somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

টিএসসি - দানবিক শক্তির সাথে মানবিক শক্তির লড়াই

০৯ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১১:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একবার আমাদের স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছিল লালবাগ কেল্লার ভিতরে। কেল্লার তখন অনেকটাই ভগ্নদশা। দক্ষিণের উঁচু জায়গাটাতেই সবুজ ঘাসের যা একটু সমারোহ ছিল। সেটাকে আমরা পাহাড় বলতাম। সে পাহাড় থেকে গড়িয়ে নিচে পড়াটা ছিল আমাদের একটা প্রিয় খেলা। কেল্লার বাকি জায়গাটুকু ছিল মরা, আধমরা ঘাস আর ধুলোবালিময়। দূর্গের দেয়ালের আধ ভাঙা ইটের গাথুনির ভেতর থেকে হইহুল্লোড় করে বেড়ে উঠছিল নাম না জানা ঝোপ আর হরেক রকম গাছের বংশ। তিনটি গেইট, পরিবিবির মাজার, আর জাদুঘরের কালচে হয়ে পড়া দেয়ালের বেরিয়ে পড়া অস্থিমজ্জা সমাগত অকালমৃত্যুর জানান দিচ্ছিল বেশ জোরেশোরে।

প্রতিযোগিতা চলাকালীন সময়ে শুনলাম স্যাররা বলাবলি করছেন যে সরকার নাকি দুর্গের সংস্কার করে পার্ক করবে। টিকিট সিস্টেম হবে। আমরা আর যখন তখন কেল্লার ভেতর ঢুকতে পারবো না, কামানের ভেতরে কাগজ ঢুকিয়ে আগুন জ্বালিয়ে দে দৌড় - আর হবেনা। মুরুব্বিদের মর্নিংওয়াক হবেনা। ঘুড়ি উড়ানো হবে না। এসব ভেবে মনটা খারাপ হয়ে গেল। স্যারদের কথাতেও পরিস্কার বুঝা যাচ্ছিল যে ওনারাও বিষয়টি পছন্দ করছেন না। একজন তো বলেই ফেললেন, 'ঐতিহাসিক স্থাপনা স্পর্শ না করাই ভালো'।

মানুষ মনস্তাত্ত্বিকভাবে নতুন এর প্রতি সন্দিহান। Fear of the unknown-অজানাকে, অচেনাকে ভয়। এটা দুটো কারণে হতে পারে। এক, মানুষ বুদ্ধিমান প্রাণী তাই তার শক্তিশালী ইন্দ্রিয় ব্যবস্থা তাকে সচেতন ও সাবধান হতে বলে। অথবা, সামাজিকভাবে আমরা এত আশা ও বিশ্বাসভঙ্গতার সম্মুখীন হই যে ঘর পোড়া গরুর মত সিঁদুরে মেঘ দেখলেই আত্মা কেঁপে ওঠে-এই বুঝি সব গেল।

যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা কালের পরিক্রমায় যে দুটি বর্ধিত শাখাতে নতুন পরিচিতি লাভ করে তার প্রথমটি হচ্ছে, ঐতিহাসিক। দ্বিতীয়টি, ঐতিহ্যবাহী। যে কোনও স্থাপনার জন্য এটা বিরল যে সে এই দুটি শাখাতেই সমানভাবে উজ্জ্বল থাকতে পেরেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রটি যুগপৎ ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী। ইতিহাস সৃষ্টি করে ১০০ বছর আগে জন্ম নেয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬০ বছরের চলমান সঙ্গী এই স্থাপনাটি ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন কে আশ্রয় দিয়েছে। ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের সাক্ষী হয়েছে। ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে। ১৯৭৪ এর দুর্ভিক্ষ দেখেছে। নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশের স্বৈরাচারবিরোধী একমাত্র সফল আন্দোলনটিকে আশ্রয়, প্রশ্রয় দিয়েছে। অপরাজেয় বাংলা, শহীদ মিনার, আর টিএসসি আমাদের স্বাধীন সংস্কৃতির বদ্বীপ। বাংলাদেশের ভাগ্যবদলের যখনই প্রয়োজন হয়েছে তাঁর সন্তানেরা এই দ্বীপে আশ্রয় খুঁজে নিয়েছে, পুনঃসংগঠিত হয়েছে, আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন ঘটিয়েছে। যেকোনো জাতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগেও স্বেচ্ছাসেবীদের কোলাহলে মুখরিত থেকেছে এর প্রাঙ্গণ।

