
কৃষকের অনুপস্হিতে ভেঁড়া শিকারে আসে নেকড়ে; একটা মাত্র নেকড়ে দেখে হাজার হাজার ভেঁড়া দিশেহারা হয়ে দৌড়াতে থাকে; নেকড়ে সুযোগ মতো দুর্বল একটাকে হত্যা করে; এবং বারবার ফিরে আসে; কৃষক যদি সময় মতো এসে যায়, নেকড়ের জীবন শেষ। কিন্তু বাজারে ভেঁড়ার দাম কম হলে, কৃষক ২/১ টা ভেঁড়ার জন্য রাতের ঘুম বাদ দিবে না।
১৭ কোটী বাংগালী আজ ভেঁড়ার মতো আচরণ করছে; গত ২ বছরে, ২০ জনের কাছাকাছি মানুষ কিছু সন্ত্রাসীর হাতে প্রাণ হারায়েছেন। মানুষ পুলিশকে চেনেন; পুলিশগুলো কোন না বাংগালীর ছেলে, কারো না কারো বাবা, কারো না কারো ভাই, বোন, স্বামী, স্ত্রী; এরা বাহিরের কেহ নন, সবার সাথে উনাদের মিল আছে, উনারা বাংগালী; উনাদের স্বভাব, কার্য-পদ্ধতি, দক্ষতা সবার কাছে পরিস্কার; তাই, মানুষ কিছুটা হতাশ।
মানুষের মুল্য বাংলাদেশে এত কম যে, সরকার খুব একটা মাথা ঘামাতে চাচ্ছে না; কারণ, কারো মৃত্যুর জন্য সরকারকে ক্ষতিপুরণ দিতে হয় না; দিলে এত কম দিতে হয় যে, বাজারের ভেঁড়ার মুল্য থেকেও উহা কম, তাও আবার মানুষের টাকায় ক্ষতিপুরণ; অবশ্য আমাদের সরকারগুলো মানুষের টাকা, মানুষের সরকার এসব কথার দাম কোনদিন দেয়নি।
আরেকটা ব্যাপার হলো, সরকার মানুষকে ভয়ের মাঝে রাখতে চাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে; মানুষ ভয়ে থাকলে, সরকারকে অনেক ব্যাপারে মাথা ঘামাতে হয় না।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ৮:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



