somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার চিলেকোঠায় কোনো জানালা নেই

২৮ শে নভেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঝমঝমিয়ে দারুণ এক বৃষ্টি এলো দুপুর বেলা—আমার চিলেকোঠার ঘরে। বৃষ্টি তার রূপের দেমাক ভারি, তার চিকন কালো ছায়া আমার ঘরের আয়নায় লগ্ন হয়ে রইল যেন কালো পশমের মতো মোলায়েম এক ইয়ার্কি করতে থাকল, যে আয়নার সঙ্গে আমার চিরকালের আড়ি ! আমার প্রথম ব্রণ ওঠা আমি তার চোখেই প্রথম দেখি—সেই থেকে আয়নার সঙ্গে আমার মুখ দেখা দেখি নেই। সেই আয়নায় এখন শুধু সারাদিনের আলোছায়ারা খেলা করে, এমনি সব সহজ ঠাট্টা আমার রোজনামচায় নির্লিপ্ত হয়ে আছে।
এই আয়নায় মুখ দেখে তরু! তরু আমাদের একতলার ঘরের ভাড়াটে।
আয়নায় আবার আমি আকাশটাকে দেখি।

“আকাশ-মুখো মেঘের সারি,
দিচ্ছে পাড়ি
আয় দুপুর
নিঝুম নিয়ে নৌকা গড়ি....”


লাইনগুলো এ বাছর প্রথম যেদিন বৃষ্টি হল সেদিন লিখেছিলুম। তারপর কতকগুলো সমান্তরাল রেখা টেনে টেনে সেগুলো কেটেছি—আবার লিখেছি—আবার কেটেছি, মাথাটা কেমন ভণ্ডুল হয়ে গেছিল তারপর—মাথার ভিতর যেন শুধু সমান্তরাল রেখা। তখন আমার চারপাশের পৃথিবী—বস্তু—মানুষ সবাইকে সমান্তরাল রেখার মতো মনে হয়, কেউ যেন কারো সঙ্গে টাচ করে নেই, টাচকরে থাকার কোনো অভিপ্রায় নেই—সার্থকতা নেই, সঙ্কল্প নেই পৃথিবীতে, যেমন আমার চিলেকোঠার ঘরে শালিক খড়কুটো ছড়াচ্ছে, মাঠের ভিতর থেকে ফসলের ভিতর থেকে খাবার খুঁটে এনে বাসায় রাখছে, বৃষ্টির পরে রোদ বিলি কেটে যাচ্ছে জানালার কাছে.....তেমনিই সবকিছু। তেমনি যেন সব।
এমন আমার হয় মাঝে মাঝে—এমন ঘোর...এমন প্রাণের ভিতর এক নির্লিপ্ত প্রলাপ—এক নির্লিপ্ত নিঃসাড় বোধ কাজ করে—কেউ জানে না কেন এমন প্রাণের ভিতর হেমন্তের মাঠের মতো কুয়াশা—শূন্যতার ঘোর খেলা করে। মেঝে মাঝে। আজো কি তেমনই হবার ছিল।তেমনি?
দুটো চড়ুই কিচির মিচির করে আমায় বাঁচিয়ে দিল। দেখলুম দুটো পাখি জানালার কাছে এসে আমার অনেক বয়স বাড়িয়ে.. দেখলুম আঠারো বিশ বছরের ছেলে কেমন নিমফুলের গন্ধের মতো প্রবীণ হয়ে গিয়েছে। অথচ নিমফুলের গন্ধে কতই না ব্যথা, ব্যথা দিয়েছে প্রাণে সেই সব অলীক ফুল, সার্থকতা—ভণ্ডুল হবার জন্যে ব্যর্থতায় সমস্ত সরলরেখা গুলো যেন একে অপরের ঘাড়ে পড়ে যাচ্ছে হুড়মুড় করে। আর তার পর আমার সমনের পৃথিবীকে নানা রঙের ছাপ ছাপ মোজাইকের টালির মতো হয়ে যেতে দেখি।

