somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ফেলুদার তোপসে
নিষ্পত্তি কি সব সময়ে জয়-পরাজয়ে? ময়দানি ধুলোয় তার বাইরেই যে পড়ে থাকে খেলার আসল-নকল গল্পগুলো৷ ময়দানের ঘাস-ধুলো যাঁর প্রিয়তম বন্ধু, তাঁর কলমে অভিজ্ঞতার দস্তাবেজ৷

আমার প্রিয় কিছু গানের ঝাপ্পি

২৭ শে জুন, ২০১৬ দুপুর ১২:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



একটা সময় ছিল গান শুনতাম না বুঝে। আর যখন থেকে গান বুঝে শুনতে শুরু করেছি মনের দিক থেকে কৃপন হতে চলেছি, এখন আর খুব সহজে কোন গান প্রিয় গানের তালিকাতে যুক্ত হয় না। প্রিয়তে যুক্ত হওয়ার আগে কারন খুজা শুরু করে দেয় মন, গানের কথা গুলা ভালো নাকি গানের মিউসিক। মাঝে মাঝে গানের মিউজিক ভিডিও এর কারনেও গান প্রিয়তে চলে যায়।

আজ ইউটিউবে ঘুরতে ঘুরতে একটা গান খুঁজে পেলাম, মনে হয় ওপার বাঙ্গলার গান। কথাগুলো শেয়ার না করে পারছি না-
সময় পেলে খবর নিও

আমার অবুঝ স্বপ্নগুলো তোমার চোখে লুকিয়ে রেখো
আমার অবোধ ইচ্ছে গুলো তোমার মনে সাজিয়ে রেখো
আমার চাপা ব্যথা গুলো শ্রাবন জলে ভিজিয়ে দিও
হারিয়ে গেলে পথের বাকে বন্ধু ভেবে সঙ্গে নিও
কেমন আছো বন্ধু প্রিয়
সময় পেলে খবর নিও ॥

আমার ধূসর স্মৃতি গুলো পুড়িয়ে দিও নীল আগুনে
হারিয়ে যাওয়া সোনালী বিকেল রাঙিয়ে দিও ফুল ফাগুনে ॥

আমার বোবা কান্না গুলো পাঠিয়ে দিও নীল আকাশে
জমে থাকা দীর্ঘ শ্বাস ভাসিয়ে দিয়ো ঝড় বাতাসে।।


কয়েক বছর আগে যখন আমি ছোট ছিলাম মানে টিন এজের ছিলাম সে সময় আমার মাথার মধ্যে মেঘ বালিকার সপ্ন ছিল।জানিনা এই গানটার সাথে মেঘবালিকার সম্পর্ক কোথায়, তবুও যতবার গানটা শুনি, বুকের ভেতরটা কেমন খালি খালি লাগে।


আমার ভিনদেশী তারা
একা রাতেরই আকাশে
তুমি বাজালে একতারা
আমার চিলেকোঠার পাশে।


শিল্পিঃ চন্দ্রবিন্দু
আমার ভীনদেশি তারা

আমার প্রিয় আর একটা গান, এটাও ইউটিবের থেকে পাওয়া।
সমুদ্র কি তোমার ছেলে

শিল্পিঃ সঞ্জীব চৌধুরি

চোখটা এত পোড়ায় কেন
ও পোড়া চোখ সমুদ্রে যাও
সমুদ্র কি তোমার ছেলে
আদর দিয়ে চোখে মাখাও
বুক জুড়ে এই বেজান শহর
হা হা শূন্য আকাশ কাপাও
আকাশ ঘিরে শংখচিলের
শরীর চেরা কান্না থামাও
সমুদ্র কি তোমার ছেলে
আদর দিয়ে চোখে মাখাও


গত বছরে ইউটিউবে ঘুরা ঘুরি করতে করতে একটা গান পেয়ে যাই। গানের কথা গুলো যে এতো ম্যাজিকাল একবার শুনলে বার বার শুনতে ইচ্ছে হয়। আমি তখন সারদিন গানটা শুনতাম।
বন্ধু তোমার চোখের মাঝে চিন্তা খেলা করে

শিল্পিঃ কৃষ্ণকলি

বন্ধু তোমার চোখের মাঝে চিন্তা খেলা করে
বন্ধু তোমার কপাল জুড়ে চিন্তালোকের ছায়া,
বন্ধু তোমার নাকের ভাঁজে চিন্তা নামের কায়া।

বন্ধু আমার মন ভাল নেই, তোমার কি মন ভাল?
বন্ধু তুমি একটু হেসো, একটু কথা বলো।
বন্ধু আমার বন্ধু তুমি বন্ধু মোরা কজন,
তবুও বন্ধু মন হলো না আপন।


