পরে দেখি যে এয়ারপোর্টে বিভিন্ন সাইনের মধ্যে চ্যাপেল বলে একটা চিহ্ন আছে। ঘুরতে ঘুরতে শেষে বের করলাম খুঁজে চ্যাপেল কাহাকে বলে। গিয়ে দেখি লেখা আছে মাল্টি ফেইথ প্রেয়ার রুম। মতলব অফিশিয়ালি এই যায়গায় একই সাথে জুম্মার খুতবা আর কালীপূজা চলতে পারে, যতক্ষণ না মারদাঙ্গা শুরু হচ্ছে। আর প্র্যাক্টিকালি হচ্ছে দিব্যি কিবলার দিক চিহ্ন দেয়া আছে, আর শেলফে একগাদা জায়নামাজ আর বইয়ের শেলফে কোরআন। এক দিকের শেলফে কয়েকটা বাইবেল আর এক দুই কপি গীতাও আছে মনে হল। নামাজের জন্য ছেলেদের আর মেয়েদের জন্য দিব্যি আলাদা যায়গা। আর সাথে অযুখানাও আছে।
আমি যখন আসছি তখন মাগরিবের সময় যায় যায় করছে। তাই দৌড়াদৌড়ি করে গিয়ে মাগরিব শেষ করে দেখি আর দশ মিনিট পরেই এশার সময়। তাই একটু দেরী করে রাত্রিপর্ব শেষ করে শান্তি। নামাজের যায়গায় আরব, ভারতীয়, মালে অনেক কিসিমের মানুষ দেখলেও লেডী সেকশন দেখি ফকফকা। শুধু সুইট চেহারার দুই চারটা মালে কন্যা এসে হুটহাট নামাজ পড়ে হাওয়া হয়ে গেল। আমি মনে মনে ভাবলাম ঢাকার বুকিং এর লম্বা লাইনে দাঁড়ানো বোরখা চাচীরা গেলো কই?
এত ফ্যাসিলিটি থাইকাও ফাঁকি দিলে খয়বরে গেলে ছাড়ন নাইঃ(। রেডি থাইকেন জনগণ।
বাই দা ওয়ে একবার গ্যাটউইক এয়ারপোর্টে গেসলাম। ওইখানেও ভিআইপি ফ্যাসিলিটি। কেউ গেলে চ্যাপেলের খোঁজ লাগাইয়েন। উপরের তলায় বিরাট রুম আছে। যে একঘন্টা ছিলাম, তখন এক বুড়াটাইপের পাদ্রী ফ্যামিলিরে (বুড়াবুড়ী)আধা ঘন্টা প্লেনের জন্য বসে থাকা ছাড়া আংরেজ আর কাউরে পাইলাম না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



