষ নাই।''
যা হোক নারীদের 'খৎনা’ দেয়ার কারণ টা জানা গেল!! এখন পুরুষের খৎনার দেয়ার কারণ টা জানা বাকী!! ( আশা করছি সেটা অবশ্যই নারীর 'খৎনা’ দেয়ার কারণের সাথে প্রাসঙ্গিক হবে!!)
বিস্তারিত ওয়েব লিংক!!
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১২:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



