মানুষ খুব খারাপ হয়ে গেছে। কথায় কথায় মিথ্যা। যে যতো মিথ্যা বলায় পটু তারে তত চালাক ধরা হয়। আজকেও একটা মিথ্যা বললাম, মা কে। গিয়েছিলাম ফ্রেন্ড দের সাথে আড্ডা মারতে আর বললাম গ্রুপ স্টাডি করছি। মা যখন আমার কথা বিশ্বাস করলো, তখন নিজের অজান্তেই একটা বিজয়ী হওয়ার আনন্দ লাগলো মনে। কিন্তু কিছুক্ষন পর এটা ভাবতে নিয়ে মনের মধ্যে পাপবোধ এর সৃষ্টি হল। ভাব্লাম, নাহ আর মিথ্যা বলা যাবে না। কিন্তু আমি মিথ্যা না বললে তো আর পুরা দুনিয়া থেমে থাকবে না। তাই মানুষের মিথ্যা কিভাবে ধরা যায় তাই নিয়ে কিছু ঘাটাঘাটি শুরু করলাম। এর মধ্যে বেশ কয়েকটা গোল্ডেন রুল অনেক ভালো লাগলো।
১.মিথ্যা বলার সময়, মানুষ unnecessary explanation খুব বেশি দেয়।
২. সে যাকে মিথ্যা বলে তার সাথে খুব কম eye contact করে।
৩. যে topic নিয়ে সে মিথ্যা কথা বলে, সেই টপিক চেঞ্জ করা হলে সে বেশ স্বস্তি বোধ করে।
৪. হাত পা এর মুভমেন্ট কম করে।
৫. কথা বলার সময় ঘুরায় পেচায় বলে। যেমন ডাইরেক্ট কথা না বলে এভাবে বলা শুরু করে, ‘আমি যেটা বলতে চাচ্ছি সেটা হল……’ এতে করে সে মন মতো ব্যাখ্যা তৈরি করার সময় পায়
৬. যাদের খুব বেশি মিথ্যা বলার অভ্যাস তারা এধরণের কথা বলে,
‘তুমি কি আমাকে বিশ্বাস কর না?’
‘তুমি কি ভাবছ আমি বানিয়ে বলছি’
৭. মিথ্যা বলার সময় আশেপাশে কি হচ্ছে এইসব বিষয়ে সে খেয়াল করতে পারে না। অর্থাৎ কিছুটা এ্যাবসেন্ট মাইন্ডেড থাকে।
৮. বাকি গুলো আপ্নারা সাজেস্ট করতে পারেন……
এগুলো এখন পর্যন্ত বের করলাম।
আসুন আমরা মিথ্যা বলার অভ্যাস পরিত্যাগ করি।
মানুষ খুব খারাপ হয়ে গেছে। কথায় কথায় মিথ্যা। যে যতো মিথ্যা বলায় পটু তারে তত চালাক ধরা হয়। আজকেও একটা মিথ্যা বললাম, মা কে। গিয়েছিলাম ফ্রেন্ড দের সাথে আড্ডা মারতে আর বললাম গ্রুপ স্টাডি করছি। মা যখন আমার কথা বিশ্বাস করলো, তখন নিজের অজান্তেই একটা বিজয়ী হওয়ার আনন্দ লাগলো মনে। কিন্তু কিছুক্ষন পর এটা ভাবতে নিয়ে মনের মধ্যে পাপবোধ এর সৃষ্টি হল। ভাব্লাম, নাহ আর মিথ্যা বলা যাবে না। কিন্তু আমি মিথ্যা না বললে তো আর পুরা দুনিয়া থেমে থাকবে না। তাই মানুষের মিথ্যা কিভাবে ধরা যায় তাই নিয়ে কিছু ঘাটাঘাটি শুরু করলাম। এর মধ্যে বেশ কয়েকটা গোল্ডেন রুল অনেক ভালো লাগলো।
১.মিথ্যা বলার সময়, মানুষ unnecessary explanation খুব বেশি দেয়।
২. সে যাকে মিথ্যা বলে তার সাথে খুব কম eye contact করে।
৩. যে topic নিয়ে সে মিথ্যা কথা বলে, সেই টপিক চেঞ্জ করা হলে সে বেশ স্বস্তি বোধ করে।
৪. হাত পা এর মুভমেন্ট কম করে।
৫. কথা বলার সময় ঘুরায় পেচায় বলে। যেমন ডাইরেক্ট কথা না বলে এভাবে বলা শুরু করে, ‘আমি যেটা বলতে চাচ্ছি সেটা হল……’ এতে করে সে মন মতো ব্যাখ্যা তৈরি করার সময় পায়
৬. যাদের খুব বেশি মিথ্যা বলার অভ্যাস তারা এধরণের কথা বলে,
‘তুমি কি আমাকে বিশ্বাস কর না?’
‘তুমি কি ভাবছ আমি বানিয়ে বলছি’
৭. মিথ্যা বলার সময় আশেপাশে কি হচ্ছে এইসব বিষয়ে সে খেয়াল করতে পারে না। অর্থাৎ কিছুটা এ্যাবসেন্ট মাইন্ডেড থাকে।
৮. বাকি গুলো আপ্নারা সাজেস্ট করতে পারেন……
এগুলো এখন পর্যন্ত বের করলাম।
আসুন আমরা মিথ্যা বলার অভ্যাস পরিত্যাগ করি।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুলাই, ২০১১ সকাল ১০:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