আমাদের দেশটা ছোট। ভারতবর্ষের মোড়কে আটকে থাকা এই ভূখন্ড বৈদিক যুগ থেকে শুরু করে গুপ্ত সাম্রাজ্য, মুঘল সাম্রাজ্য, মারাঠা আধিপত্য, ইউরোপীয় ও ইংরেজ শাসনামলে নানাভাবে বঞ্চিতই থেকে যায়। সুদীর্ঘকাল বাংলার রাজধানী হওয়া সত্ত্বেও পূর্ববঙ্গে উল্লেখযোগ্য তেমন কোনো ধর্মীয়, অভিজাত, ও দৃষ্টিনন্দন ব্যাক্তিগত বা প্রশাসনিক স্থাপনা গড়ে উঠেনি।

আমাদের নেই কোনো তাজমহল অথবা কুতুবমিনার। একটি ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল এখানে নেই। অজন্তা, ইলোরার গুহা নেই। একটি Gate of India বা India Gate নেই। নেই একটি হায়দরাবাদি চারমিনার, মহীশূর প্যালেস বা বোম্বের ভিক্টোরিয়া টার্মিনাস। আগ্রা ফোর্ট, দিল্লির রেড ফোর্ট, কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামও আমাদের কপালে জোটেনি। আমাদের কপালে একটি লোটাস টেম্পল পর্যন্ত নেই। কোনার্কের সূর্য মন্দির, বাদশা ফয়সাল মসজিদ, Basilica of Jesus নেই। ফতেহপুর সিক্রি- বুলান্দ দরওয়াজা, শালিমার গার্ডেন নেই। নূরমহল নেই। এমনকি কেউ এখানে একটা শাহী হাম্মাম খানা (ওয়াযির খান বাথ) বা হিরণ মিনার ও তৈরি করেনি।

তারপরও আমাদের ছিল একটা সুন্দরবন যা সম্প্রতি যাত্রা শুরু করেছে পারমাণবিক শেষকৃত্যের দিকে। ঢাকা গেইট নামে মির জুমলা গেইট আছে উন্নয়নের মেট্রোরেইলের নীচে সমাধিস্থ। নান্দনিক কমলাপুর রেলস্টেশনটি এখন বুলডোজারের শব্দের অপেক্ষায় দিন গুনে। বহু ইতিহাসের সাক্ষী ৭০ বছরের পুরনো বাংলো, জ্ঞানপিয়াসীদের পদচারনায় মুখরিত মহানগর পাঠাগারটি এক ভুঁইফোড় পীরের সাম্রাজ্যে বিলীন। ১৫০ বছরের পুরনো ঢাকার প্রথম বাণিজ্যিক ভবন 'জাহাজ বাড়ি'টি খেয়ে ফেলেছে সদা ক্ষুধার্ত শিয়ালের দল। ছোট কাটরা, বড় কাটরা রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। মহান ভাষা আন্দোলনের সূতিকাগার প্রিন্সিপাল আবুল কাশেমের তমুদ্দন মজলিস এর স্মৃতিধন্য বাড়িটিও আজ highrise লালসার শিকার। সব-ই উন্নয়নের বলি।

উন্নয়নের এই জোয়ারে সরকারি আনুকুল্যে গ্রিক স্থাপত্যবিদ কনস্ট্যান্টিনোস এর দেশীয় সামাজিকতার আদলে মনো-দৈহিক সুস্থতার পরিকল্পনায় গড়া টিএসসি ভবন ভেঙে কয়েকটি ঝকঝকে সুউচ্চ ভবন তৈরি হতে যাচ্ছে। কিছুদিনের মধ্যেই চুড়ান্ত আঘাত আসবে বলে শুনছি।

