ঢাকাতে পুলিশ এস আই নিহত হয়েছে যাত্রীদের মালামাল চেক করার সময়; মনে হয়, গ্রুপে ৩ জন অপরাধী ছিল; তাদের একজন পুলিশ অফিসারকে চুরি দ্বারা মারাত্মকভাবে আহত করে; পুলিশ অফিসার প্রাণ হারায়েছেন; অপরাধীদের একজন ধরা পড়েছে, ২ জন পলাতক। পুলিশ ধৃত অপরাধীর নাম প্রকাশ করেছে; তার দেয়া স্টেইটমেন্ট প্রকাশ করেছে; যেজনের চুরিতে পুলিশ অফিসার নিহত হয়েছে, সেই অপরাধীর নাম প্রকাশ করেছে; সেই অপরাধী কোথায় থাকতো সেই স্হানের নাম প্রকাশ করেছে; সেই স্হান থেকে কিছু সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে; এবং বলেছে যে, তারা আসল অপরাধীকে গ্রেফতারের জন্য মাঠে নেমেছে।
এভাবে মিডিয়াতে সবকিছু প্রকাশ করে দেয়াতে অপরাধীকে খোঁজা কি সহজ হয়, নাকি অপরাধীরা দরকারী তথ্য পেয়ে পুলিশ থেকে নিজেদের রক্ষার সঠিক ব্যবস্হা নিতে সক্ষম হয়? আমার মনে হয়, ৫ম শ্রেণীর একটা বাচ্ছা বুঝতে পারবে যে, অপরাধীর কোন তথ্য প্রকাশ করলেই অপরাধী ও তার সাথের লোকেরা সেসব তথ্য ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা নেবে; তা'হলে পুলিশের সব লোকের প্রফেশানেল বুদ্ধিমত্তা কি ৫ম শ্রেণীর বাচ্ছার থেকে কম, নাকি এরা কোন এক ধরণের জিনিয়াস, যা আমি ও আমার মতো অনেকেই বুঝতে পারছি না!
পুলিশ যদি বলতো যে, এসআই হত্যার সাথে জড়িতদের ব্যাপারে পুলিস বিভাগ ব্যবস্হা নিচ্ছে; চলমান পদক্ষেপের কারণে, অপরাধীদের ব্যাপারে কোন তথ্য দেয়া সম্ভব হবে না; তা'হলে কি হয়?
তারপর, পুলিশ যখন সন্দেহজনক সবাইকে গ্রেফতার করার পর, ও যাদের আর এ মহুর্তে ধরা সম্ভব নয় বলে, ডিপার্টমেন্ট মনে করে, তখন সীমিত তথ্য প্রকাশ করে, তা'হলে কেমন হয়? অপরাধীরা গ্রেফতার হলে, তাদের নিকটবর্তী পরিবারকে জানানো হবে, যাতে তারা কোর্টে উপস্হিত হয়ে আইনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে।
প্রতিটি ঘটনায়, শুরু থেকে পুলিশ ও র্যাব কি কারণে অপরাধী ও তাদের অবস্হান ইত্যাদি সম্পর্কে সব তথ্য প্রকাশ করে? সাথে সাথে পুলিশ ও র্যাব জানায় যে, তারা কি করতে যাচ্ছে! এটা আপনারা কিভাবে বুঝেন?
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ৯:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



