১।
তোমার রাজত্বে দু'টি মন্ত্রপূত ঘোড়া রাখবো আর
হারিয়ে ফেলবো মাঝরাতের ঘুম, কোলাহল- অধিকার
বিষাদের যত চুক্তিনামা মসলিন কাপড়ে
ক্রমিক ভোলা আকাশে দেখো মেঘরঙা দুখ ঝোলে
একটা ঘোড়া অতীতমূখী অন্য ঘোড়াটা অন্ধ
কিংখাবের সাথে তরবারি যেন রক্তগন্ধে বন্ধ
ঘুম হারানো মাঝরাতটা দিলাম তোমাকে ঋণ
ঘোড়ার সহিস আমার প্রেম বাজায় করুন বীণ
সেই বীণ শুনে আগলে আধার স্মৃতিকেই ডেকে আনো
হিসেব করে কেউ প্রেমেতে পড়ে না এটা নিয়তি জেনো
আত্মভোলা ঘোড়ার লাগাম চেপে গন্তব্যে চলি
নিজের সাথে হেরে যাবার গল্প নিরবে বলি।
২।
আমি প্রার্থনায় বসি না আর, কবিতা আমার উপর নাজিল হয় বৃষ্টির মত, মৌসুমী হাওয়ায়; পাল খুলে ফেলা নাবিক জানে গন্তব্য কোথায়- আমার শব্দশখা টুপটাপ ঝরে মেঘলা সায়াহ্নের দূরগত বিবেকে যখন মাতাল ঘোরে পাথাল পারিপার্শ্বিক!
৩।
আমি মানুষের প্রতিউত্তরের অপেক্ষায় বসে থাকি; ছিপ ফেলে মাছের অপেক্ষা যেমন। কোন হারিয়ে যাওয়া সুর শুনে যদি কেউ বিস্মিত হয়- অথবা বলে ফেলে: স্কুলে পড়ার সময় এ গানটা শুনেছি! আমি তাকে অজান্তে জিজ্ঞেস করি, তুমি স্কুল ছেড়েছ কবে মেয়ে!
আমি মুখামুখি কখনও বসি নি জিজ্ঞেসিতের, তাই না দেখেই আঁচ করি তার অত:পর কোমল চিবুকের কোথায় আজ বয়সী শিশির।
অথবা বুঝে নেই প্রতিউত্তরের অপেক্ষা সময় অতিক্রম করে কখনও!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