এ এক আত্মঘাতী পরিকল্পনা।

মন, মনস্তত্ত্ব, মানসিকতা বলে কিছু শব্দ তো একসময় ছিল বাংলা অভিধানে। মানবিক, মানবতা, মনন, মননশীল এসবও কি আর নেই? এখন কি তবে ঐতিহাসিক, ঐতিহ্য এদেরও যাবার সময় হয়ে এলো?

আপনি কি কখনো টিএসসিতে গিয়েছেন?
আপনি সারাদিনই টিএসসিতে আড্ডা দেন?
এখনও টিএসসিতে বসে আছেন?
আচ্ছা ঠিক আছে। এই একটা বার শুধু আপনি আমার কথা শুনুন। আপনি এই মুহূর্তে গাবতলি চলে যান। সেখানে একটি রিকশা নিন, শুধু বলুন টিএসসি যাবেন। আর কিছু বলতে হবে না। সড়ক দ্বীপে নেমে এবার কেবল টিএসসি দেখার উদ্দেশ্যে টিএসসির ভেতরে ঢুকুন। প্রজাপতির পাখার নিচ দিয়ে ভেতরে ঢুকতেই অমসৃণ মেঝে, বাঁ দিকে সিমেন্ট খসে পড়া সিঁড়ি দেখতে পাবেন। সমস্যা নেই, সামনে এগিয়ে যান। লোহার গেট দিয়ে ঢুকে পড়ুন। কি দেখতে পাচ্ছেন? সবুজ খোলা মাঠ? এটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের বৈঠকখানা। ডানদিকে অধিবৃত্তসদৃশ ব্যাতিক্রমী একটি বিল্ডিং। এটা মিলনায়তন। কয়েক পা হেঁটে মিলনায়তনের সামনে গিয়ে মাঠের দিকে মুখ করে দাঁড়ান। আকাশটা নীল দেখাবে। বুক ভরে অক্সিজেন নিন। একদম ফ্রি। সামনে এগিয়ে যান, ডানদিকে ফোয়ারা পাবেন, পানির গ্যারান্টি নেই। হাতের বামে এবং ডানে দুটো বড় বড় কক্ষ দেখতে পাবেন। ডান দিকেরটায় প্রবেশ করুন। এটা গেইমস রুম। টেবিল টেনিস খেলতে পারেন। ড্রেসিংরুম আছে। আবৃত্তি, নাটকের রিহার্সালও হয় এখানে। রুম থেকে হেঁটে পশ্চিম দিকে বের হয়ে গেলে সুইমিংপুলে পড়ে যাবেন। সাঁতার জানেন না? ভয় নেই, এখানে শুধু বৃষ্টি হলেই পানি জমে এখন। গোসলখানা, টয়লেটও পাবেন। এবার বের হয়ে আসুন গেইমস রুম থেকে। সামনের অন্য বড় কক্ষটিই হচ্ছে ক্যাফেটেরিয়া। এখানেই ভাইস-চ্যান্সেলর আখতারুজ্জামান স্যারের চা-সিঙ্গারা-সমুচা-চপের স্পেশাল মেনিউ(menu)টা পাবেন ১০ টাকায়। আপনি কি এসব জানতেন? ফিরে চলুন এবার। যে করিডোর ধরে হেঁটে যাচ্ছেন তার চারপাশে দেখুন কেমন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক আড্ডা জমে উঠেছে। অবসকিউর এর একটা গানও আছে তো, 'ফার্স্ট ইয়ার কেটে যায়, টিএসসির বারান্দায়'। মিলনায়তনের উত্তর পাশের চওড়া বারান্দা মত জায়গায় ছেলেরা নামাজ পড়ে, অজুর ব্যবস্থাও আছে। লোহার গেইট পেড়িয়ে ভাঙা সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের অফিস পাবেন। সাবধানে যেতে হবে, লাইট বালবগুলো সবসময় কাজও করে না। ওহ ভেতরের অতিথিশালার কথা তো আপনাকে বলা-ই হয়নি।

