একটি দল সব ভুলে গিয়ে ক্ষমার মাধ্যমে এক নতুন ধারার রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চায় অপরটির সেই চিরায়ত চরিত্র থেকে বের হতে পারছে না। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার পড়লে বুঝা যায় তারা যে দেশের চলমান প্রতিহিংসা পরায়ন রাজনীতি বিলুপ্ত করে উন্নত দেশের মতো উদার ও সাম্যের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তাই তারা বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার রাখার ঘোষনা দিয়েছে, দিয়েছে কাউকে হয়রানী না করার প্রতিশ্রুতি, এবং রয়েছে, প্রতিহিংসার রাজনীতি পুরোদমে বিলুপ্ত করে সভ্য ও নতুন ধারার রাজনীতির কথা, এবং সংসদে সকল ক্ষমতা যাকে এক ব্যক্তির অধিনে না থাকে তাই পরপর ২ মেয়াদের বেশী প্রধানমন্ত্রী হবার বিধানও বিলুপ্ত করতে চায় তারা, আনবে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য, এবং স্থানীয় জনপ্রিতিনীতিদের কাছে দেশের উন্নয়নের দায়িত্ব তুলে দিতে চায়, সেই সাথে সম্প্রীতির রাজনীতির মাধ্যমে সংসদে গণভোট প্রথা চালু করবে। সব মিলে এবারের বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার হলো শান্তির ইশতেহার, অন্যদিকে ক্ষমতাসীন স্বৈরাচার শাসকের ইশতেহারে তথাকথিত উন্নয়নের দোহাই ছাড়া মানুষের অধিকার ও দেশের স্থিতিশীল রাজনীতি প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ নেই, কারণ তাদের রক্তপাত বেশী প্রিয়, তারা আরো রক্ত চায়, দেশকে ২ ভাগে বিভক্ত করে পয়দা লুটতে চায়, তাদের নেত্রী লগি বৈঠার নেত্রী তিনি শান্তির পথে আসতে মানা ।
আজ যদি আপোসহীন দেশনেত্রীর স্থানে হাসিনা থাকতো তবে দেশে রক্তের বন্যা বয়ে যেতে, কারণ দলটি একটি সন্ত্রাসী ও উগ্রবাদী সংগঠন
এখন সিদ্ধান্ত আপনাদের কোন দিকে যাবে ?
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



