দেশে তখন প্রতিটা পুরুষ নাগরিকের জন্য এক বছর মিলিটারী ট্রেনিং নেয়া বাধ্যতামূলক ছিলো। পুরো বিষয়টা আমি শ্রদ্ধা, রোমাঞ্চ ও প্রশংসার দৃষ্টিতে দেখেছি। কঠোর শ্রমের অভিজ্ঞতা শুধু আত্মনিয়ন্ত্রণ বা শৃঙ্খলাবোধ শিখায়নি, দেখিয়েছে দেশের জন্য আত্মত্যাগের আবেগটা কতটা উচু পর্যায়ের। বিপদসংকুল বনের ভিতর ভারি অস্ত্র কাধে নিয়ে মহড়া দেয়া, মাইলের পর মাইল হাটা, রাতের ক্যাম্পফায়ার, প্রবল বর্ষণের মাঝে ঘন বন পেরিয়ে পাহাড়ে ওঠা- এর চেয়ে সুখকর অবসরযাপন আর কী হতে পারে? কিন্তু ঘানার বংশোদ্ভূত সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আধা পাগল এক সতীথর্ [ইংলিশ]এরষনবৎঃ ঞঁযধনড়হুব[/ইংলি
শ] -র আবেগ চাপা কিছু কথা আমার চিন্তার মোড় ঘুরিয়ে দেয়। তার কথার সারমর্মর্টা ছিলো,
সামানের দিনের যুদ্ধগুলো হবে অন্যায্য আর অসামঞ্জস্যপূর্ণ । গণতন্ত্রের প্রসব বেদনার আড়ালে দাসতত্ত্ব শিখাতে পরাশক্তি গুলোর পাঠিয়ে দেয়া রোবটের সাথে তৃতীয় বিশ্বের বুভূক্ষ, নাঙ্গা মানুষগুলোর। নিরাপরাধ মানুষের লাশ গুণে ঘরে তুলবে সন্ত্রাসী নিধনের সাফল্য। রোবট ধ্বংসে সেই শূকর খোর , কুকুর পালক, পাশবিক যৌনতার ধ্বজ্জ্বাধারী পাশ্চাত্যের বিবর্ণ গৈরিক প্রাণীগুলোদের আসবেনা কোন হতাহতের খবর । তাই বলে দুর্ভিক্ষ ,অর্থনৈতিক অবরোধ যুদ্ধ আর মৃতু্যর ভয়ে প রাশক্তির সাথে দাসত্বের বিনিময়ে কোন রক্তমাংসধারী মেরুদন্ডী মানুষ আপোস করতে পারেনা। যুদ্ধে পরিবারহারা ছেলেটি জীবনে কয়েকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল। সেদিন সে কোন ন্যায় যুদ্ধে ঝাপিয়ে নিজের জীবন বিসর্জন দিবার পণ করেছিল আমার সামনে এবং বলেছিল,
This training is crucial for me and that
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



