
ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বড় বড় শহরের লোকদের, যাদের গ্রামে থাকার ব্যবস্হা আছে, সেইসব পরিবারের বয়স্ক, কিশোর ও ছাত্রদের গ্রামে চলে যাওয়া উচিত আগামী কয়েক সপ্তাহের জন্য; এতে, শহরে মানুষের চাপ কমে আসবে; শহরে মানুষের পরিমাণ যত কম হবে, সংক্রমণের পরিমাণ ততই কম হবে। গ্রামের একই পরিবারের ভেতরও, মানুষের মাথাপিছু যায়গা অনেক বেশী; আলো, বাতাস বেশী; ইহা সংক্রমণের জন্য বড় ধরণের প্রতিবন্ধক।
শহরে যেসব পরিবারে বয়স্ক মানুষ আছেন, এবং গ্রামে তাদের দেখাশোনা করার মত ন্যুনতম ব্যবস্হা আছে, তাদেরকে গ্রামে থাকার ব্যবস্হা করার দরকার; কারণ, পরিবারের কম বয়স্করা অসুস্হ হলে, তারা বয়স্কদের মাঝে সংক্রমণের কারণ হবে; কম বয়স্করা সুস্হ হওয়ার সম্ভাবনা শতকরা ৯৮/৯৯ ভাগ; কিন্তু বয়স্কদের বেলায় শতকরা ১৫/২০ জন প্রাণ হারাতে পারে।
বাংলাদেশে সংক্রমণ শুরু হলে ইহা মুলত ঘটবে বড় শহরে; একবার শহরে শুরু হলে, মানুষ পালাবে গ্রামে; কিন্তু ততক্ষণে অনেকে ভাইরাস নিয়েই গ্রামে যাবে; যা গ্রামের লোকদের জন্য হবে ভয়ংকর। ইহা ঘটার আগেই সম্ভব মতো গ্রামে চলে যাওয়া উচিত।
আমাদের উপজেলা ও উহার দক্ষিণের উপজেলার হাজার পরিবার অকারণে চট্রগ্রাম শহরে থাকে; এদের শতকরা ৯০ ভাগের নিজস্ব বাড়ী নেই, এদের অনেকের পরিবারের কেহ কেহ বিদেশে থাকে, সেখান থেকে টাকা আসছে। এদের অনেকেই বাচ্চাদের পড়ালেখা ও সিকিউরিটির নাম করে গ্রাম ছেড়েছে; চট্গ্রাম শহরে কি পড়ালেখা হয় কে জানে, সবাই নিজেদের বাচ্চাদের জন্য ফাঁসকরা প্রশ্ন কিনে আনে পরীক্ষার আগে। গ্রামে এখন চুরি ডাকাতি আসলে নেই। এই ধরণের পরিবারগুলোর ঘর আছে গ্রামে, এখন এদের ঘরে সাপ ও ইঁদুর বাস করে। শহরবাসীদের উচিত এই ধরণের পরিবারগুলোকে শহরে থাকতে নিরুৎসাহিত করা।
ঢাকার আসল অবস্হা ঢাকাবাসীরা জানেন; ঢাকাতে প্রচুর মানুষ আছেন, যাদের বাড়ী আছে গ্রামে, এবং পরিবারের অনেকেই কাজ করে না; এখুনি, এসব পরিবারের বেকার লোকদের সাময়িকভাবে গ্রামে চলে যেতে নোটীশ দেয়ার দরকার।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


