
রাশিয়ান রাস্ট্রদুতের সাথে কথা বলার পর, সেটা নিয়ে মিথ্যাচার করাতে, ট্রাম্পের মিলিটারী এডভাইজার জেনারেল ফ্লিনকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করতে হয়েছে; এখন লাইনে আছে ট্রাম্পের এটর্নি জেনারেল জেফ সেসনস; গত সপ্তাহে ডেমোক্রেটরা তার পদত্যাগ দাবী করেছে; সেসনস নির্বাচনের আগে ২ বার রাশিয়ান রাস্ট্রদুতের কথা বলেছে; চাপের মুখে সে স্বীকাার করেছে যে, রাশিয়ান রাস্ট্রদুতের তার কথা হয়েছে; তবে, এগুলো ছিলো সাধারণ আলোচনা; কিন্তু ডেমোক্রেটরা ও কিছু রিপাবলিকান জানতে চাচ্ছে, সাধারণ আলোচনার বাহিরে অসাধারণ কিছু আলোচনা হয়েছে কিনা! শুক্রবার, সেসনস নিজকে "রেকিউজ" করেছে; "রেকিউজ" একটি সাংবিধানিক নীতি, যেটাতে এটর্নী জেনারেল হিসেবে, "রাশিয়ান কানেকশান" নিয়ে যত তদন্ত হবে, তাতে সে অংশ গ্রহন করতে পারবে না, তার আইনি ক্ষমতা থাকবে না; এই "রেকিউজ" গ্রহন করে, সে সাময়িকভাবে পদত্যাগ ঠেকায়েছে। তবে, বিপদ রয়ে গেছে।
মনে হচ্ছে, এর পরে নাম আসবে নির্বাচনী ম্যানজার পল মেনাপোর্ট, অথবা ট্রাম্পের মেয়ের জামাই জেরেড কুশনারের নাম; জেরেড কুশনারের নাম এলে ঘটনা খারাপের দিকে যাবে, তখন ট্টাম্পকেও মুখ খুলতে হবে; কারণ, জেরেড যদি রাশিয়ান রাস্ট্রদুতের সাথে কিছু নিয়ে আলাপ করে থাকে, ট্রাম্পের সেটা জানার কথা।
মনে হচ্ছে, ডেমোক্রেটরা জেফ সেসনস ও জেরেডকে পদত্যাগে বাধ্য করতে পারলে, তারা ট্রাম্পকে ধরতে চাইবে; ট্রাম্প গত বছর এপ্রিল মাসে রাশিয়ান রাস্ট্রদুতের সাথে কথা বলেছে। রাশিয়ান রাস্ট্রদুতের সাথে কথা বলা অপরাধের ব্যাপার নয়, তবে সেটা নিয়ে কিছু লুকাতে চাইলে বিপদ আছে। ট্রাম্প ক্রমেই অশান্ত হয়ে উঠছে; কংগ্রেসে বক্তব্য দেয়ার সময় তাকে যতটুকু শান্ত দেখায়েছে, গত কয়েক দিনে তা হারিয়ে গেছে।
আমেরিকান সরকার ধরে নিয়েছে যে, রাশিয়া গত আমেরিকান নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করার লক্ষ্যে হ্যাকিং করেছে। আবার রাশিয়ান রাস্ট্রদুত সেরগেই কিসলিয়াককে আমেরিকানদের কেহ কেহ বর্তমান বিশ্বের সব চাইতে বড় গোয়েন্দা মনে করে করে; কিসলিয়াক ১৯৮০ সাল থেকে রাশিয়ান দুতাবাসে কাজ শুরু করেছিল, ২০০৮ সাল থেকে সে রাস্ট্রদুত হিসেবে আছে।
রাশিয়া কানেকশান নিয়েই রাজনীতিবিদরা ট্রাম্পকে টার্গেট করে বসেছে, লক্ষণ ভালো মনে হচ্ছে না।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ভোর ৬:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