নতুন প্রস্তাবিত নকশাটি আমি দেখিনি। ধারণা করি এতে হয়তো অনেক সুযোগ সুবিধা থাকবে। অনেক রুম থাকবে। রুমের আকার বড় থাকবে। নাচ, গান, নাটক, আবৃত্তি, বিতর্কের আলাদা সব রিহার্সেল কক্ষ থাকবে। অনেক অর্থের বিনিয়োগ থাকবে। সবই ভালো। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অকৃত্রিম বন্ধু ও সোচ্চার কণ্ঠ, ফরাসি সাহিত্যিক, দার্শনিক আন্দ্রে মলরো, যার নামে 'মলচত্বর' এর নামকরণ, তাঁকে আতিথ্য দেয়ার স্মৃতিটুকু নতুন দালানে থাকবে কি? দেশি বিদেশি অসংখ্য গুণী মানুষের পদচারণায় ধন্য ইট, কাঠ, পাথরের আবেগগুলো একই গভীরতার হবে কি? শীতের সকালে বা বসন্তের এক সন্ধ্যায় এককাপ ধূমায়িত আদা চায়ের পরশে স্লোগানক্লান্ত ভোকাল কর্ড সেই একই উষ্ণতার ছোঁয়া পাবে কি? থাকবে কি, বারান্দায় ছোট ছোট গ্রুপের পাশাপাশি বসে বৃন্দআবৃত্তি চর্চার মনভুলানো দৃশ্য? নাটকের সংলাপ মুখস্থ করার আয়োজনে মজার ভুলে হাসিয়ে মেঝেতে গড়াগড়ি যাবার উচ্ছ্বাস সেখানে পাওয়া যাবে তো? ইট, পাথর, সিমেন্ট, কংক্রিট এর অসহনীয় ঢাকা শহরে একটু উচ্চমার্গের শান্তিনিকেতনি আমেজ মিলবে কি আপনার ঝাঁ চকচক আকাশছোঁয়া নতুন বাক্সে?

আমাদের মস্তিষ্ক এত নিরেট কেন?

বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য অর্থ জমে যদি উপচে পড়ার উপক্রম হচ্ছে তাহলে লাইব্রেরিটাকে সত্যিকার অর্থেই বিশ্বমানের করুন। পড়াশোনা করতেই শুধু না ছাত্ররা যেন ছুটে আসে লাইব্রেরির সাথে সময় কাটাতে সেই ব্যবস্থা করুন। বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার পথ প্রশস্ত করুন, উঁচুমানের গবেষণার সুযোগ তৈরি করুন। 'ডঃ বাকুশাহ' হওয়া প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলনে উৎসাহ দিন। ছাত্রছাত্রীদের ভালো ফলাফলে উৎসাহ দিতে যথেষ্ট পরিমান আর্থিক প্রণোদনার ব্যবস্থা করুন। অতিসত্বর ক্লাসরুমগুলোর আধুনিকায়ন করুন। শিক্ষকদের আধুনিক শিক্ষাপ্রদান পদ্ধতির উপর প্রশিক্ষণ প্রদান করুন। আপনারা হয়তো জানেন না, পৃথিবী অনেক এগিয়ে গিয়েছে। আমরা এখনো বোবাদের সামনে বকবক লেকচারেই পড়ে আছি।

এসব যদি না পারেন তো অন্তত হলের ক্যান্টিনের ডালটা যেন ঘন হয় তা নিশ্চিত করুন।

এটাও যদি করতে অক্ষম হন তাহলে টিএসসির নতুন ইভল(evil) নকশাটা ছিড়ে ফেলুন। উন্নয়ন করতে পুরনোকে ধ্বংস করতে হবে, কে বলেছে?
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১১:১৪
৬টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×