খবরটা অত খুশীর নয়, তবে ভালো খবর; খবরটা হচ্ছে, পেট্রোল বোমা দেশীয় টেকনোলোজীতে তৈরি হচ্ছে, এর জন্য রেমিট্যান্সের হার্ড কারেন্সী বা চোরাইপথে আনা স্বর্ণ দিয়ে কিনতে হচ্ছে না; সাথে সাথে আরো ভালো খবর যে, যদিও এটা আমাদের আবিস্কার নয়, এর জন্য পেটেন্ট নিতে হয় না, কিংবা রয়েলটি দিতে হয় না; এবং আরো ভালো খবর যে, এ কাজে ভালো ফাইনেন্সীয়ারও পাওয়া যাচ্ছে।
গত ৪৪ বছর বাংলাদেশের ইউনিভার্সিটিগুলোতে কোন কিছুর উপর দীর্ঘ মেয়াদী রিসার্চ করা সম্ভব হয়নি: রিসার্চে ব্যাকগ্রাউন্ড গড়ে ওঠেনি, বেশীর ভাগ শিক্ষকই পার্টির লোক, লাল, নীল, সাদা, কাউয়া ইত্যাদি, এরা অপরাজনীতিতে সময় ব্যয় করে; ছাত্ররা ছাত্রলীগ, ছাত্রদল, শিবির: এরা টেন্ডার বেচাকেনা করে, অস্ত্র থেকে মাদক ব্যবসা করে, কেহ রগ কাটার যন্ত্র বানায়।
সরকার রিসার্চের জন্য ১০ পয়সার বাজেট রাখে, প্রাইভেট থেকে রিসার্চের জন্য টাকা কেহ দেয় না; এখন দিচ্ছে সবাই দিচ্ছে পেট্রোল বোমা টেকনোলোজীতে।
ভারতের বেশীর ভাগ ইউনিভার্সিটি আইবিএম, মাইক্রোসফট, ইনটেল, হানি-ওয়েল, টাটা, প্রক্টর এন্ড গেমবল, ফাইজারের হয়ে রিসার্চ করে, টাকা কামায়, বুদ্ধি বাড়ে।
পেট্রোল বোমা যখন দেশীয় টেকনোলোজীতে বানাতে পারছে, কিছুদিনের মাঝে কোয়ালিটি টাইম বোমা, গ্রেনেড, পিস্তল বানাতে পারবে। এগুলো ভালো বাজার আছে দেশে বিদেশে; এক্সপোর্ট বাড়বে।
২০১৩ সালে লেখাপড়া বন্ধ ছিল, এ বছরও বন্ধ থাকবে বলে মনে হচ্ছে; তরুণরা নতুন কিছু না শিখলে, আমরা টেকনোলোজী ও সায়েন্সে আগের যায়গায় পড়ে থাকবো; আমাদের সামনে যাওয়া বন্ধ করে দিচ্ছে হরতাল, অবরোধ।
আমরা পেট্রোল বোমার টেকনোলজী ও উহার ফাইন্যান্সে এগুচ্ছি, যা করছে পাকিস্তান, আফগানিস্তান, সোমালিয়া, সিরিয়া; ক্রমেই আমরা ওদের বন্ধু হচ্ছি।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



