
শেখ সাহেব ও মাওলানা ভাসানী ১৯৭০ সালে পুরো বাংলাদেশে বক্তৃতা করেছেন, সাথে কোন বডিগার্ড থাকতো না; ১৯৭২ সাল থেকে শেখ সাহেব পাবলিক যায়গায় গেলে বডিগার্ড থাকতো, মাওলানা মৃত্যু অবধি ছিলেন বিনা বডিগার্ডে; শেখ সাহেবের বেলায় নিয়ম বদলে গিয়েছিল; এটা বুঝতে কস্ট হওয়ার কথা নয়, সময় ও পারিপার্শ্বিক অবস্হার সাথে তাল মিলিয়ে পদক্ষেপ নিতে হয়।
শেখ সাহেব দেশের প্রধান হওয়ার পর, ধানমন্ডী বাড়ী ছাড়ার দরকার ছিলো; তিনি ছাড়েননি; মুল্য দিয়েছেন।
এসপি বাবুল আক্তার অন্য অনেক এসপি থেকে আলাদা স্ট্যাটাসে চলে গিয়েছিলেন দায়িত্ব পালনের কারণে; সেটা কি উনি বুঝতে পারেননি? উনার সুপারভাইজার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ কমান্ড বুঝতে পারেননি? দেখা যাচ্ছে যে, বুঝতে পারেননি, মুল্য দিতে হয়েছে।
দেশের সম্যক অবস্হা সরকারের অনেক উঁচু চাকুরীজীবি অনুধাবন করতে পারছেন না; অথবা বুঝার পর, একটা নিদ্দিস্ট স্তরে উনারা ব্যবস্হা নিচ্ছেন সীমিত আকারে; যেহেতু সরকার তাদের কোন পরিকল্পনার সাথে জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করছে না, মানুষ কোন বিষয়ে সঠিক ধারণা রাখতে সক্ষম হচ্ছে না; ঘটনা ঘটার পর, সবাই হায় হায় করছেন!
বাবুল আক্তারের স্ত্রী নিজেদের বাসস্হান পরিবর্তনের কথা অনুধাবন করেছিলেন; উনি সাধারণ একজন গৃহবধু ছিলেন; যদিও উনার প্ল্যানটা কার্যকরী করা হয়নি; দেখা যাচ্ছে যে, উনি পুলিশের অনেক উঁচু কর্মকর্তার চেয়ে দক্ষ মানুষ ছিলেন; দু:খের বিষয় যে, বিষয়টা উনার মাথায় আসার সাথে সাথেই কার্যকর করার দরকার ছিল, যা উনি সময় মতো করতে পারেননি।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুন, ২০১৬ ভোর ৪:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



