
এ সপ্তাহে, ট্রাম্প নিজের এটর্ণি জেনারেল সিনেটর সেশনকে চাপ দিচ্ছেন, এটর্ণি জেনারেল যেন নিজের থেকে রিজাইন করে; এদিকে ট্রাম্পের মেয়ের জামাতা গত সোমবারে কংগ্রেস কমিটি'তে রাশিয়ান কানেকশানের ব্যাপারে প্রাইভেট সাক্ষাৎকার দিতে বাধ্য হয়েছে; ট্রাম্পের বড় ছেলে, নির্বাচনের আগে এক রাশিয়ান আইনবিদের সাথে মিটিং করেছিল হিলারী ক্লিনটন সম্পর্কিত গোপন তথ্য পেতে; সেটা নিয়ে ট্রাম্পের বাচ্চাকে সিনেটের কমিটির সামনে যেতে হবে। হোয়াইট হাউসসের মুখপাত্র শন স্পাইসের পদত্যাগ করেছে, সে সকাল বিকাল ঝামেলা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে খেই হারায়ে ফেলছিল। ওবামা কেয়ারের বিকল্প হেলথ কেয়ারের পক্ষে দরকারী ভোট নেই, কয়েকজন রিপাবলিকান সিনেটর বেঁকে বসেছেন। ট্রাম্প নিরপেক্ষ তদন্তের কাউন্সেলর মুলারকে বরখাস্তের আইনী দিক দেখতেছে।
সবকিছু মিলে এমন বিশৃংখলা চলছে হোয়াই হাউসে, পুরো আমেরিকা চিন্তিত; রিপাবলিকান এক সিনেটর ট্রামপকে "ক্রেজী" ডেকেছে; সিনেটর মেক-কেইন মাথায় ক্যানসার সার্জারী নিয়ে ভোটে এসে ট্রাম্পকে গালি দিয়েছেন।
এই দুর্বলতাকে চীন ও রাশিয়া কাজে লাগাচ্ছে: উ: কোরিয়া সকাল বিকেল মিসাইল টেস্ট করছে, অনেকটা বাজী ফুটানোর মতো; আবার, পার্সিয়ান উপসাগরে আমেরিকান নেভীর জাহাজের আশে পাশে ইরানীরা অনবরত গানবোট নিয়ে ঘুরছে; এগুলো কিভাবে সম্ভব হচ্ছে? উত্তর কোরিয়া প্রতি সপ্তাহে তাদের মিসাইলকে আপগ্রেড করার মতো অবস্হানে নেই; এমন কি তাদের কাছে এত পরিমাণ জ্বালানী ও প্রয়োজনীয় মেটালও নেই; তারা কি এগুলো প্রসব করছে? আসলে এগুলো চীন ও রাশিয়া থেকে নিয়ে আসা হয়েছে ট্রাম্পের বিজয়ের পরপরই; এখনো আসছে। ঊ: কোরিয়ান অনেক প্রফেশাল রাশিয়ান ও চীনা ভাষায় পন্ডিত, এরা মুলত রাশিয়া ও চীনে বসে মিসাইল টেকনোলোজী নিয়ে খেলছে।
চীন ও রাশিয়া বর্তমান বিশ্বের উন্নত টেকনোলজী, সুস্হ শিক্ষা ব্যবস্হাকে সুযোগ হিসেবে নিয়ে বিশ্বকে সাহায্য করার চেস্টা না করে, আমেরিকাকে কোণঠাঁসা করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। আমেরিকাকে কোণঠাঁসা করা মোটামুটি সম্ভব হবে না; আসলে, যা ঘটবে, আমেরিকা ঘুরে দাঁড়াবে আপন মহিমায়, এবং বিশ্বকে এজন্য মুল্য দিতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