কিছু কিছু গান থাকে যা একসাথে গাইতে ভালো লাগে। প্রায়ই মাঝারাতে গানটা গেয়ে উঠি। জীবনটা যে আসলেই অনেক অনেক সুন্দর তা এই গানগুলো শুনলেই বোঝা যায়।।

১।
সেই যে হলুদ পাখি
ব্যান্ডঃ ক্যাকটাস

সেই যে হলুদ পাখি
বসে জামরুল গাছের ডালে
করতো ডাকাডাকি
আমার শৈশবের সকালে

একদিন গেল উড়ে
জানিনা কোন সুদুরে
ফিরবেনা.. সেকি ফিরবেনা
ফিরবেনা আর কোনদিন...

বুড়ো মাঝির নৌকায়
বসে সারাটা দুপুর
যুবরাজের ঘোড়া
আর রাজকণ্যার নুপুর

চলে গেল স্রোতে ভেসে
জানিনা কোন দূর দেশে
ফিরবেনা.. সেকি ফিরবেনা
ফিরবেনা আর কোন দিন...

২।
নীল রঙ ছিল ভীশন প্রিয়
ব্যান্ডঃ ফসিলস


সেদিন ও ছিল দুপুর এমন
ঝক ঝকে রোদ অস্থির মন
আর ঘডির কাঁটায় তখন প্রশ্রয়
সেদিনের মত কলেজের ক্লাস
শেষ হয়ে গেছে অবকাশ
পাওয়া গেছে ফের দেখার
আকাশ, নীলচে সময়

নীল রং ছিল ভীষন প্রিয়
তাই সব কিছু নীলিয়ে দিলো...


৩।

মাথায় অঝোর বৃষ্টি নিয়ে

ব্যান্ডঃ একলব্য

মাথায় অঝোর বৃষ্টি নিয়ে বেঁধেছিলাম চালা
জোছনা এলো গভীর রাতে জুড়িয়ে দিয়ে জ্বালা;

কিছু কথা হাওয়ার বুকে
কিছু কথা জলে
কিছু কথা গুমরে মরে স্মৃতির খেয়ালে
আমি এখন পোড়ামাটি
হিম কন্যা ঘুমাও বিদেশে......

দিন ছিলো সব বাধন হারা
ঘুর্ণি ছিলো মনে
প্রথম দেখা বর্ষা এলো মেঘের আলাপনে....

মনের ভাষা সেদিন যখন মুখের ভাষা হোলো
পা বাড়াতেই আমার শহর ভীষণ এলোমেলো
হারালো সেই রাঙা বিকেল পথের বাঁকের শেষে

শান্ত দুপুর নিঝুম শহর
বেঁচে থাকার ঘর
ছই ভেসে যায় বুকের ভেতর গভীর সরোবর
এই কি সুখ ভালোবাসার
একা এবং একা
স্বপ্নে পাওয়া পাগল হাওয়া আড়াল করে রাখা
আড়াল ভেঙ্গে ভীড়ের মাঝে সবি গেলো মিশে

আমি এখন পোরামাটি
হিম কন্যা ঘুমাও বিদেশে.......


আরো প্রচুর প্রচুর পছন্দের গান আছে যা একটা পোষ্টে লিখে শেষ করা যাবে না। পরে অন্য কোন পোষ্টে লিখব মন টানলে। এমনিতে মেল্লা পেচাল পাড়ছি আর পড়তে পারছি না। এতো বড় পোষ্ট আমি আমার জীবনে কখনো লিখছি বলে মনে পড়ছে না। গানের ক্ষেত্রে এক এক জনের টেস্ট এক এক রাকম, সো গান গুলো ভালোও লাগতে পারে আবার নাও পারে...এনজয়....




সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুন, ২০১৬ দুপুর ১২:৫৮
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাদ্রাসা শিক্ষাকে না বলুন। মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ করুন।

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪২

শুধু ভারত বিদ্বেষই না।

মাদ্রাসাগুলোতে কোনও ব্যতিক্রম ছাড়াই মোল্লারা ইসলামের দোহাই দিয়ে,

/নিজের দেশ তথা নিজের জন্মভূমি বাংলাদেশের প্রতি বিদ্বেষ করা শেখায়।

/মোল্লারা তাদের মাথায় এই ধারণা খুব অল্প বয়সেই ঢুকিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার নাফসকে আচ্ছা করে টাইট দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭

মানুষের ভিতরে এমন একটি অংশ আছে, যা মানুষকে খারাপ কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে, খারাপ কাজের বুদ্ধি দেয়। ইসলামী পরিভাষায়, আমরা মানুষের এই অংশকে নফস বলি। আপনি খারাপ কাজ থেকে দূরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×