আমাদের প্রাইম মিনিস্টারের ছেলে জয় এক বিরাট সায়েনটিস্ট; উনি প্রাইম মিনিস্টারের আইটি এডভাইজার; অবস্হা দেখে মনে হচ্ছে, প্রাইম মিনিস্টার উনাকে হয়তো আওয়ামী লীগের লাগাম হাতে দিতে চাচ্ছেন। উনার কথা শুনে মনে হচ্ছে, তিনি আইটি ব্যতিত আরো অনেক কিছুর সাথে জড়িত।
উনি কিছুদিন বাংলাদেশে থাকেন, আবার কিছুদিন থাকেন আমেরিকায়; আমেরিকা থেকে দেশে আসার পর, উনি মুখ খুলেন; মুখ খুললেই সমস্যা হয়ে যায়; ভুল কিছু একটা বেরিয়ে পড়ে; কিছুতেই সুবিধা হচ্ছে না।
আমেরিকায় দীর্ঘদিন থাকার ফলে, সেই দেশের কিছু সংস্কৃতি, সামাজিকতা, রাজনীতি শিখেছেন, আশা করা যায়; কিন্তু উনার কথাবার্তা আওয়ামী লীগের স্হানীয় নেতাদেরই মতো।
এবার তিনি বাংলাদেশের সুশীল রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন; তা ভালো, পায়ে পানি লাগাচ্ছেন। কিন্তু পানিতে না নেমে তিনি সোজাসুজি কাদায় নেমে গেছেন: উনি উনার নানার পছন্দের রাজনীতিবিদ ড: কামালের লেজ ধরে টান দিয়েছন; ড: কামালকে মোটামুটি দেশদ্রোহী ডেকে বসেসেন।
ড: কামাল ও উনি একই তত্বের লোক; সেই দিক থেকে ড: কামালের অবদান অনেক বড়; মরা বাংগালীকে ক্যাপিটেলিজমে নেয়ার জন্য তিনি ১ বছর খেটে এক সংবিধান লিখেছেন; আওয়ামী লীগ কথায় কথায় '৭২ এর যে সংবিধানের কথা বলে, উহার লেখকই ড: কামাল।
ড: কামাল জীবনে বড় প্রফেশানেল ছিলেন; বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের মাঝে ও আওয়ামী লীগের মাঝে তিনিই সঠিক পথে টাকা কামায়েছেন; এটা বাংগালী রাজননীতির ডাকাতির ইতিহাসে এক ব্যতিক্রম ব্যাপার। তিনি ক্যাপিটেলিজমের রাজনীতি করেন; তিনি বিশ্বাস করেন যে, সমাজে ফালু, কর্ণেল ফারূক, সালমান রহমান, ওয়ায়দুল কাদেরা থাকবে; থাকবে আব্বাস, খোকা, ফখরুল; এরা দেশ চালাবে। সাথে থাকবে মফিজ মিয়ারা, তারা সৌদী যাবে; থাকবে কলিমুল্লার মেয়েরা, তারা গার্মেন্টস এ কাজ করবে। জয়ও সেই তত্বই জানে, কিন্তু বলতে গেলেই মুখ দিয়ে ভুল কিছু বেরিয়ে যায়, এটা একটা সমস্যা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