তরু কখন এসেছে বৈদেহীর মতো হঠাৎ খেয়াল করলুম। মা বলে তরু বাতাসের মতো আসে যায়, এমনি মৃদু..নিঃশব্দ যা শারীরিক দৈন্যে প্রকট, হাঁটা চলা তাই শব্দহীন যেন তার। শব্দ বা হল্লার দিকে নির্লিপ্ত। অসুখে ভুগে ভুগে শরীরের সমস্ত পুষ্টি যেন স্থগিত হয়ে গিয়েছে। যেমন অন্ধকার প্রাচীরের আড়ালে ঘাসেরা হলুদ নিস্তেজ হয়ে যায়, তেমনি এক অসুখের অন্ধকার এক দেওয়াল তরুকে ঢেকে দিয়েছে, অথবা সেই অন্ধকার দেওয়ালের নীচে তরু যেন চাপা পড়ে গিয়েছে।


সে চুলে শ্যাম্পু করেছে। তার সেই হালকা সুবাস নাকে লাগল। ছেলেবেলায় যেমন বাবলার সুবাস পেতাম, তেমনি সহজ...তেমনি সহজ তার মুখ, তেমনি নিষ্পাপ। তেমন যেন কোথাও দেখনি। তার দিকে তাকালে মাঝে মাঝে অবাক হয়ে যাই। এমনি ভোরের মতো নরম সেই মুখ।
তরু কোনও কথা বলেনা। চুপি চুপি এসে জালাটা খুলে দেয়। এতক্ষণ ঘরের ভিতর যে বাতাসটা বন্ধী হয়ে ছিল, সে যেন হঠাৎ মুক্তি পেল। আর সেই শূন্যতার ভিতর কিছু ঠাণ্ডা বাতাস এসে যেন আমোদ শুরু করে।
তরুর নাইটিতে ফুল ফুল বিষণ্ণতা। তার আজো জ্বর এসেছে। তার কপালে হাত রেখে আমি সেই উত্তাপ টের পাই।
পাখিদুটো তখনো ঝগড়া করে চলেছে।
--দ্যাখ, পখিদুটো সমানে জ্বালাচ্ছে।
--জ্বালাক না!
তরু আড়া হয়ে শুল হাতে ভর দিয়ে।
পাখিদুটোকে দেখছিল।আমরা সবাই কি একদিন বাধাহীন হতে পারব? যেমন বৃষ্টির পরে এক হলুদ রঙের আলোর প্রীতি জন্ম নেয়, সোঁদা গন্ধের মতো..তখন পৃথিবী কি কার্ত্তিকের মাঠের মতো হয়ে যায়! ফুলগুলো—গাছগুলো? স্কুলের মাঠের পাশে হাসনুহানা ফুটতে দেখেছি একদিন, দেখেছি তার ঢের আঘ্রাণ শালিকের ডানায় বিকেলের আলো হয়ে যেতে। দেখেছি স্কুলের জানালাগুলো কুয়াশায় অপরিচিত ক্যানভাস হয়ে থাকে—সেই সব ক্যানভাস ছুটির মতো সহজ—পাতায় সকালের রোদের মতো সহজ—আমরাও একদিন সহজ হয়ে যাব?
তরুও কিছু ভাবছিল। সে কি ভাবছিল আমায় বলছিল না। আমার সামনে বসে কেউ কিছু ভাবলে আমার খুব অস্বস্তি হয়।
--এই তরু কি ভাবছিস?
তরু আমার কথায় কেয়ার করে না, স্বগতোক্তির মতো করে বলে-
‘রবিঠাকুরের একটা গান জানিস—“তবু মনে রেখো/যদি যাই চলে দূরে.....” জানিস?’
--জানি। প্রেম পর্যায়ের গান। কিন্তু এ গান কেন? এই বৃষ্টি বাদলায়?
--এমনিই! আজ যেন সবকিছু দূরে চলে যাচ্ছে, সবকিছু!
তরু হঠাৎ কেঁপে উঠল।
তরুর হাত আমার হাতের ভিতর বাসনায় বিলীন হয়ে গেলে পর আমি অস্ফুটে ডাকি
--এই তরু, তরু...
