
সব নারী ব্লগারকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা; ব্লগে মোটামুটি সবাই আমাদের নারী ব্লগারদের আপু, আপুনী, আপামনি বলেই সম্বোধন করেন; নারী ব্লগারদের ভ্রমণ কাহিনী, কবিতা, ছবিব্লগ, রান্নাবান্না, ভালোবাসার প্রকাশ, সব পাঠককেই আকর্ষণ করছে সব সময়; এক নারী ব্লগার একবার, খুবই স্বল্প সময়ে ব্লগ কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন; ব্লগ হচ্ছে নারীদের জন্য সবচেয়ে সন্মানের জায়গা বাংলাদেশে।
যদিও এই মহুর্তে নেই, বাংলাদেশে আলাদা করে অন্য একদিন নারী দিবস থাকা উচিত, কারণ বাংলাদেশকে নারীস্তান নাম দিলেও ভুল হবে না; দেশ নারীরা চালাচ্ছেন; ১৯৯১ সাল থেকে প্রাইম মিনিস্টার, বিরোধীদলের নেত্রী, সবচয়ে বড় দলগুলোর সভানেত্রী হচ্ছেন নারীরা। আজকের বাংলাদেশে স্পীকারও নারী। বড় ৩ দলে অনেক নারী বড় বড় পদে আছেন। এসব বিবেচনা করে, বাংলাদেশে আলাদা আরেকটি নারী দিবস চালু করা সম্ভব; তখন সেটা হয়তো আন্তর্জাতিক হয়ে যাবে।
বিশ্বে নারীরা বিশাল সমস্যায় আছে, আফগানিস্তানে স্বামীরা বউদের ইচ্ছা মতো ফুটবলের মতো লাথি মারে, বাংলাদেশে বস্তি ও দরিদ্র পরিবারে নারীরা কিভাবে নির্যাতিত হয়, সেটা রূপকথার মতো।
বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারতসহ অনেক গরীব দেশে, গত কয়েক'শ বছর চাকরাণীদের উপর কি হচ্ছে, সেটা আপনারা সবাই জানেন। আবার এসব দেশের নারীরাই চাকরাণী ব্যতিত চলতে পারেন না; এসব দেশের ধনী পরিবারের মহিলারা স্বামীকে রান্না করেও খাওয়ায় না, অনেকে রান্না করা খাওয়া পরিবেশনও করতে চান না; পরিবারে এদের একমাত্র ভুমিকা মা হওয়া।
নারীর ব্যাপারে আরবদের কথা অন্যেরা বলবেন, আমি রাগে কাঁপছি, কিছু লিখছি না; মিশরে ও আরো ২/১ দেশে নারীদের ভালোবাসার পুলক কমাতে তাদের শরীরে অস্ত্রোপাচার করা হয়, নারীকে মেশিনে পরিণত করা হয়।
আমেরিকায়ও নারীরা সুখে নেই; ছেলেরা বিয়ে করতে চাহে না; শহরগুলোর দরিদ্র আফ্রিকান আমেরিকান এলাকাগুলোতে সর্বশেষ বিয়ে কখন রেজিস্ট্রেশন হয়েছে, বলা মুশকিল। যোগ বিয়োগ করলে, আমেরিকান মেয়েরাই বেশী দায়ী হয়তো এই অবস্হার জন্য। বাংগালী মেয়েরা, সাম্প্রতিক কালে, আমেরিকান মেয়েদের অনুসরণ করতে চাচ্ছেন কিছুটা।
তৃতীয় বিশ্বে দরিদ্র পরিবারের মেয়েরা আজও শিক্ষা থেকে বন্চিত; পরিবারের দারিদ্রতা নারীকে বেশী ব্যথা দেয়; কারণ, নারীর ক্ষমতা সীমিত, অশিক্ষিত নারী পুরোপুরি অসহায়, ইচ্ছা থাকার পরও পরিবারের জন্য আয় করতে পারেন না।
আজ বিশ্বর প্রতিটি জাতির কাছে যে সম্পদ আছে, সেটিকে সঠিকভাবে কাজে লাগালে, সবাই সুখে ও শান্তিতে থাকতে পারবেন। অকারণ, অনেক মানুষ বিশ্বের বিশাল সম্পদ দখল করে রেখে মানুষকে অমানুষিক কস্ট দিচ্ছে; এবং এই কস্টটা নারীদের বেশী হচ্ছে।
মনে রাখতে হবে, নারীরাই এই বিশ্বে জীবনচক্রকে ধরে রেখেছেন।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৫:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


