অচেনা জনপথ আমাকে মুগ্ধ করে; অচেনা গাছ পাথর, মানুষের মুখ, দেহ আর ভাষার ভিন্নতা আমি কখনও কফিশপে অথবা বিপনিবিতানের সামনে দাডিয়ে রৈখিক ঋজুতায় লক্ষ্য করি। মানুষের অবাক আর স্বাভাবিক দৈনন্দিন যাপন হয়ত একটা স্রোত, একটা পরম্পরা তবুও সেখানে আমি মূল্যহীন কিছু ভাবনা রেখে বয়স্ক হই।
আমি যদি ভেবে ফেলি যে আমার কোন দেশ নেই, মানচিত্র নেই, আত্মিয় নেই - বন্ধু আছে হয়ত, একা আর একক একটা জীবনের পূরদস্তুর মালিকানা শুধু আমার; তাই জনসমষ্টির বিরুদ্ধে কিছু কিছু মুখ মনে রেখে কাউকে কাউকে স্মরণ করি, আর তখনই আমি হয়ে উঠি নিদিষ্ট দ্রাঘিমায় চলাচলকারী একটি পরিণত ভ্রুণ।
আকাশের পিছনে যে অন্তহীন জীবন, আমার বিশ্বাসের মহিরুহ সে অবাতাসী দিগন্তে যদিও রুদ্ধ তবুও মানুষের অস্তিত্বে আমি সীমাহীনতা ছড়িয়ে দিই। কেউ হয়ত দিনান্তে হিসেবের খাতায় মখমল স্বস্তি খুঁজে পায়, কেউ হয়ত চর্বিত বিষাদে লীন হয়ে সেই আকাশেই তাকায়-
আর অচেনা জনপথে আমি আকাশেরও বাহির এক নি:সীমতা আলিঙ্গন করে বলি: এটাই আমার সাধ্যের বলয়; যাপিত জীবনে কোন দূ:খবোধ থাকে না আর।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৩:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




