
গত বৃহস্পতিবার, দেশের অর্থমন্ত্রী সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনে বক্তব্য রাখার সময়ে, দারিদ্রতা বিমোচনে, ড: ইউনুছের সুনাম করেছেন; আজ শনিবার, মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রীর সমালোচনা করে বলেন, দারিদ্রতা বিমোচন করেছে আওয়ামী সরকার, ড: ইউনুছের কারণে মানুষ বিশালভাবে ঋণগ্রস্ত হয়ে দারিদ্রতার বেড়াজালে আটকা পড়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ড: ইউনুছেরা আসলে মানুষকে দরিদ্র রেখে, তাদের উপর সুদের ব্যবসা করে নিজেরা সম্পদশালী হয়েছেন; এরা দরিদ্রদের আসলে দরিদ্র হিসেবেই রাখার চেস্টা করেছিলেন।
আসলেই, ড: ইউনুছ কিন্তু কিছু সম্পদের মালিক হয়েছেন; উনি বিদেশ থেকে যথাসম্ভব নিজের নামে আনুমানিক ৬০ কোটী টাকা এনেছেন; এই টাকাগুলো হয়তো রয়ে যাবে; কারণ, এগুলো জন-হিতকর কাজে ব্যবহারের কথা তিনি বলেননি। এই টাকাগুলো ও নোবেল এসেছে উনার ১৯৭৮ সালের আইডিয়ার জন্য, সেই আইডিয়া ছিল জন-হিতকর আইডিয়া।
ড: ইউনুছ এই টাকাগুলো সতভাবে আয় করেছেন, তিনিই একমাত্র বাংগালী, যিনি নোবেল পেয়েছেন; এই টাকা দিয়ে তিনি কি করবেন, সেটা উনার ব্যাপার; শেখ হাসিনা কেন যেকোন অজুহাতে উনাকে দোষারোপ করেন, উচ্চ-হারের সুদ থেকে শুরু করে, পদ্মাসেতুর ঋণ বন্ধের কারণ হিসেবে?
ড: ইউনুছ শেখ হাসিনার চক্ষুশুল হয়েছেন, প্রথমত: মিলিটারী তত্বাবধায়ক সরকারের সময় 'রাজনৈতিক দল গঠনের চেস্টা করায়'; এরপরে, কোন না কোনভাবে বিএনপি'র সুনজরে থাকায়। বিএনপি'র বড় বন্ধু জামাত ড: ইউনুসের নাম শুনলে, "নাউজুবিল্লাহ" উচ্চারণ করার কথা, সেখানে ড: ইউনুসের প্রতি বিএনপি'র সুনজর থাকে কিভাবে? ছোট ফর্মুলা, শত্রুর শত্রু মানে বন্ধু, এর থেকে বেশী কিছু নয়।
পদ্মাসেতু ইত্যাদি নিয়ে ড: ইউনুছকে চাপে রাখায় একটা বিরাট কাজ হচ্ছে, সেটা হলো শিক্ষিতরা ভয়ে রাজনীতি থেকে দুরে থাকছেন; সবার মাঝে একটা ভয়, ড: ইউনুছের যদি এই অবস্হা হয়, আমার কি অবস্হা হবে?
নীচের ঠিকানায় খবরটি আছে:
http://bangla.bdnews24.com/economy/article1297686.bdnews
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মার্চ, ২০১৭ সকাল ৯:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


