যারা বয়সে একটু বেশি বড়, যারা ৯০ এর দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পরত তাদের কাছে প্রায়ই সৈরাচার সরকার পতেনের গল্প শুনতাম। বা তাদের থেকে যারা আরও বড় যারা ৬৯ এর আন্দলনে এবং পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধে সারাসরি অংশগ্রহন করেছিলেন তাদের কথা শুনে জানিনা কেন জানি একদিকে অন্য আর দশটা মধ্যবিত্ত বাংঙ্গালী ছেলের মত অনেক গর্ব হত। ঠিক তেমনি নিজেকে অনেক ছোট, অনেক অকৃতঙ্গ মনে হত, কেননা নিজে সাহস করে কিছু না করার জন্য দেশের জন্য, ভবিষ্যত বাংলাদেশের জন্য। ২০০৮ এর মাঝা মাঝির সময় যখন দেশের এক খ্যতনাম মুরগীর ফার্মএ বাবার জমানো শেষ টাকাটি ব্যয় করছি তথাকথিত উচ্চশিক্ষার পিছনে তখন অবসরে খুব কাছের কিছু বন্ধুদের নিয়ে ভাবতাম আমার কি করার আছে অথবা আমি কি করতে পার। মনে মনে অনেক দুঃসাহশিক পরিকল্পনা ও যে করি নি তা নয়। শেষ পরর্যন্ত আর কোন পরিকল্পনা আর বাস্তবায়ন করা হয়নি। কিন্তু একটি কাজ হয়েছে তা হল জাগরী নামের একটি সংগঠনের সঙ্গে পরিচয় হওয়া।
আমার আজকের এই লিখাটি মূলত আমার জাগরীর সহকর্মী বন্ধু রুবায়েত খান এর জাগোরোমিটার বিষয়ক লিখাটি এবং সেখানে নানা মানুষের মতামত দেখে কিছুটা আনুপ্রানিত হয়ে লিখা। আমার সঙ্গে জাগরীর পরিচয় কিভাবে তার থেকে আমরা জাগরীতে কি করি তা একটু বলি। আমি ব্যক্তিগত ভাবে আনেক ফাকিবাজ একজন মানুষ এবং জাগরোমিটার অনের পরিশ্রমের কাজ তাই আমি জাগোরমিটার থেকে অবসর নিয়েছি জাগরোমিটার এর শিশুকালে
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