তরু আমার বুকের কাছে সরে আসে। তার মাথাটা যেন আমার বুকের কাছে মিশে যায়, শালিকের বুক ঘাসের অন্তরের ভিতর মহার্ঘ হয়ে ওঠে। তার সমস্ত শরীরটা আমার দুই হাতের ভিতর নারকেল পাতার মতো তির তির কর কাঁপতে থাকল। তার সমস্ত শরীরের ভিতর থেকে অসুখের ভাপ—মাথার চুল থেকে শ্যাম্পুর গন্ধ উঠে এসে একাকার হয়ে যাচ্ছিল। আমি সেই বাবলা ফুলের গন্ধ টের পাচ্ছিলাম আবার। অসুখের পরিপূরক হয়ে উঠে সেই গন্ধ যেন পৃথিবীকে বলল—“থাক!”। আমার পৃথিবী, আমার প্রহর যেন থমকে রইল। থমকে রইল চারপাশ—চরাচর—একটা থমকে থাকা হলুদ রঙের বিকেলের দিকে যেন পিঠ করে দাঁড়িয়ে রইল পৃথিবী।
তরু কখন নীচে নেমে গেছে বুঝতেই পারিনি। আমার বুকের ভিতরটা তখন এক জাহাজঘাটের ব্যর্থ নাবিকের মতো হয়ে গেল। সেই সব ইংরেজ আমলের পুরানো আর মাস্তুল ওলা স্টিমার ছেড়ে যাচ্ছে বিকেলের গঙ্গায়। বিকেল নয়, হয়তবা তখন সন্ধ্যা—গঙ্গার পারের গাছগুলোকে কালো কালির আঁচড়ের মতো ইজেলে লগ্ন বলে মনে হচ্ছে। সেই সব গাছ এদেশের না...এদেশের হেমন্তের না...সে কোথাকার চিলির কিংবা আর্জেন্টিনার রুক্ষ মাটির গাছ, সেই রকম কোথায় এক ভাঙা ইটের বাড়ি বা সমুদ্রের ধারের বাতিঘর..তার পুরানো বাথরুম, অন্ধকার—লোনাধরা—জানালার ভাঙা কাচে ভৌতিক শব্দ, নানা রকম, সেখানে বাসে আমার প্রথম কৈশোর কবিতা লিখেছে। নখের আঁচড়ে পুরানো দেওয়ালের চুন খসে পড়েছে। সে না কার্তিকের না হেমন্তের তা কবেকার এক দ্বন্দ্ব নীচতলার ঘরের অন্ধকার...ড্যাম্প, অসুখ। কলতলার পুরানো শ্যাওলা..সবুজ এবং মনোহারী! তরু সেই অন্ধকারের ভিতর চাপা পড়ে গিয়েছে, হুড় মুড় করে সে অন্ধকার অসুখের দেওয়ালে..পুরানো ইটের দেওয়ালে চাপা পড়ে গিয়েছে। সেই অন্ধকারের মুক্তি কি হাসপাতাল? সবাই হাসপাতালে যায়, আমি যাই না। আমার হাসপাতালে খুব ভয়...সেই সব শাদা চুনকাম করা দেওয়ালের হাসপাতাল,পুরানো পুরানো সব ইট, পাথর...গন্ধ..মনে হয় আদপেই কোনও সংকল্প নেই হাসপাতালের।
রাত্রে কাকিমা ছাদে এসেছিলেন। অশরীরীর মতো পায়চারি করছিলেন অন্ধকারে। কাকিমার সমস্যা সাতকাহন। তরুকে নিয়ে—কাকুকে নিয়ে। কাকুর মতো ব্যক্তিত্বহীন মানুষ আমি দেখনি। চোখের উপরতিয়ে সংসারটা ভেসে যায় তবু তিনি বসে থাকেন উদাসীনের মতো তাঁর নিজের গান সুর তাল নিয়ে। সখের গানের মাস্টারি করে কি দিন চলে?
কাকিমা বোধহয় কাঁদছিলেন। পৌর্ণমাসীর চাঁদ কাকিমার গালে চিকচিক করছিল জলের ধারায়। আমার চিলেকোঠার ঘরে বসে আমি দেখতে পাচ্ছিলাম। গুঁড়ো গুড়ো অন্ধকার আমার মনের ভিতর ঢেউ ভাঙছিল। ঢেউয়ের ভিতর তরু—গাছের মতো আবছা নীরব ছায়া ফেলে ভাসছে। আমি সেই ভাসানের ভিতর কবিতা লিখছিলুম, কাচের জানালায় কালো কালির স্কেচ পেন দিয়ে—

