কল্পনা থেকে যদি আমরা বাস্তবে ফেরত চলে আসি, তাহলে এখন পর্যোন্ত বর্তমান কিছুটা ঝাপসা। আজকাল মাঝেমধ্যেই দেখি এমনকি আমাদের দেশের প্রকৌশলের ছাত্ররাও দিব্যি রোবট বানাতে বসে যাচ্ছে, আর অনেক সময়েই মানসম্মত কিছু একটা দাঁড় করিয়েও ফেলছে। আশা করি এই প্রযুক্তিপাগলেরাই এক সময়ে বিরাট কিছু উপহার দিতে পারবে আমাদেরকে।
তবে বাস্তবতা হল, এক শতাব্দী আগেও যা কল্পনা করা যেত না, তেমনি ভয়াবহ প্রসেসিং ক্ষমতা নিয়েও আমাদের আজকালকার রোবটগুলো অনেক প্রিমিটিভ। হোন্ডা গত তিরিশ বছর ধরে গাদাগুচ্ছের পয়সা খরচ করে এসিমোকে সবেমাত্র হালকা দৌড়ে উৎসাহিত করতে পেরেছেন। আবার অনেকে কিছুটা দৌড়াতে পারলেও বিদ্যাবুদ্ধির অবস্থা কেরোসিন। আসলে মানুষ হিসাবে আমরা প্রথমেই চিন্তা করি রোবট হলে দুপেয়ে হতে হবে, একটা নাক থাকবে, একজোড়া চোখ হবে, মাথা হবে, হাত পা হবে। কিন্তু আসল রোবটিক কাজের জন্য এগুলোর অনেকগুলোরই কোন প্রয়োজন নেই। তাই বিচিন্ন শিল্পকারখানায় যে লক্ষ লক্ষ রোবট কাজ করে সেগুলো আমাদের চোখে রোবটই না। আর মানুষ দুপেয়ে হওয়াতে, সেটার ব্যালেন্স রোবটের মধ্যে আনা ভয়াবহ কঠিন। তবে বহু গবেষণার ফসল হিসাবে বিজ্ঞানীরা কিছুকিছু আগাচ্ছেন।
তবে আশ্চর্য প্রতিভাবানেরা কোন সুযোগসুবিধা না পেলেও নিজেদেরকে এগিয়ে নিয়ে যান।
তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মনে হয় যান্ত্রিক উন্নতির চেয়ে অনেক দ্রুত বেড়ে উঠছে। আজকালকার কম্পিউটার গেমগুলোতে যেসব 'বট' ব্যাবহার করা হয়, সেগুলো দেখলে অনেক সময় বোঝাই যায় না যে সেগুলোর পিছে মানুষ নাই বরং মানুষের চাবি দেয়া কিছু কলের পুতুল। আশ্চর্য রিয়েলিস্টিক এক রোবটের গল্প।
আর আমাদের প্রিয় এসিমো একটু দৌড়াতে শিখেছে। দেখুন
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুন, ২০০৭ বিকাল ৪:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


