
ব্লাড ক্যানসার রোগটি ইনফ্লুয়েন্জা ও ভাইরাস জ্বরের মতো ছড়িয়ে পড়েছে; ২৮ বছরের যুবক মারা যাচ্ছে হার্ট এ্যাটাকে, ১৭ কোটীর মাঝে ২ কোটীর কিডনীতে সমস্যা আছে; এগুলোর মুলে খাদ্যে কেমিক্যাল, পশুখাদ্যে কেমিক্যাল, হরমোন, এন্টিবাইওটিক, মাছের খাদ্যে কেমিক্যাল ও হরমোন। মাছর খাদ্যে এত বেশী কেমিক্যাল মিশাচ্ছে যে, পুকরের পানিতে হাত দিলে হাত চুলকায় ও পুকুরের মাটি টলটলে কাদা হয়ে যায়।
কোনটা সহজ হবে: রোগীদের জন্য মাথাপিছু দান খয়রাত থেকে গড়ে ৩০ লাখ টাকা সংগ্রহ করে, তাদেরকে ভারত, সিংগাপুর নেয়া, নাকি কেমিক্যাল বিক্রয় ও ব্যবহার বন্ধ করা? যেটা করা সম্ভব সেটার দিকে আগে মন দেন।
ব্লগে, পত্রিকায়, মিডিয়ায় সাহায্য চাওয়া হচ্ছে শিক্ষক, ছাত্র, ছোট চাকুরীর লোকদের জন্য; কৃষক, শ্রমিক, রিকসা ড্রাইবার, কাজের মেয়ে, বস্তির লোকের জন্য কেহ কি সাহায্য চেয়েছে? আসল রোগীর সংখ্যা তো শেষের গ্রুপে!
বিখ্যাত গায়িকা, জাতীয় প্রফেসর, বা বুদ্ধজীবি আক্রাণ্ত হলে প্রাইম মিনিস্টার সামান্য সাহায্য করবেন; কিন্তু বস্তির কাজের বুয়ার জন্য উনি কি সাহায্য করবেন? আসলে, এভাবে চলতে থাকলে আগামী ১০ বছরে আমাদের পুরো বাজেটের সমান টাকার দরকার হবে ভারত ও সিংগাপুর পাঠাতে।
দেশে হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজের সংখ্যা চাইনীজ রেস্টুরেন্টের সমান হয়ে গেছে; দেশে গরুর চেয়ে ডাক্তারের সংখ্যা বেশী; তারপরও গরু আনতে হয় ভারত থেকে, চিকিৎসা করাতে হয় ভারতে। এগুলো সমাধান মানুষকে করতে হবে, সরকারের মাথায় এগুলো ঢুকবে না; কারণ, উনাদের সবার মৃত্যু হবে দেশের বাহিরে।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুন, ২০১৬ রাত ৯:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