“পড়ে আছে পাতার শূন্যে নীরবতা
জলাভূমি শিয়রে স্মারকের মতো—
ধানক্ষেত অনাবিল হাওয়ায় শুয়ে আছে
পৌর্ণমাসী মাটি ও মনের গভীরে
গাছের জন্মের মতো
আছো?
তুমিও? ভিতরে আমার—
উঠোনে মুথা-ঘাস বেড়ে জঙ্গলা দিনে
ঘোর বর্ষায় দামি কিছু চিকুরের জল
দু-হাত ছুঁয়ে গেছে তাই!
গেছে তাই? ভেসে নাভিমূল থেকে হৃদয়ও—
মধ্যরাত্রে অব্যর্থ উৎসব—
শিউলির ঘ্রাণে দগ্ধ মনস্তাপ ।“


লেখা শেষ করেই জালাটা খুলে দিয়েছি। চাঁদের আলোয় সারারাত ভিজবে কবিতা...ভিজে ভজে যেন হয়ে যাবে কবিতার উৎসব, সমুদ্রের পারের হাওয়ার মতো মাতাল হয়ে থাকবে সরারাত। সরারাত ধরে সে ভিজবে অঘ্রানের কুয়াশায় আর শিশিরে। ভিজে ভিজে একসময় ভোররাতে আবছা হয়ে যাবে অনেক লেখা..আবছা হয়ে যাবে শিশিরে স্বপ্নের মতো ঘ্রাণ ও কবিতা।
ঘর থেকে ছাদে নেমে এলে কাকিমা চমকায় আমার পায়ের শব্দে। দ্রুত হাতে চোখের জলকে গোপন করে নেয়।
--তুই কখন এলি?
--আমিতো ছাদেই ছিলাম!
--খেয়াল করিনি।
--কাকিমা তরু কেমন আছে?
কাকিমা চুপ করে থাকলেন কিছুক্ষণ—তারপর স্বগতোক্তির মতো করে বললেন-
--মাথার আঘাত, কি রক্ত—কি রক্ত—তবে ছেড়ে দেবে কাল, হাসপাতাল থেকে..
আমার মনে হল জ্যোৎস্নাটা যেন হঠাৎ করে বেড়ে গেছে। অনেকটা আলো—হাসির মতো—খুসর মতো খুরে বেড়াতে থাকল সারা ছাদময়। যেন আলোর ফুলগুলি সব অন্ধকার কুড়িয়ে নিয়ে কোঁচড়ে ভরে রেখেছে। সেই আলোর ফুলের মধ্যে একটা বেমানান দীর্ঘশ্বাস ফেললেন
--তরুটা বোধহয় বাঁচবে না! দিনদিন কেমন হয়ে যাচ্ছে মেয়েটা।
কাকিমা নীচে নেমে গেলে মনে হল জ্যোৎস্নার ভিতর কোথাও যেন অন্ধকারের ভাপ জমে আছে। সেটা যেন আমার চারপাশে ছড়িয়ে যেতে থাকল এবার।
সেই ভাপের ভিতর মনে হচ্ছিল যেন ঘর বাড়িগুলো উড়ে বেড়াচ্ছে—ঘুড়ির মতো চারপাশ জুড়ে, খড়কুটো উড়ে বেড়াচ্ছে। আমিও তাদের সঙ্গে তাল রেখে উড়ে বেড়াই। লাটাই নিয়ে এসে সারারাত আমি ঘুড়ি ওড়াই। জ্যোৎস্নার ভিতর। অঘ্রানের কুয়াশার ভিতর। ছাদের আলসের উপরদিয়ে হেঁটে যেতে যেতে মনে হচ্ছিল এবার যদি টাল খেয়ে পড়ে যাই?
--শালা সারা আকাশটা হাসবে তখন । নক্ষত্ররা দাঁতবার করে এ ওর ঘাড়ে পড়তে থাকবে হুমড়ি খেয়েছ তার পর লাট্টুর মতো পাক খেতে খেতে মলিয়ে যাবে এক বিশাল শূন্যের ভিতর—স্বপ্নের ভিতর।
এই সব সাত পাঁচ ঘুড়ি ও লাটাই নিয়ে ভাবতে ভাবতে ভোরের দিকে আমার খুব ক্লান্তি এল। ঘুম এল চোখ উপচে। ঘুমুতে ঘুমুতে স্বপ্নে দেখলুম অ্যাকোয়ারিয়ামের ভিতর ভাসতে ভাসতে মা ও বাবা আমায় লক্ষ করছে। আর তখনি ঘুম ভেঙে মনে পড়ে গেল আজ তরু আসবে।
তিনদিন পরে তরু এলো আমার চিলেকোঠার ঘরে। হেমন্তের মাঠে এক হলুদ রঙের বিকেল এলো...ঝাউ-বনের থেকে বাসার এলো চরুয়ের আহ্লাদ যা অপেক্ষের মতো । সেই অপেক্ষার সারি বেয়ে একরাশ পতঙ্গ উড়ে এলো—ভরে দিল ঘর-। দুপুরের দিকে দারুণ এক বৃষ্টি এলো। বৃষ্টি মতই তরু আসে...সমু্দ্রের ঘরে যে বাতি ঘরে যে নাবিক ছিল তার কাছে। বসে সে তার চিরাচরিত আলগোছ ভঙ্গিমায়...চোখ তার ফসফরাস। বুকের ভিতর হিম জমে আমার..হিম কুয়াশা, হেমন্তের প্রান্তরের মতো কিংবা কাচের মতো ভেঙে ভেঙে রক্তাক্ত করে আমার বিবেক। সেজো কাকিমার মেয়ে প্রগাঢ় প্রাগৈতিহাসিক গলায় বলেছিল একবার—“এত কাঁপছিস কেন?”আমার গলার খালি করে সমস্ত শ্বাস টেনে নিতে নিতে বলেছিল সে। তখনো আমার বিবেক কাচের মতো ভাঙে, রক্ত ছোটে ফিনকি দিয়ে সারা গা বেয়ে। এখনো...
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:২৩
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৪৪



ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

ধানমন্ডি ৩২ ভাঙা হয়েছিল- কে দেখেনি, কে জানে না, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।,... ...বাকিটুকু পড়ুন

গরীবের বউ সবার ভাবি

লিখেছেন অপলক , ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:০২



৩৬ জুলাই আন্দোলনের পর অনেক আশায় ছিলাম। আশার গুড়ে বালি। তত্বাবধায়ক সরকারের সময় বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক গভর্ণর ড. আহসান এইচ মনসুর বুদ্ধিদীপ্ত প্ররিশ্রম করে ২০২৬ জানুয়ারীতে রিজার্ভে রেখে গেছেন ৩৫... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন থেকে যারা আওয়ামী লীগকে ভালোবাসেন এখন তাদেরকে আওয়ামী লীগের প্রয়োজন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০



ক্ষমতায় গেলে কোন দল যাদেরকে মনে রাখে না ক্ষমতায় গেলে তাদেরকেই তারা সবচেয়ে বেশী মিস করে। সেই নিখাঁদ দল প্রেমিকদেরকে এখন আওয়ামী লীগ খুঁজছে। তারা লগি বৈঠা নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৫



আমার এক বন্ধু আছে। ধরা যাক, নাম তার করিম। করিমকে একদিন চায়ের দোকানে একজন বলল, “আপনি নাকি ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা?” করিম চায়ের কাপ নামিয়ে বলল, “ভূয়া হলে লাভটা কী?” লোকটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫ই আগস্ট ছিলো আরো একটি ১৫/২১শে আগষ্টের অপচেষ্টা।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫২



২১শে আগস্ট পালন করা অর্থে , আমার কাছে মনে হচ্ছে আবারো জঘন্য কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে। কারন আমরা ঐ নারকীয় হত্যাকাণ্ডের কোনো বিচার সম্পন্ন করতে পারিনি। আমরা যারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×