somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রোবটকান্ড

৩০ শে জুন, ২০০৭ বিকাল ৪:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পিচ্চিকালে হাউমাউখাউ করে সাইফাই পড়তাম। আর সাইফাই মানেই ফিউচার নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি আর ফিউচার মানেই স্পেস এডভেনচার, স্পেস ট্রাভেল আর অবশ্যই একগাদা রোবট। আর রোবট নিয়েই আজকের দুলাইন। রোবটদের নিয়ে দুই ধরণের অগ্রগতি নিয়ে ভাবতাম। এক হল, রোবট নামের যন্ত্রটি কতটা নমনীয়, দক্ষ, আর শক্তিশালী হবে। আর দ্বিতীয় হল, মানুষের বুদ্ধিমত্তা আর মনের তুলনায় যান্ত্রিক আর লজিকাল মন কতটা কাছাকাছি যেতে পারবে। আর এই দুই ধারাতেই লেখক, সাহিত্যিক আর অন্যান্যরা কল্পনার রেলগাড়ী ছুটিয়ে দিয়েছেন। ছোটবেলায় পড়া জাফর ইকবালের লেখা "কপোট্রনিক রুপান্তর" এখন পর্যন্ত আমার পড়া সেরা সাইফাই গুলোর মধ্যে একটি। কপোট্রনিক মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে বিবর্তনের মাধ্যমে কিভাবে বদলাতে পারে তার এক চমৎকার স্কেচ।

কল্পনা থেকে যদি আমরা বাস্তবে ফেরত চলে আসি, তাহলে এখন পর্যোন্ত বর্তমান কিছুটা ঝাপসা। আজকাল মাঝেমধ্যেই দেখি এমনকি আমাদের দেশের প্রকৌশলের ছাত্ররাও দিব্যি রোবট বানাতে বসে যাচ্ছে, আর অনেক সময়েই মানসম্মত কিছু একটা দাঁড় করিয়েও ফেলছে। আশা করি এই প্রযুক্তিপাগলেরাই এক সময়ে বিরাট কিছু উপহার দিতে পারবে আমাদেরকে।

তবে বাস্তবতা হল, এক শতাব্দী আগেও যা কল্পনা করা যেত না, তেমনি ভয়াবহ প্রসেসিং ক্ষমতা নিয়েও আমাদের আজকালকার রোবটগুলো অনেক প্রিমিটিভ। হোন্ডা গত তিরিশ বছর ধরে গাদাগুচ্ছের পয়সা খরচ করে এসিমোকে সবেমাত্র হালকা দৌড়ে উৎসাহিত করতে পেরেছেন। আবার অনেকে কিছুটা দৌড়াতে পারলেও বিদ্যাবুদ্ধির অবস্থা কেরোসিন। আসলে মানুষ হিসাবে আমরা প্রথমেই চিন্তা করি রোবট হলে দুপেয়ে হতে হবে, একটা নাক থাকবে, একজোড়া চোখ হবে, মাথা হবে, হাত পা হবে। কিন্তু আসল রোবটিক কাজের জন্য এগুলোর অনেকগুলোরই কোন প্রয়োজন নেই। তাই বিচিন্ন শিল্পকারখানায় যে লক্ষ লক্ষ রোবট কাজ করে সেগুলো আমাদের চোখে রোবটই না। আর মানুষ দুপেয়ে হওয়াতে, সেটার ব্যালেন্স রোবটের মধ্যে আনা ভয়াবহ কঠিন। তবে বহু গবেষণার ফসল হিসাবে বিজ্ঞানীরা কিছুকিছু আগাচ্ছেন।

তবে আশ্চর্য প্রতিভাবানেরা কোন সুযোগসুবিধা না পেলেও নিজেদেরকে এগিয়ে নিয়ে যান।



তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মনে হয় যান্ত্রিক উন্নতির চেয়ে অনেক দ্রুত বেড়ে উঠছে। আজকালকার কম্পিউটার গেমগুলোতে যেসব 'বট' ব্যাবহার করা হয়, সেগুলো দেখলে অনেক সময় বোঝাই যায় না যে সেগুলোর পিছে মানুষ নাই বরং মানুষের চাবি দেয়া কিছু কলের পুতুল। আশ্চর্য রিয়েলিস্টিক এক রোবটের গল্প।



আর আমাদের প্রিয় এসিমো একটু দৌড়াতে শিখেছে। দেখুন



সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুন, ২০০৭ বিকাল ৪:৫০
১০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

‘ছুটি’র স্মৃতি

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০

(প্রায় দু’মাস আগে লেখা। তখন গ্রীষ্মকাল হলেও ঢাকায় কয়েকদিন পরপর বৃষ্টি হতো। এখনকার মত “ঘাম ঝরে দরদর” ধরণের গরম ছিল না। রাতগুলো তুলনামূলকভাবে বেশ ঠাণ্ডা থাকতো।)

আজ খুব ভোরে (শেষরাতে)... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে কারণে এবারের বিশ্বকাপও আর্জেন্টিনার ঘরেই উঠবে B-)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৪



কারণ আর্জেন্টিনা দুর্দান্ত, মেসি-মার্তিনেজরা অপ্রতিরোধ্য। আর্জেন্টিনা এখন পর্যন্ত এই বিশ্বকাপের সবগুলো ম্যাচেই একছত্র আধিপত্য দেখিয়ে জয়লাভ করে প্রবল বেগে ফাইনালের দিকে ধ্বাবিত হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে গতবারের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরানে দরীদ্রদের হাতে নগদ টাকা পৌঁছানোর নীতি বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিয়েছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৭



ইরানের ২০১০ সালে প্রবর্তিত 'টার্গেটেড ক্যাশ ট্রান্সফার' বা সরাসরি গরিবের হাতে নগদ টাকা পৌঁছানোর নীতিটি বিশ্ব অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞানের ইতিহাসে অন্যতম বৃহত্তম এবং সবচেয়ে সাহসী পরীক্ষা হিসেবে স্বীকৃত। বিশ্বব্যাংকের... ...বাকিটুকু পড়ুন

হোমিওপ্যাথি হচ্ছে একটি ধাপ্পাবাজ কিবিরাজি চিকিৎসা পদ্ধতি এর বৈজ্ঞানিক কোন ভিত্তি নেই

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১:০৪



হোমিওপ্যাথি যে একটি ভাঁতাবাজি চিকিৎসা পদ্ধতি তা আমি আগেও জানতাম কিন্তু আমি কখনো এর বিরুদ্ধে কথা বলিনি বা কোথাও কিছু লিখিনি- তবে আজ কি মনে করে চ্যাটজিপিটির কাছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লবের শরিকরা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ২:৪১

যারা বিপ্লব আনে, তারা বিপ্লব টেকায় না। যারা বিপ্লব টেকায়, তারা শরিকদের টেকায় না। ১৯৭৯ সালে ইরানে খোমিনি ক্ষমতায় এসেছিল বামদের কাঁধে চড়ে। কমিউনিস্ট, সেকুলার, নারীবাদী—সবাই শাহের বিরুদ্ধে এক কাতারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×