আমাদের জাতীয় অধ্যাপক, ডা: নুরুল ইসলাম, ১৯৪৬ সালে, কলিকাতার 'চট্টগ্রাম সমিতির' বৃত্তি নিয়ে ডাক্তারী পড়েছিলেন, উনি মরার আগে চট্টগ্রামে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি করে গেছেন; মোটামুটি ২০ লাখ টাকা লাগে পড়তে; ইহা ক্রিমিনাল কাজ।
বৃটিশ কলোনী পড়ালেখায় উৎসাহ দিতো না, শুধু জমিদার পরিবার বা তার থেকে ভালো পরিবারের ছেলেমেয়েরা পড়তে পারতো: জহরলাল নেহেরু, গান্ধী, জিন্নাহরা পড়ালেখা করেছেন; মওলানা ভাসানী ও কবি নজরুল পড়ালেখার সুযোগ পাননি।
প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি করার অনুমতি দেয়া ছিল ভয়ংকর ক্রিমিনাল কাজ; কয়েক'শ ক্রিমিনাল হাজার কোটীর মালিক হয়েছে; শেখ সাহেব, জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া, শেখ হাসিনা, মুহিতেরা মোটামুটি বিনা পয়সায় পড়ালেখা করেছে।
শেখ মুজিবর রহমান সাহেব বেঁচে থাকলে প্রাইভেট ইউনিভারসিটি করতে দিতেন না।
কয়েক'শ ক্রিমিনাল ইতিমধ্যে হাজার কোটীর মালোক হয়েছে, কয়েক কোটী ভুয়া সার্টিফিকেট বিক্রয় করেছে লন্ডনে, অন্যান্য দেশে ও দেশে। এবার মালোকানা নিয়ে নেয়া হোক।
আজকের ৮৩টি ইউনিভার্সিটিকে "একটি পাবলিক কোম্পানীর' অধীনে এনে, ছাত্রদের মা-বাবাকে মালিকানা দেয়া হোক 'বন্ড' আকারে; সাধারণ মানুষও বন্ড কিনতে পারবে, যদি ছাত্রদের মা-বাবা কিনার পর, আরও বন্ড বাকী থাকে। ইউনিভার্সিটিগুলোর ব্যয় ছাত্রদের থেকে ফি হিসেবে নেয়া হবে, যা হয়তো ১০০ গুণ কমে আসবে। ৩/৪ বছর পর, বন্ডগুলোকে 'শেয়ার' এ পরিণত করে, সেটাকে 'ইটিএফ' হিসেবে, ছাত্রদের ও তাদের মা-বাবাকে দেয়া হবে।
এতে শিক্ষার দাম ১০০ গুণ কমবে, পুরো দেশবাসী শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ পাবে, ও ফাইন্যানসিয়েলী লাভবান হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



