
ইউরোপের সব দেশ আমেরিকার সাথে কাজ করছে কম সময়ে টিকা ও এন্টিভাইরাল তৈরি করতে; কোন মুসলিম জাতি এই রিসার্চে অংশ গ্রহনের ইচ্ছা প্রকাশ করেনি। এমন কি বাংলাদেশ ইহাতে অংশ নেয়ার জন্য আগ্রহ জানাতে পারতো আমেরিকার সিডিসি'কে; সিডিসি বাংলাদেশকে কোন সরকারী, বা বেসরকারী সংস্হার সাথে যোগ করে দিতো; মেয়র তাপসের কাছে যত টাকা আছে, সেই পরিমাণ টাকা হয়তো খরচ হতো, হয়তো; কিন্তু কোন লিলিপুটিয়ানের মাথায় উহা আসছে না।
টিকা উৎপাদন অনেক সহজ হয়ে গেছে, কোন দেশের সরকারের জন্য ইহা সামান্য বাজার খরচের মতো; ইরান যেখানে এটমবোমা তৈরি করার জন্য সম্পদ ব্যয় করছে, মিসাইল বানানোর জন্য রিসার্চ করছে, সেখানে মাত্র ১০ জন বাইও-সায়েন্সের লোক আমেরিকা, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, বা জার্মানীর কোন ল্যাবে কাজ করে দেখতে পারতো।
টিকা তৈরির মুল বেসিক উপাদান, "এন্টিজেন, ইমিউনোজেন" জেনেরিক অবস্হায় কিনতে পাওয়া যায়; ছোট ছোট বাইও-ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানীদের কাছে আছে; তারা জেনেরিক ভার্সন বিক্রয় করতে আগ্রহী। ইউরোপে, বিশেষ করে জার্মানী, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্সে বাইও-ফার্মার ল্যাব ভাড়া নেয়া যায়। মাত্র ৫/১০ জন ভালো বাইও-কেমেষ্ট্, ফারমেসিষ্ট, প্যাথোলোজিষ্ট, এন্ডোক্রাইওলোজিষ্ট, ফিজিওলোজিষ্ট মিলে এই ধরণের রিসার্চ চালাতে পারে।
আসলে এইসব বিষয়ে, বিদেশী বাইওটেকনোলোজী কোম্পানীর সাথে কাজ করতে চাইলে তারা ঢাকা ইউনিভার্সিটির বাইও-কেমেষ্ট্রী ও বাইওলোজীর ছাত্রদের ট্রেনিং দিয়ে দক্ষ করে তুলতে পারে। ঢাকা ইউনিভার্টির যেসব ছাত্ররা মধুর ক্যান্টিনে সারাদিন আড্ডা দেয়, টিএসসি'তে আড্ডা দেয়, তাদের বয়সী চীনা ও কোরিয়ান ছেলেমেয়েরা আমেরিকার ল্যাবে কাজ করছে গড়ে ১০/১২ ঘন্টা।
বিশ্ব যখন সংকটে পড়ে, মুসলমানেরা আজকাল সামান্য প্রস্তাব নিয়েও এগিয়ে আসে না; এতে করে বিশ্ব ধরে নিয়েছে যে, এরা কোন কাজের নয়।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৯:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


